“ইরানের সিংহাসনে যেই বসুক মরতে হবে!” বিরাট হুমকি ইজরায়েলের

Published:

Israel On Iran Defence minister threats
Follow

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি (Israel On Iran)। সুপ্রিম লিডারের মৃত্যুতে একেবারে ক্ষেপে গিয়েছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশের মরণ কামড় খেতে হচ্ছে আরব দেশগুলিকেও। এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার আসনে কাকে বসানো হবে তা নিয়ে চলছে জোর জল্পনা। এর আগে শোনা গিয়েছিল খামেনি ঘনিষ্ঠ আলিরেজা আরাফিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার পদ দেওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই তাঁকে প্রাণে মেরে ফেলা হয়। এমতাবস্থায় শোনা যাচ্ছে, আর অন্য কেউ নয় বরং খামেনির পুত্র মোজতবাকেই বসানো হবে ইরানের সিংহাসনে। সেই খবর প্রকাশ্যে আসতেই বড়সড় হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইজারায়েল। সে দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী একেবারে হুঙ্কার দিয়ে বলেছেন, “ইরানের সর্বোচ্চ নেতার আসনে যাকেই বসানো হবে তাঁকেই মৃত্যুবরণ করতে হবে।”

ইরানকে বিরাট হুশিয়ারি ইজরায়েলের

86 বছর বয়সে মৃত্যু হয়েছে ইরানের সুপ্রিম লিডার খামেনির। সেই শোক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি ইরানবাসী। দেশের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে এক প্রকার জীবন বাজি রেখে লড়ছে দেশটির সেনাবাহিনী। ঠিক সেই আবহে শোনা যাচ্ছিল, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার আসনে বসানো হতে পারে খামেনির পুত্র মোজতবাকে। আর এই খবর প্রকাশ্যে আসার পরই ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরাইল কাটজ বুধবার একেবারে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেলেন, “ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বিকল্প হিসেবে যে নেতাকেই সিংহাসনে বসাক না কেন ইরান, তাঁকে মেরে ফেলা হবে।”

এর আগে ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সে দেশের গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, তেহরানের এক অনুষ্ঠানে ইরানিরা খামেনিকে শেষ বিদায় জানাবেন। ইরানের ইসলামিক প্রপ্যাশন কাউন্সিলের প্রধান হোজ্জাতোলেসলাম মাহমুদি জানিয়েছেন, তিন দিনের জন্য বিদায় অনুষ্ঠান অব্যাহত থাকবে। এরপর অন্তষ্টিক্রিয়ার মিছিল ঘোষণা করা হবে। সেই সব পর্ব মিটিয়ে পঞ্চম দিনে পা দিতেই ইজারায়েল ইরান এবং লেবাননে নতুন করে হামলা চালায়। ইরানের গণমাধ্যম বলছে, লেবাননের একের পর এক আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইজরায়েলের ভয়াবহ হামলায়। এদিকে, নতুন রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে খামেনির খেলেকে সিংহাসনে বসানোর আগেই ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর এমন হুমকি চিন্তা বাড়িয়েছে, ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ড থেকে শুরু করে সে দেশের নেতাদের।

 

অবশ্যই পড়ুন: এক ধাক্কায় খরচ বাড়ল ৯০ হাজার কোটি, দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন নিয়ে দুঃসংবাদ!

উল্লেখ্য, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনির মৃত্যুর খবর সবার প্রথম জানিয়েছিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে সর্বপ্রথম আমেরিকান প্রেসিডেন্ট জানিয়েছিলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ইরানের তরফে সে কথা অস্বীকার করা হলেও পরবর্তীতে সেই সত্যতা মেনে নেয় দেশটি। তবে সর্বোচ্চ নেতা মারা গেলেও যুদ্ধের ময়দান থেকে এক চুলও সরতে রাজি নয় আমেরিকার এক সময়কার বন্ধু।