সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ফের আত্মঘাতী বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল সন্ত্রাসের দেশ পাকিস্তান (Pakistan Blast)। এবার অটোতে রেখে যাওয়া বোমা ফেটে নিহত হল শিশুসহ দুইজন। সোমবার সকালবেলা খাইবার পাখতুনখোয়ায় ঘটেছে এই বিস্ফোরণ। তবে দু’জন মৃত্যুর পাশাপাশি আরও ১৬ জন জখম হয়েছে বলে খবর। আর তাদেরকে দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। একের পর এক বিস্ফোরণে কার্যত দিশেহারা অবস্থা পাকিস্তানের।
ভয়াবহ বিস্ফোরণ পাকিস্তানে
উল্লেখ্য, উত্তর-পশ্চিম পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়াতে প্রায়শই এরকম বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কিন্তু অটোতে কারা বোমা রেখে গিয়েছিল সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও তথ্য সামনে আসেনি। জানা যাচ্ছে, খাইবার পাখতুনখোয়ার বানু জেলার ওয়াজ়িরিস্তান সীমান্ত জাগোয়া এলাকায় এই বিস্ফোরণ ঘটেছে। থানার কাছে রাস্তার উপর অটো রিক্সাটি দাঁড়িয়েছিল। আর ওই অটোর মধ্যেই রাখা ছিল বোমা। বিস্ফোরণে শিশুসহ মোট দু’জনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় এবং ১৬ জন আহত হয়। দ্রুত উদ্ধার করে তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এমনকি গোটা এলাকা ঘিরে ফেলেছে নিরাপত্তা বাহিনী। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তদন্ত।
اج صبح ضلع بنوں تحصیل میریان میں افسوسناک وقعہ پیش آیا۔
میریان تھانہ کے قریب بم دھماکے ہوا جس میں دو معصوم بچے شہید اور 19 عام شہری زخمی۔جس میں ،بچے اور بوڑھے شامل ہے۔
شہداء میں معروف پیر فضل ولی صاحب مندیو کا پوتا دانیال خان اور
رفیق اللہ مندیو کا بیٹا خافظ زوہیب خان شامل… pic.twitter.com/5uBR8wN5X6— Umar pashteen (@umerpashtoon) February 16, 2026
আরও পড়ুন: এই কারণে তৃতীয় বারের মতো T20 বিশ্বকাপ জিতবে ভারতই
বলাবাহুল্য, গত ৬ ফেব্রুয়ারি ইসলামাবাদের এক মসজিদে ঘটে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ, যে ঘটনায় ১৫৯ জন জখম হন এবং ৩১ জন জায়গায় প্রাণ হারান। আর এটি সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের মধ্যে সবথেকে বড় সন্ত্রাসবাদী হামলা ছিল বলেই মনে করা হয়। তবে এই হামলার পর কেউ দায় স্বীকার করেনি। এমনকি ওই বিস্ফোরণের পর পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রান্তে অভিযানও চালানো হয়। সেই অভিযানে খাইবার পাখতুনখোয়ার পেশোয়ার থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে জানা যায়, বেলুচিস্তানের বিদ্রোহীরাই ওই হামলার সঙ্গে জড়িত ছিল। যদিও আজকের এই অটোতে বোমা বিস্ফোরণে কারা জড়িত তা এখনও পর্যন্ত সামনে আসেনি। কিন্তু আফগানিস্তান সীমান্ত লাগোয়া ওই প্রদেশে দীর্ঘদিন ধরেই তালিবানরা সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। আর পাকিস্তান বাহিনীর সঙ্গে মাঝেমধ্যেই তাদের সংঘর্ষ লেগে থাকে। সবটাই এখন নির্ভর করছে তদন্তের উপর।











