বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: নৈহাটি স্টেডিয়ামে কলকাতা লিগের গ্রুপ পর্বে শেষ ম্যাচ খেলতে নেমেছিল ইস্টবেঙ্গল। শুক্রবার সেই আসরে জয়টাই লক্ষ্য ছিল মশাল ব্রিগেডের।
শেষ পর্যন্ত সেই লক্ষ্য ভেদ করেছে বিনো জর্জের ছেলেরা। প্রতিপক্ষ মিলন সংঘকে 3-1 গোলে পরাস্ত (East Bengal Defeated Kalighat) করে গ্রুপ শীর্ষে থেকেই সুপার সিক্সের শেষ বাধা অতিক্রম করল বাগান প্রতিবেশী।
উজ্জীবিত ফুটবল খেলেই ম্যাচ পকেটে পুরল লাল হলুদ
গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ। তাই বাড়তি চিন্তাটা ছিল প্রথম থেকেই। ফলে কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়েই সিনিয়র দলের বেশ কয়েকজন ফুটবলারকে শুক্রবারের একাদশে রেখেছিলেন বিনো জর্জ। সেই মতো, ম্যাচ শুরু হতেই কালীঘাটের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তারা।
এদিন উজ্জীবিত ফুটবল খেলেই নিজেদের আখের গুছিয়ে নিয়েছে মশাল দল। একেবারে শুরু থেকেই প্রতিপক্ষের উপর দাপট ধরে রেখে 25 মিনিটের মাথায় প্রথম গোল করেন লাল হলুদের ডেভিড লালহানসাঙ্গা। এরপর সুযোগ ভাগাভাগির মাঝে হৃষ্টপুষ্ট ফুটবল দেখিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করে দুই দলই।
এরপর প্রথমার্ধের অপ্রাপ্তি যেন দ্বিতীয়ার্ধে একেবারে সর্বশক্তি দিয়ে পুষিয়ে নিতে ঝাঁপায় ইস্টবেঙ্গল। আসলে, ম্যাচের প্রথম 45 মিনিটে লাল হলুদ যতটা নিজেদের গুটিয়ে রেখেছিল বাকি 45 মিনিটের খেলায় সেটুকুও উজাড় করে দেয় মশাল ব্রিগেডের ছেলেরা। আর তাতেই 53 মিনিটে পৌঁছে ইস্টবেঙ্গলের গোল সংখ্যা বাড়ান গুইতে পেকার।
অবশ্যই পড়ুন: ৫০৮ কিমির পথ অতিক্রম করবে মাত্র ২ ঘন্টায়! দেশের প্রথম বুলেট ট্রেনের ভাড়া কত হবে?
এরপর দীর্ঘ বল দখলের লড়াইয়ের মাঝেই 68 মিনিটে গিয়ে ভাগ্যক্রমে পেনাল্টি পায় কালীঘাট এবং তা কাজে লাগিয়ে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে প্রথম গোলটা করেন পরিবর্ত হিসেবে নামা দেবদত্ত। তবে এই এক গোলেই থেমে গিয়েছিল মিলন সংঘের চাকা। কেননা, শেষ মুহূর্তের ম্যাচে প্রতিপক্ষকে সর্বশক্তি দিয়ে আটকে রাখে লাল হলুদ।
কালীঘাট বারবার চেষ্টা করা সত্ত্বেও ইস্টবেঙ্গল কিছুতেই তাদের সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে দেয়নি। বরং 87 মিনিটে পৌঁছে দূরপাল্লার শট করে ইস্টবেঙ্গলের ঝুলিতে আরও একটা গোল সংখ্যা বাড়ান শ্যামল বেসরার। আর সেখানেই নিজেদের ভাগ্য লিখে ফেলে মশাল ব্রিগেড। এরপর আর কি রেফারির টানা বাঁশিতে জয়ের সরণি থেকে সোজা প্লে অফের পথে পা রাখে কলকাতা ময়দানের এই প্রধান।












