সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সরকারি কাজে দুর্নীতি। এবারের ঘটনা যোগীরাজ্য উত্তর প্রদেশে (Uttar Pradesh)। সূত্রের খবর, মাহোবা জেলায় জল জীবন মিশনের (Jal Jeevan Mission) আওতায় সদ্যনির্মিত জলের ট্যাঙ্ক পরীক্ষার মাত্র একদিন পরেই ফেটে যায়। আর এই ঘটনা নিয়ে বিজেপি সরকারকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন সমাজবাদী পার্টির সভাপতি অখিলেশ যাদব।
ঘটনাটি কী?
আসলে জৈতপুর ব্লকের নাগরদাং গ্রামে নমামি গঙ্গে উদ্যোগের আওতায় জল জীবন মিশনের মাধ্যমে প্রতিটি ঘরে ট্যাবের জল দেওয়ার জন্য এই ট্যাঙ্ক নির্মাণ করা হয়েছিল। ২০২৫ সালে নির্মিত জলের ট্যাঙ্কটি গত ১৩ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষার জন্য ভরাট করা হয়েছিল। জানা যায়, ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল তিনটার দিকে হঠাৎ করে ওই ট্যাঙ্কটি ফেটে যায়। মাত্র একদিনের মধ্যেই ট্যাঙ্কটি ওই জলের ভার সামলাতে পারে না, এবং হাজার হাজার লিটার জল নষ্ট হয়। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্মাণকাজের মান এবং তদারকি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। জানা গিয়েছে, ওই ট্যাঙ্কের মান এতটাই খারাপ ছিল যে জলের চাপ সহ্য করতে পারেনি। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, নির্মাণের সময় দুর্নীতির কারণে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছিল।
এদিকে সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, মাহোবার জলের ট্যাঙ্ক বিজেপির দুর্নীতির বোঝা আর বহন করতে পারছে না। বহু কোটি টাকার প্রকল্পগুলির জন্য এখন কে দায়ী? তদন্ত হবে? দোষীদের সামনে আনা হবে? এমনকি তিনি ব্যাঙ্গাত্মকভাবে বলেছেন, এখানে বুলডোজার চলবে না। কারণ, মাহোবা থেকে লখনৌ পর্যন্ত দুর্নীতির পাইপলাইন জলের পরিবর্তে অর্থ সরবরাহ করেছে। আর এটি কোনও জল জীবন মিশন নয়, বরং কমিশন মিশন। তাঁর বক্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে যে বিতর্কে ছড়িয়ে পড়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
गिरती टंकी समाचार : फ़रवरी 2026.
महोबा में भाजपा के भ्रष्टाचार के बोझ को न उठा पायी पानी की टंकी।
यहाँ बुलडोज़र नहीं चलेगा क्योंकि भ्रष्टाचार की पाइप लाइन महोबा से लखनऊ तक, जलापूर्ति की जगह धनापूर्ति कर रही है।
ये ‘जल मिशन’ नहीं, ‘कमीशन-मिशन’ है।
भाजपा जाए तो पानी मिल पाए! pic.twitter.com/fwxWcis0Tr
— Akhilesh Yadav (@yadavakhilesh) February 16, 2026
আরও পড়ুন: হোলিতে দীঘা যাওয়ার প্ল্যান? স্পেশাল ট্রেন নিয়ে বড় সুখবর দিল রেল
এদিকে গ্রামপ্রধান ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট গজল ভরদ্বাজ ট্যাঙ্ক ফেটে যাওয়ার বিষয়ে কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেন, নির্মাণের সরকারি তহবিলের অপব্যবহার করা হয়েছে। বিষয়টিকে নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি প্রকল্পটি নিয়ে চরখারির বিধায়ক ব্রিজভূষণ রাজপুত ও রাজ্যের জলবিদ্যুৎ মন্ত্রী স্বতন্ত্র দেব সিংয়ের মধ্যে বাগবিতণ্ডার খবরও সামনে এসেছে। তবে নির্মাণকার্য কোনও ত্রুটি গঠন ছিল কিনা, তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত।











