সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ আর রক্ষে নেই, এবার এপ্রিল মাস থেকে দাম বাড়তে চলেছে ওষুধের (Medicine Price Hike)। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। আপনার নিত্য প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম এক লাফে বেশ খানিকটা বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা। এমনিতেই ইরান ও ইজরায়েলের যুদ্ধের প্রভাব সব জিনিসের ওপর পড়েছে। একটা সাধারণ জিনিস কিনতে গিয়ে আমজনতার নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে। এবার গোদের ওপর বিষফোঁড়া হতে চলেছে ওষুধের বাড়তি দাম।
এপ্রিল থেকে বাড়বে ওষুধের দাম
ন্যাশনাল ফার্মাসিউটিক্যাল প্রাইসিং অথরিটি (NPPA) বুধবার জানিয়েছে যে, ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে ৭৬৭টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম বাড়বে। পাইকারি মূল্য সূচকের (WPI) ভিত্তিতে ওষুধের দাম ০.৬৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে প্রস্তুতকারকরা। এনপিপিএ ইন্ডিয়া জানিয়েছে যে, তালিকাভুক্ত ওষুধগুলির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP) ০.৬৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে।
২৫শে মার্চ জারি করা স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, “বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রকের শিল্প ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য অধিদপ্তরের অর্থনৈতিক উপদেষ্টার কার্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত পাইকারি মূল্য সূচক (ডব্লিউপিআই) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় ২০২৫ পঞ্জিকা বর্ষে ডব্লিউপিআই-এর বার্ষিক পরিবর্তন হলো (+)০.৬৪৯৫৬%।”
আরও পড়ুনঃ মধ্যবিত্তদের সাড়ে সর্বনাশ! এতটা দাম বাড়ল সর্ষের তেলের, দেশলাই নিয়েও দুঃসংবাদ
স্মারকলিপি অনুসারে, প্রস্তুতকারকরা পূর্ব সরকারি অনুমোদন ছাড়াই WPI-এর উপর ভিত্তি করে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP) বৃদ্ধি করতে পারবেন। স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়েছে, “ড্রাগস (প্রাইসেস কন্ট্রোল) অর্ডার, ২০১৩ (ডিপিসিও, ২০১৩)-এর অনুচ্ছেদ 16(2)-এর বিধান অনুসারে, প্রস্তুতকারকরা সরকারি অনুমোদন ছাড়াই এই WPI-এর উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত ফর্মুলেশনগুলির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP) বৃদ্ধি করতে পারবেন।” অর্থাৎ ওষুধ কোম্পানগুলি দাম বৃদ্ধি করতে পারে, এতে কোনও বাধা নেই।
তালিকায় রয়েছে পেইনকিলার থেকে অ্যান্টিবায়োটিক
জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকায় (NLEM) ৯০০টি ঔষধের ফর্মুলেশন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে যে কোনও পেইন কিলার (Pain Killer), অ্যান্টিবায়োটিক এবং সংক্রমণরোধী ঔষধ। মনে রাখতে হবে যে এই বর্ধিত মূল্য জিএসটি ছাড়া এবং প্রস্তুতকারক, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ মূল্যের চেয়ে বেশি দামে ঔষধ বিক্রি করা বেআইনি।












