ট্রেনের খাবার কতটা সতেজ জানতে পারবেন স্ক্যান করেই, QR কোড সিস্টেম চালু করল রেল

Published:

Indian Railways launched new QR code system

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বড় পদক্ষেপ নিল ভারতীয় রেল (Indian Railways)। ট্রেনে যাত্রীদের খাবারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবার খাবারের প্যাকেটে QR কোড সিস্টেম (Rail QR Code System) চালু করল রেলওয়ে। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো বা PIB এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ট্রেনে খাবারের গুণমান, স্বাস্থ্যবিধি ও সুরক্ষা ব্যবস্থার দিকে কড়া নজর রাখার পাশাপাশি রেলের তরফে অনুমোদিত বিক্রেতা এবং কর্মীরাই অন বোর্ড ক্যাটারিং পরিষেবার সাথে যুক্ত রয়েছে কিনা তা যাচাই করতেই এই বিশেষ QR কোড সিস্টেম চালু করেছে রেল।

এক QR কোডেই থাকবে সমস্ত তথ্য

রিপোর্ট অনুযায়ী, ট্রেনে অন বোর্ড ক্যাটারিং পরিষেবা পরিচালনার জন্য মোতায়েন করা সমস্ত অনুমোদিত ক্যাটারিং বিক্রেতা, সহকারি এবং কর্মীদের জন্য QR কোড সক্ষম পরিচয় পত্র প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, ট্রেনে অন বোর্ড ক্যাটারিং এর তরফে যে খাবার দেওয়া হবে সেই খাবারের প্যাকেটে থাকা ছোট্ট QR কোড স্ক্যান করে যাত্রীরা জেনে নিতে পারবেন বিক্রেতা বা কর্মীর নাম, তাঁর আধার নম্বর, তাঁর মেডিকেল ফিটনেস সহ অন্যান্য একাধিক তথ্য।

শুধু তাই নয়, ওই এক QR কোড স্ক্যান করেই জানা যাবে খাবারটি কোথায় রান্না করা হয়েছে, খাবার তৈরির তারিখ সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। রেল বলছে, আসলে খাবারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং অনুমতি দেওয়া হয়নি এমন বিক্রেতা যাতে ট্রেনে যাত্রীদের খাবার দিতে না পারে সে জন্যেই এই বিশেষ QR কোড সিস্টেম চালু করা হয়েছে। তাছাড়াও এই QR কোড ব্যবস্থা চালু করার অন্যতম কারণ ট্রেনে খাওয়ার সরবরাহের সময় যদি খাওয়ারে কোনও খারাপ কিছু পাওয়া যায় কিংবা খাওয়ার বাসি হয় সে ক্ষেত্রে যাত্রী খাবারের প্যাকেটে থাকা QR কোড স্ক্যান করে নির্দিষ্ট বিক্রেতা বা কর্মীর বিরুদ্ধে রেলের কাছে অভিযোগ জানাতে পারবেন।

অবশ্যই পড়ুন: অবশেষে দূর হল চিন্তা, KKR-র জন্য চরম সুখবর

আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিল রেল

বিশেষ QR কোড সিস্টেম চালু করার পাশাপাশি ট্রেনে খাবারের মান এবং স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখতে প্যান্ট্রি কার এবং বেস কিচেনগুলিতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে প্রতিটি রান্নাঘরে চলছে পর্যবেক্ষণ। এর আগে রেলমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, খাবারের মানোন্নয়নের জন্য যাতে ব্র্যান্ডেড চাল, আটা, ডাল থেকে শুরু করে মশলাপাতি ও অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। এছাড়াও রেলের তরফে ক্যাটারিং ইউনিট গুলোর জন্য FSSAI সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সাথে নিয়মিত খাদ্য নমুনা সহ অডিট ও অন্যান্য বিভাগে পরিদর্শন করবে রেল। সেই সাথে গ্রাহকরা কতটা সন্তুষ্ট হলো এবং ক্যাটারিং কর্মীরা নিয়মিত ঠিকঠাক কাজ করছেন কিনা সেদিকেও কড়া নজর রাখা হবে।

google button