সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের (Middle East War) কারণে ভারত ভারত সহ বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। হরমুজ প্রণালীতে নিষেধাজ্ঞার কারণে গ্যাস এবং তেলবাহী জাহাজগুলি আসতে বাধা পাওয়ায় দেশের বাজারে এলপিজি থেকে অটোগ্যাস সবকিছুর দাম একেবারে সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। এমনকি গ্যাসের অভাবে বহু হোটেল ও রেস্তোরাঁ বন্ধ হওয়ার উপক্রম। আর এই কঠিন সময়ের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হল এমন এক ঘটনা, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে আশার আলো জুগিয়েছে। মাত্র ৫০০ টাকাতেই নাকি মিলছে ১৮ কেজি গ্যাস সিলিন্ডার (Viral Biogas Cylinder)! জানুন।
ভাইরাল ভিডিও এবং দাবি
সম্প্রতি সমাজেরমাধ্যমে একটি ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। আর সেখানে দেখা যাচ্ছে, দু’জন যুবক একটি গাড়িতে কিছু গ্যাসের সিলিন্ডার লোড করছে। বিশেষভাবে সিলিন্ডারগুলির রং নজর কেড়েছে। কারণ, সাধারণত লাল রঙের সিলিন্ডারের জায়গায় এই সিলিন্ডারগুলির রং একেবারে বেগুনি। দাবি করা হচ্ছে, এগুলি নাকি আসলে পরিবেশবান্ধব গোবর গ্যাসের সিলিন্ডার (Cow Dung Gas Cylinder)।
ভাইরাল হওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই দুই ভাই ভাইয়ের বাড়ি উত্তরাখণ্ডে এবং তাঁরা গোবর থেকে গ্যাস তৈরি করে সিলিন্ডারবন্দি করেছেন এবং এই গ্যাস সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব। সবথেকে চমক দেওয়ার বিষয় হল এর দাম। বলা হচ্ছে, মাত্র ৫০০ টাকাতেই নাকি ১৮ কেজি গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহ করা হবে। যেখানে বাজারে এখন ১৪ কেজি সিলিন্ডার কিনতে গেলে প্রায় ১০০০ টাকা দাম পড়ছে, আর বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম তো বা ২০০০ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে, সেখানে এই স্বল্প দামে গ্যাস সরবরাহের খবর যে সাধারণ মধ্যবিত্ত ও ব্যবসায়ীদের কাছে বিশাল স্বস্তির বার্তা হিসেবে দেখা দিচ্ছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু আসলেই কি তাই?
🚨 Two brothers in Uttarakhand have developed an eco-friendly gobar gas cylinder that provides 18 kg of gas for just ₹500. pic.twitter.com/HeSt8mUaRf
— Indian Tech & Infra (@IndianTechGuide) April 6, 2026
আরও পড়ুন: লেহতে একটি মুরগির ডিম বিক্রি হল ২৫,০০০ টাকায়, অর্থ যাবে ইরানের দুর্গতদের সাহায্যে
ভিডিওটি ঘিরে নেট পাড়ায় এখন চর্চা তুঙ্গে। তবে এর সত্যতা নিয়ে এখনো পর্যন্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক খতিয়ে দেখার প্রয়োজন। আসলে এই সিলিন্ডারগুলি সত্যি গোবর গ্যাসের কিনা বা এর দাম আসলেই ৫০০ টাকা কিনা সে বিষয়ে আমাদের অর্থাৎ ইন্ডিয়া হুডের তরফ থেকে কোনও রকম সত্যতা যাচাই করা হয়নি। আর গোবর গ্যাস বা বায়ো গ্যাস সিলিন্ডারবন্দি করার প্রক্রিয়াও বেশ প্রযুক্তিগত জটিল। তাই এখনই এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনও তথ্য বলা যাচ্ছে না।












