বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভারতে বিশ্বকাপের (ICC Men’s T20 World Cup) ম্যাচ দেখতে আসার পয়সা নেই জিম্বাবুয়ের সমর্থকদের। অগত্যা দেশের ব্যবসায়ীদের কাছে সাহায্যের জন্য এক প্রকার হাত পাততে হচ্ছে তাঁদের। যেই খবর প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে নানা মহলে। আসলে গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলি শ্রীলঙ্কায় কোনও মতে দেখলেও সুপার এইটের ম্যাচে নিজ দলের খেলা দেখতে ভারতে আসার প্রবল ইচ্ছা থাকলেও অর্থের অভাবে পিছিয়ে আসতে হচ্ছে তাঁদের। তাই শেষ চেষ্টা হিসেবে দেশের ব্যবসায়ীদের কাছে আর্থিক সাহায্য চাইছেন জিম্বাবুয়ের সমর্থকরা।
ভারতে আসার জন্য হাত পাততে হচ্ছে জিম্বাবুয়ের সমর্থকদের!
চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের সর্বশক্তি দিয়ে লড়েছে জিম্বাবুয়ে। হারিয়েছে শক্তিশালী দল অস্ট্রেলিয়া, আয়োজক শ্রীলঙ্কাকেও। দলের হাইভোল্টেজ ম্যাচ দেখতে পকেটের কথা চিন্তা করেননি সমর্থকরা। তাই তো যতটা পেরেছেন খরচ করে শ্রীলঙ্কার স্টেডিয়ামে একেবারে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছিলেন তাঁরা। দলকে সমর্থন করতে রঙিন পোশাকে ব্যান্ড বাজিয়ে একেবারে রঙিন মেজাজে দেখা গিয়েছিল তাঁদের। কিন্তু সুপার এইট পর্বে পকেটের কড়ি খরচ করে নিজ দেশের খেলা দেখতে ভারতে আসা একপ্রকার অসম্ভব। তাই সাহায্য চাইতে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন জিম্বাবুয়ের ব্যবসায়ীদের কাছে।
জানা যাচ্ছে, ভারতে জিম্বাবুয়ের সুপার এইটের ম্যাচ দেখতে আসার খরচ বহন করার জন্য দেশের ব্যবসায়ীদের কাছে কাতর অনুরোধ জানিয়েছে ব্যান্ড ও ক্যাসেল কর্ণার। জিম্বাবুয়ের সমর্থকদের এই দুই গোষ্ঠী, স্থানীয় ধনী ব্যক্তিদের কাছ থেকেও নাকি অর্থ সংগ্রহ করে ভারতে খেলতে আসার পরিকল্পনা করছে। আসলে এদেশে খেলা দেখতে আসলেই তো হবে না। ভারতে আসতে প্লেনে যাতায়াতের খরচ থেকে শুরু করে খাওয়া দাওয়া এমনকি থাকার জায়গা সহ আনুষাঙ্গিক খরচ বাবদ বিপুল টাকার প্রয়োজন। সেই অর্থ যোগান দিতেই একেবারে উঠে পড়ে লেগেছে জিম্বাবুয়ের সমর্থকরা।
অবশ্যই পড়ুন: রূপ বদলেও কাজ হল না, ভারতীয় সেনার হাতে খতম জইশ জঙ্গি সইফুল্লা
এ নিয়ে, জিম্বাবুয়ের এক সমর্থক জানিয়েছেন, তাঁরা মাঠে থাকলে আত্মবিশ্বাস পায় দলের প্লেয়াররা। তাঁরা নিজেরাও সবরকম ভাবে স্টেডিয়াম মাতিয়ে রাখতে পছন্দ করেন। এতে নাকি আদতে উপকার হয় দলেরই। আসলে এটাই তো জিম্বাবুয়ের ঐতিহ্য। আর সেই ঐতিহ্য বহন করে রাখতেই জিম্বাবুয়ের ম্যাচে বিভিন্ন সময়ে স্টেডিয়ামে নাচ-গান থেকে শুরু করে নানান কীর্তি ঘটাতে দেখা যায় আফ্রিকার এই দেশের সমর্থকদের। তবে সুপার এইটে কি সেই সাধ মিটবে? টিমটিম করে হলেও জ্বলছে সমর্থকদের আশার প্রদীপ।












