বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভারতীয় ক্রিকেটার মহম্মদ শামির বোন ও শ্যালকের নামে জব কার্ড রয়েছে! তাঁরা দুজনেই 2021-24 সাল পর্যন্ত মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি অ্যাক্ট অনুযায়ী শ্রমিক হিসেবে একশো দিনের কাজের টাকা পেয়েছেন। এই ঘটনা বর্তমানে সর্বজনবিদিত।
এবার সেই কেলেঙ্কারির ঘটনায় ভারতীয় তারকা শামির বোন, শ্যালক সহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ মিলল। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই নাকি উত্তরপ্রদেশের আমরোহার MGNREGA-র অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় শামির বোন শাবিনা, জামাই গজবনী, শাবিবার শাশুড়ি তথা গ্রাম প্রধান গুলে আয়েশা সহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন জেলাশাসক।
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ
বেশ কয়েকটি সংবাদ সূত্রে খবর, আমরোহার একশো দিনের প্রকল্পে কেলেঙ্কারির ঘটনায় ইতিমধ্যেই নাকি মহম্মদ শামির বোন শাবিনা, শ্যালক গজবনী, বোনের শাশুড়ি আয়েশা সহ অন্যান্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা নির্দেশ দিয়েছেন জেলাশাসক নিধি গুপ্তা। সূত্র বলছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে FIR-র নির্দেশের পাশাপাশি গ্রাম প্রধান আয়েশার কাছ থেকে 8 লক্ষ 68 হাজার টাকা আদায় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
বরখাস্ত করা হয়েছে একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত কর্মীকে
বেশ কয়েকটি রিপোর্ট জানাচ্ছে, আমরোহর অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় ইতিমধ্যেই নাকি তৎকালীন 3 পঞ্চায়েত সচিব উমা, আঞ্জুম, পৃথ্বী ও এপিও ব্রজভান সিং সহ 8 জন পঞ্চায়েত কর্মীকে বরখাস্ত করেছেন জেলাশাসক। সূত্রের খবর, তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই নাকি মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
পদ হারিয়েছেন শাবিনার শাশুড়িও
সূত্র যা জানাচ্ছে, ইতিমধ্যেই নাকি বিপুল অর্থ কেলেঙ্কারির কারণে আমরোহার পালাউলা গ্রামের প্রধান গুলে আয়েশাকে পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সূত্র বলছে, মূলত তদন্ত কমিটি গড়ে তুলে গোটা বিষয়ে খোঁজ খবর চালাতে শুরু করেন জেলাশাসক।
শেষ পর্যন্ত বুধবার জেলাশাসকের কাছে প্রতিবেদন জমা দেন কর্মীরা। এরপরই প্রমাণের ভিত্তিতে তৎকালীন বিডিও এবং 4 জন পঞ্চায়েত সচিবসহ মোট 11 জনকে জালিয়াতির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। জানা গিয়েছে, প্রত্যেকের বিরুদ্ধে FIR-র নির্দেশ দিয়েছেন জেলা শাসক নিধি গুপ্তা ভাট।
অবশ্যই পড়ুন: ১৩ রান করেই বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন পাক তারকা! কীভাবে? জানুন
প্রসঙ্গত, আমোরোহার পলাউলা গ্রামের একশো দিনের প্রকল্পে কেলেঙ্কারির ঘটনায় ইতিমধ্যেই গ্রাম প্রধানের পরিবারের মোট 18 জন সদস্যের বিরুদ্ধে কাজ না করেই মোট 8 লক্ষ 68 হাজার টাকা তোলার অভিযোগ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে জেলাশাসক নিধি জানিয়েছেন, অভিযুক্তদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সাথে প্রধানের পরিবারের কাছ থেকেও জালিয়াতির অর্থ আদায় করা হবে বলেই আশ্বাস মিলেছে জেলা শাসকের তরফে।
গুরুত্বপূর্ণ খবরের জন্য | Join Group |
চাকরির খবরের জন্য | Join Hood Jobs |
রাশিফলের জন্য | Join Hood Rashifal |
খেলার খবরের জন্য | Join Whatsapp |