বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ইজরায়েল এবং আমেরিকার যৌথ হামলায় প্রাণ গিয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির। সেই খবর নিজেই জানিয়েছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশের সুপ্রিম লিডারের মৃত্যুতে শোকে ভেসেছিলেন ইরানের বাসিন্দারা। খামেনির যোগ্য মুখ খুঁজতে একেবারে হিমশিম খেতে হচ্ছিল মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিকে। তার মধ্যেও ইরানের ভবিষ্যৎ মুখ হিসেবে উঠে এসেছিল বেশ কয়েকজনের নাম। সেই তালিকায় ছিলেন খামেনি ঘনিষ্ঠ ধর্মগুরু আলিরেজা আরাফি (Alireza Arafi Death)। তাঁকেই বসানো হয়েছিল ইরানের সর্বোচ্চ নেতার আসনে। এবার শোনা যাচ্ছে, এক বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন তিনিও।
খামেনির উত্তরসূরিকেও মারল আমেরিকা?
গত শনিবার, ইরানে ভয়াবহ হামলা চালিয়ে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনিকে হত্যা করে সেই দায় নেয় আমেরিকা। প্রাথমিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি এমন দাবি অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে জানা যায় আদতেই মৃত্যু হয়েছে খামেনির। এরপরই তাঁর যোগ্য উত্তরসূরি খোঁজার কাজ শুরু হয়। সেই সূত্রেই উঠে আসে প্রতিষ্ঠিত আলেম আরাফির নাম। শোনা যাচ্ছিল, তাঁকেও নাকি খামেনির উত্তরসূরি হিসেবে জায়গা দিয়েছিল ইরানের নেতৃত্ব। তবে একাধিক রিপোর্ট অনুযায়ী, 2 মার্চ এক বিমান হামলায় মৃত্যু হয়েছে সেই আরাফিরও।
এক্স হ্যান্ডেলে ভেসে আসা একের পর এক রিপোর্ট দাবি করছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনির মৃত্যুর পর তাঁর যোগ্য উত্তরসূরী হিসেবে 67 বছরের আরাফিকে বসানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে ছক মারা হয়েছে। যদিও প্রতিবেদনটি লেখার আগে পর্যন্ত তাঁর মৃত্যুর দায়ভার নেয়নি ইজরায়েল বা আমেরিকা। ফলে কীভাবে আরাফির মৃত্যু হল তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়।
Newly appointed interim Supreme Leader Ayatollah Arafi has reportedly been killed in an airstrike, just hours after taking the role. pic.twitter.com/poPIO3pK1J
— Pubity (@pubity) March 2, 2026
অবশ্যই পড়ুন: T20 বিশ্বকাপের সেমিতে কবে, কখন, কাদের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত? দেখে নিন
উল্লেখ্য, তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত হলেও ইরানের সদ্য প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা খামেনির অত্যন্ত কাছের লোক ছিলেন আরাফি। মৃত্যুর আগে পর্যন্ত আরাফি অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টসের ডেপুটি চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন। এর আগে তিনি প্রভাবশালী গার্ডিয়ান কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন। তাছাড়াও ইরান সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করার গাঢ় অভিজ্ঞতা ছিল তাঁর।












