প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: দোরগোড়ায় এসে গিয়েছে ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন। তাই ভোট প্রচারে যাতে কোনো ত্রুটি না থাকে সেই কারণে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস উঠে পড়ে লেগেছে। অন্যদিকে বিজেপিও ইতিমধ্যেই বাংলার বিধানসভা নির্বাচনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ লড়াই হিসেবে দেখছে। জয়ের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ঘনঘন বঙ্গ সফরও সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে। সম্প্রতি উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গে সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার কিছুদিন পরই দলীয় কর্মসূচিতে এসে বারাকপুর ও শিলিগুড়িতে জনসভা করেছিলেন অমিত শাহ (Amit Shah)। এমতাবস্থায় ফের রাজ্যে আসতে চলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, যাবেন মায়াপুর সফরে।
মায়াপুর সফরে যাচ্ছেন অমিত শাহ
বঙ্গ বিজেপির তরফে আগেই জানানো হয়েছিল আগামী মার্চেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বঙ্গে এসে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সভা করতে চলেছেন। সেই আবহে তার আগেই আরও একবার বঙ্গ সফরে আসতে চলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। চলতি মাসেই শাহ রাজ্যে আসবেন বলে খবর। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি একদিনের সফরে বাংলায় আসবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেদিন নদিয়ার মায়াপুরে ইসকনের শ্রীল ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের ১৫২তম জন্মোৎসবের অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। ওই দিন নাকি দুপুর ২টো নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নামবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখান থেকে সেনাবাহিনীর কপ্টারের পৌঁছে যাবেন মায়াপুরে।
মন্দিরে শ্রীকৃষ্ণের আরতিও করবেন অমিত
জানা গিয়েছে, হেলিপ্যাড গ্রাউন্ড থেকে সড়কপথে গাড়িতে প্রথমে ইসকনের শঙ্খভবনে যাবেন অমিত শাহ। এরপর পৌঁছবেন ইসকনের পদ্মভবনে। সেখানেই তিনি সাধু-সন্তদের সঙ্গে একটি বিশেষ বৈঠক করতে পারেন। এমনকি মন্দিরে শ্রীকৃষ্ণের আরতিও করতে পারেন অমিত শাহ। সেই কথাও শোনা যাচ্ছে। তাই এখন থেকেই শুরু হয়েছে নদিয়া জেলা প্রশাসন ও পুলিশের তৎপরতা। আসলে সামনেই যেহেতু দোল। তাই সেই উপলক্ষ্যে বহু ভক্ত সমাগম হতে শুরু করেছে মায়াপুরে। সেই অবস্থায় নিবার্চনের আবহে অমিত শাহের ইসকনের মন্দিরে যাওয়া যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা বহন করছে বলে ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে।
আরও পড়ুন: পারেননি ধোনিও, ভারতের প্রথম উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান হিসেবে বড় কীর্তি ইশান কিষাণের
প্রসঙ্গত, গত ৩০ জানুয়ারি বঙ্গ বিজেপি নেতাদের সঙ্গে দলীয় বৈঠকে করতে কলকাতায় এসেছিলেন অমিত শাহ। রাতেই হোটেলে রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও সাংসদ সুকান্ত মজুমদারকে নিয়ে করেছিলেন বৈঠক। পরেরদিন সকালে আবার দলীয় কর্মসূচিতে এসে বারাকপুর ও শিলিগুড়িতে জনসভা করেছিলেন অমিত শাহ। ওই বৈঠকে কর্মীদের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একাধিক নির্দেশ দিয়েছিলেন।











