খামেনির মৃত্যুর প্রতিবাদে করাচিতে মার্কিন দূতাবাসে হামলা, পাল্টা প্রতিরোধে নিহত ১০

Published:

Ali Khamenei
Follow

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির (Ali Khamenei) মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আন্তর্জাতিক মহলে শুরু হয়েছে সংঘাত। বিভিন্ন দেশেই প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। যার মধ্যে পাকিস্তানের করাচি শহরে পরিস্থিতি একেবারে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে। রবিবার মার্কিন কনসুলেট ধীরে বিক্ষোভ আর সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১০ জনের, এমনকি আহত হয়েছে আরও ৩০ জন।

ভয়াবহ পরিস্থিতি করাচিতে

ইরানি সংবাদমাধ্যমে খামেনির মৃত্যুর খবর প্রকাশের পরেই একাধিক দেশে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তানের বিভিন্ন সংগঠন রাস্তায় নামে, এমনকি করাচিতে বিক্ষোভকারীরা মার্কিন নীতির বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে। আর মার্কিন কনসুলেটের দিকে অগ্রসর হয়। প্রাথমিকভাবে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। কিন্তু উত্তেজিত জনতা ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে গেলে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে। আর প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছে, এর পরেই গুলিবর্ষন শুরু হয়। প্রথম ৫ জনের মৃত্যুর খবর মিললেও পড়ে সেই সংখ্যা ১০-এ পৌঁছয়। আহত হয় অন্তত ৩০ জন। আহতদেরকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বলে রাখি, আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন মারফৎ, তেহরানে খামেনির দফতরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। জানা যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েল যৌথভাবেই এই হামলা চালিয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের ঘনিষ্ঠূ সূত্র মারফৎ খবর, খামেনি আত্মগোপন করতে পারেননি এবং নিজের দফতরে কাজ করছিলেন। কিন্তু এই হামলা ও মৃত্যুর বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সম্পূর্ণ এবং স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য সামনে আসেনি।

আরও পড়ুন: চূড়ান্ত তালিকায় নামের পাশে “DELETED” দেখাচ্ছে? কী করবেন জেনে নিন

এমনিতেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে দিনের পর দিন উদ্বেগ বাড়ছে। তার মধ্যে এই সংঘর্ষ নতুন করে যে কূটনৈতিক সংকট তৈরি করবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এমনকি এই ঘটনার পর ইজরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র কোনও দেশের তরফ থেকেই আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি। অন্যদিকে আর করাচির পরিস্থিতি সামাল দিতে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা বন্ধ করেছে পুলিশ।