প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আগামী বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালে বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। তাই এই আবহে বেশ জোর কদমে প্রস্তুতি শুরু করেছে বঙ্গের রাজনৈতিক দলগুলি। দলের কার্যাবলী এবং জনগণের জন্য বড় পদক্ষেপ তুলে ধরার জন্য নানারকম পরিকল্পনা করে চলেছে সকলে। তাই এই সময় দলীয় নেতারা নিজেদের মধ্যে একপ্রকার বিভেদ ভুলে একসঙ্গে দল জেতানোর প্রতিযোগিতায় নেমেছে। যার অন্যতম উদাহরণ হল সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষ এবং শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু এঁদের মধ্যে দ্বন্দ্ব মিটলেও কর্মীদের ঘরোয়া কোন্দল (BJP) কিছুতেই থামছে না। সম্প্রতি দক্ষিণ কলকাতায় বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল চরম মাত্রায় পৌঁছে গেল।
অনুগামীর গায়ে লাগানো হল কালি
সূত্রের খবর, গত রবিবার, রবিবার ঠাকুরপুকুর থানার অন্তর্গত আনন্দনগর বাজার এলাকায় সংবর্ধনা দেওয়ার অনুষ্ঠান চলছিল। সেই অনুষ্ঠানে দক্ষিণ কলকাতার বিজেপি জেলা সভাপতি অনুপম ভট্টাচার্যকে সংবর্ধনা দেওয়ার কথা ছিল। অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি বেশ জোরকদমে করা হয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত হঠাৎ করেই সেখানে বিজেপি কর্মী–সমর্থকদের মধ্যে তুমুল হাতাহাতি হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি এতটাই জটিল আকার ধারণ করে যে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে রীতিমত চেয়ার ছোঁড়াছুড়ি পর্যন্ত শুরু হয়ে যায়। সঙ্গে নোংরা কথার ছড়াছড়ি। জেলা বিজেপি সভাপতি অনুপম ভট্টাচার্যের এক অনুগামীর গায়েও কালি ছোড়া হয় বলে অভিযোগ।
অবস্থা যখন আরও নিয়ন্ত্রণের বাইরে বেরিয়ে যায় তখন দক্ষিণ কলকাতা জেলা বিজেপি সভাপতির পক্ষ থেকে এই ঘটনায় পুলিশে অভিযোগ দায়ের করা হয়। যার ফলে দের নাম আরও খারাপ হয়। কিছুদিন আগে দক্ষিণ কলকাতার বিজেপি জেলা সভাপতি অনুপম ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে পোস্টার পড়েছিল। তাতে বেশ চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, এদিকে সেই রেশ কাটতে না কাটতেই বঙ্গের গেরুয়া শিবিরে দলের অন্দরে কোন্দল মারাত্মক আকার নিল। এবার তাঁর আঁচ এসে পড়ল দক্ষিণ কলকাতায়। যা নিয়ে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে।
চরম উদ্বেগ পড়ল গেরুয়া শিবির
জানা গিয়েছে এদিনের বচসার অন্যতম কারণ ছিল কেন দীর্ঘদিনের কর্মীদের নির্দিষ্ট এবং সক্রিয় সদস্যপদ দেওয়া হচ্ছে না? আর এই প্রশ্ন তোলা মাত্রই বিভক্ত হয়ে যায় দুটি গোষ্ঠী। রীতিমত চিৎকার শুরু হয়। দলীয় আদি কর্মীদের একাংশের দাবি, টাকা এবং অন্যান্য দামি সামগ্রীর বিনিময়ে নাকি পদ পাইয়ে দেন অনুপম ভট্টাচার্য। যা এদিনের অনুষ্ঠানে বিজেপি কর্মী–সমর্থকদের মাঝে প্রকাশ্যে আসতেই বিতর্ক চরম আকার ধারণ করে। একের পর এক বচসা অপর গোষ্ঠীর সঙ্গে এতটাই জড়িয়ে পড়ে যে পরিস্থিতি তেতে ওঠে। শুরু হয়ে যায় চেয়ার ছোঁড়াছুড়ি। এই ঘটনার কথা রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বকেও জানানো হয়েছে। যা নিয়ে বেশ অস্বস্তিতে পদ্ম শিবির।
রাজ্য রাজনীতি, বিনোদন থেকে শুরু করে খেলা সংক্রান্ত নানা ধরনের খবরের লেটেস্ট আপডেট পেতে এখনই ফলো করুন আমাদের India Hood Bangla কে।
গুরুত্বপূর্ণ খবরের জন্য | Join Group |
চাকরির খবরের জন্য | Join Hood Jobs |
রাশিফলের জন্য | Join Hood Rashifal |
খেলার খবরের জন্য | Join Whatsapp |