‘বিদেশ থেকে আসছে টাকা, বাংলা সহ ১২ রাজ্যে অতি সক্রিয় জঙ্গি সংগঠন PFI’, জানাল ED

Published on:

ed

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: গোটা দেশজুড়ে ইসলামিক আন্দোলন গড়ে তোলার যে ফন্দি এঁটেছে জঙ্গি সংগঠন সে বিষয়ে বেশ কয়েকদিন ধরেই টের পেয়েছে রাজ্য সরকার। বিমান হাইজ্যাক থেকে শুরু করে আইন অমান্য করে সমান্তরাল সরকার গঠন ইত্যাদি নানা উপায়ে দেশে গৃহযুদ্ধ বাঁধানোর পরিকল্পনা রয়েছে PFI। এর আগে বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপের অভিযোগে ২০২২ সালে PFI-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। ইউএপিএ আইনে পাঁচ বছরের জন্য সংগঠনটির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কিন্তু এই আবহেই এবার শোনা যাচ্ছে যে ফের ভোল বদলে নয়া রূপে আরও একবার সক্রিয় হতে চলেছে PFI।

গুরুত্বপূর্ণ খবর পড়তে জয়েন করুন Join Now

PFI প্রসঙ্গে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিল ED

এর আগেও ভয়ংকর রূপ দেখিয়েছিল PFI। অতীতে একাধিকবার হিংসার পথে হেঁটেছে কেরলের এই নিষিদ্ধ সংগঠনটি। সম্প্রতি ৩৫ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ED। এবার এই ভয়ংকর সংগঠন নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ED। মারণাস্ত্রের প্রশিক্ষণ দিয়ে বিশেষ জঙ্গি দলও গঠন করার চেষ্টা করছে পিএফআই, এমনটাই ইডির দাবি। তার জন্য বিদেশ থেকে অনুদানও পাচ্ছে পিএফআই। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত তাদের ৬১ কোটি টাকারও বেশি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে ইডি। সম্প্রতি পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার সক্রিয়তা নিয়ে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও ১২ রাজ্যে অতিসক্রিয় PFI!

যেদিন কেন্দ্রীয় এজেন্সি জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা NIA চার বছর আগে এই সংগঠনকে ইসলামিক জঙ্গি সংগঠন বলে ঘোষণা করে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন—ইউএপিএ-র সংশ্লিস্ট ধারায় মামলা করেছিল তারপর থেকেই টানা তদন্ত শেষে ED জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ-সহ ১২ রাজ্যে PFI অতিসক্রিয়। সেই রাজ্যগুলি হল, দিল্লি, কেরল, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, কর্নাটক, তেলেঙ্গানা, তামিলনাড়ু, বিহার, জম্মু-কাশ্নীর, মণিপুর ও অসম। এরমধ্যে কেরলে এই সংগঠন সবচেয়ে সক্রিয় বলে জানিয়েছে এড ও NIA।

বাছায় করা খবর নিজের মোবাইলে পেতে Join Now

আরও পড়ুনঃ রেশনে আর মিলবে না চাল? পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে চুক্তিতে নারাজ চালকল মালিকরা

প্রসঙ্গত, তদন্তকারীদের মতে ২০২০ সালে বেঙ্গালুরু দাঙ্গার নেপথ্যে হাত রয়েছে PFI এর। শুধু তাই নয় ২০২১ সালে উচ্ছেদ অভিযানকে ঘিরে হওয়া অসমের সংঘর্ষের নেপথ্যে ছিল মুসলিম মৌলবাদী সংগঠন ‘পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া’ বলেও অভিযোগ উঠে এসেছে। এমনকি জানা গিয়েছে, আল কায়দার সঙ্গেও যোগ রয়েছে মুসলিম মৌলবাদী সংগঠন ‘পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া’র।

গুরুত্বপূর্ণ খবরের জন্যJoin Group
চাকরির খবরের জন্যJoin Hood Jobs
রাশিফলের জন্যJoin Hood Rashifal
খেলার খবরের জন্যJoin Whatsapp
সঙ্গে থাকুন ➥
X
Join Group