বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পুলওয়ামা জঙ্গি হামলার (2019 Pulwama Attack) অন্যতম মাস্টারমাইন্ড তথা পাকিস্তানের মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসী হামাজ বুরহানকে গুলি করে হত্যা করল অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীরা। জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানের মুজাফফরবাদের কাছেই বুরহানকে দেখতে পেয়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করেন দুষ্কৃতীরা। তাতেই ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় পুলওয়ামা হামলার মূলচক্রীর।
দীর্ঘদিন ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিল বুরহান
কয়েকটি সূত্র মারফত খবর, হামজা আল বদরের শীর্ষ কমান্ডার ছিল বুরহান। তাঁর পুরো নাম ছিল আরজুমান্দ গুলজার দার ওরফে ডক্টর। জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ভারত বিরোধী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিল সে। কয়েকটি রিপোর্ট অনুযায়ী, দক্ষিণ কাশ্মীরের তরুণদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা ছিল এই পাকিস্তানি সন্ত্রাসীর। এবার তাঁকেই অজানা দুষ্কৃতিদের হাতে মৃত্যুবরণ করতে হল।
বলাই বাহুল্য, এই পাকিস্তানি সন্ত্রাসীকে হামজা ‘ডাক্তার’ হিসেবেই চিনতেন পুলওয়ামার বাসিন্দারা। 2022 সালে এই হামজাকে জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত করেছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। এরপর থেকেই তাঁর খোঁজ শুরু হয়। জানা গিয়েছে, এই হামজা পুলওয়ামার বাসিন্দা হলেও প্রায় 7 বছর আগে বৈধ নথি দেখিয়ে পাকিস্তানের গিয়েছিল। সেখানেই সন্ত্রাসী সংগঠন আল বদরে যোগ দেয় সে। পরবর্তীতে ওই সংগঠনের অপারেশনাল কমান্ডার করা হয়েছিল তাঁকে। এরপর একে একে পাকিস্তান থেকে সন্ত্রাসী নিয়োগ করে ভারতে হামলা চালানোর সমস্ত ছক কষতো এই হামজা।
অবশ্যই পড়ুন: ককরোচ জনতা পার্টির উপরে গভীর সঙ্কট! বিপদ নিয়ে মুখ খুললেন অভিজিৎ দীপক
এই হামজাকে, দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থা মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় রেখেছিল। হামজার বিরুদ্ধে দক্ষিণ কাশ্মীরে সন্ত্রাস ছড়িয়ে দেওয়া এবং সন্ত্রাসী সংগঠনে সেখানকার যুবকদের জোর করে নিয়োগ করার অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, সন্ত্রাসবাদের জন্য আর্থিক সহায়তা সংগঠিত করা থেকে শুরু করে পুলওয়ামার একাধিক স্থানীয়কে ভারতে হামলা চালাতে মদত যোগানোর ক্ষেত্রে ক্ষেত্রেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিল সদ্য প্রয়াত হামজা।










