স্কুলের আশেপাশে বন্ধ জাঙ্ক ফুডের দোকান, ঘোষণা রাজ্য সরকারের

Published:

Junk Food

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এবার থেকে সরকারি স্কুল বা তার চারপাশ সংলগ্ন এলাকায় বার্গার কিংবা পিজ্জার মতো জাঙ্ক ফুড (Junk Food) বিক্রির উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী নিজেই একথা ঘোষণা করেছেন। এমনকি এই নিয়ম না মানলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে।

জাঙ্ক ফুড নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের

আসলে এই ঘোষণা করা হয়েছে কর্ণাটক সরকারের তরফ থেকে। রাজ্যের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ইউ. টি. খাদার জানান, “খাদ্য নিরাপত্তা বিধিমালায় এবার বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। শিশুদের এরকম খাবারের প্রয়োজন যা তাদের শারীরিক আর মানসিক বিকাশে সাহায্য করবে। স্কুল সংলগ্ন এলাকায় জাঙ্ক ফুড নিষিদ্ধ করলে শিশুদের স্বাস্থ্যকর অভ্যাস গড়ে উঠবে, এবং তাদের শারীরিক বিকাশ বজায় থাকবে।”

স্বাস্থ্য মন্ত্রীর আরও সংযোজন, “শিশুদের মধ্যে অসুস্থতার সবথেকে বড় কারণ হল অতিরিক্ত পরিমাণের জাঙ্ক ফুড খাওয়া। আমরা খাদ্য পরীক্ষাগারগুলিকে আরও বিশেষভাবে শক্তিশালী করে তুলছি। জাঙ্ক ফুড শিশুদের স্বাস্থ্য সমস্যার বড় ধরনের কারণ হতে দাঁড়াতে পারে। আর সেগুলি স্কুলের ভেতরে কিংবা আশেপাশে বিক্রি করার অনুমতি দেওয়া হবে না এবার থেকে।” এমনকি খুব শীঘ্রই জাঙ্ক ফুড নিষিদ্ধ করার আদেশ জারি করা হবে বলে জানানো হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। সম্প্রতি তিনি এ বিষয়ে বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি বৈঠক করবেন বলেও জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গু-ম্যালেরিয়া অতীত! মশা মারতে বিশেষ ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের

এদিকে জাঙ্ক ফুড নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি ভেজাল বা নিম্নমানের খাদ্য সরবরাহের ক্ষেত্রেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কর্ণাটক সরকার। প্রত্যেকটি খাবারকে আধুনিকভাবে পরীক্ষা করা হবে খাদ দফতরের তরফ থেকে, একথা স্পষ্ট জানানো হয়েছে। এমনকি মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে নতুন পরীক্ষাগার তৈরি করা হবে। পাশাপাশি সুপার মার্কেট কিংবা অন্যান্য জায়গায় পরীক্ষা না করা বা নিম্নমানের খাবার বিক্রি থেকেও সম্পূর্ণ বিরত থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এমনকি আরও জানানো হয়েছে, যদি এই নিয়ম অমান্য করা হয় তাহলে সংশ্লিষ্ট সংস্থার লাইসেন্স বাতিল হতে পারে। পাশাপাশি মোটা অংকের টাকা জরিমানা করা হতে পারে।