প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Election 2026) হতে চলেছে। অর্থাৎ প্রথম দফার ভোটের আর একমাসও বাকি নেই। তাই দফায় দফায় শুরু হয়েছে প্রচার পর্ব। এদিকে ভোট প্রচারকে কেন্দ্র করে তুলকালাম পরিস্থিতি দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে (Basanti)। বিজেপির প্রচারে (BJP Campaign Clash) বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠে এসেছে, যার ফলে রাজনৈতিক উত্তেজনা চরম আকার নিয়েছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।
ভোট প্রচারের অশান্তি বাসন্তীতে
রিপোর্ট মোতাবেক, আজ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দারের প্রচারকে কেন্দ্র করে চরম বিক্ষোভমূলক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে, একদল দুষ্কৃতী মিছিলে ঢুকে পড়ে এবং অন্তত দুটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। শুধু তাই নয়, বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দারের ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করা হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম ধস্তাধস্তি শুরু হয় এলাকা জুড়ে। আর তাতেই জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মীও। শেষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
শাসকদলকে কাঠগড়ায় তুলেছে বিজেপি
বাসন্তী এলাকায় ভোট প্রচারকে কেন্দ্র করে যে ঘটনাটি ঘটেছে বিজেপি তার দায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের ওপর চাপিয়েছে। তাঁদের অভিযোগ এই হামলা শাসকদল ইচ্ছাকৃতভাবে করেছে এবং পুলিশ সবটা দেখা সত্ত্বেও নিষ্ক্রিয় ছিল। যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দারের অভিযোগ, তৃণমূল হারার ভয় পেয়েছে তাই সন্ত্রাসের আশ্রয় নিচ্ছে। পুলিশ সব দেখেও নীরব দর্শক হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। কিন্তু বিজেপির জনসংযোগে কোনো রকম বাধা দেওয়া যাবে না।”
আরও পড়ুন: অভিষেকের সভার আগেই ধূপগুড়িতে ঋণের দায়ে আত্মঘাতী কৃষক
বাসন্তীতে প্রচার নিয়ে পুলিশের দাবি, বিজেপির একটি নির্বাচনী প্রচার চলছিল। সেই সময় বাইক রাখা নিয়ে অশান্তি শুরু হয় প্রথমে। পুলিশ খবর পেয়ে পরিস্থিতি প্রথমে নিয়ন্ত্রণ আনতে গেলে পুলিশের উপরেও উপরেও হামলা করা হয়। RAF-এর একজন কর্মী আহত হয়েছেন। শেষ আপডেট অনুযায়ী এখন পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আছে। যদিও গোটা ঘটনায় তৃণমূল প্রশাসনের যোগসাজশের অভিযোগ করেছেন বিজেপি প্রার্থী বিকাশ সর্দার। পুলিশ বাহিনীর পাশাপাশি নামানো হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদেরও।












