প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: আগামী বছর ২০২৬ এই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন। আর তার ঠিক আগে রাজ্যে অযোগ্য এবং ভূতুড়ে ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দিতে এবং স্বচ্ছ ভোটার তালিকা তৈরিতে জোরকদমে মাঠে নেমেছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। কিছুদিন আগে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ রাজ্যের ভোটার তালিকায় বিজেপি শাসিত হরিয়ানা-গুজরাটের ভোটারদের নাম তোলার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছিলেন। এমনকি এই অভিযোগ স্বীকারও করেছিল নির্বাচন কমিশন।
রাজ্যের নতুন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক কে?
গতকাল অর্থাৎ শুক্রবারই রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে এই বিষয়ে সর্বদল বৈঠক ডাকা হয়েছিল। সেখানে শাসকদলের অভিযোগ ছিল, ‘ভিন রাজ্যের ভোটারদের নাম বাংলার ভোটার তালিকায় ঢোকানো হচ্ছে। মহারাষ্ট্র বা দিল্লিতে যে কায়দায় ভোট হয়েছিল, সেই ফর্মুলা বাংলায় কাজে লাগানোর চেষ্টা চলছে।’ এবার সেই অভিযোগ স্বীকার করে নির্বাচন কমিশন জানান, বাংলার ভোটার তালিকায় থাকা বেশ কয়েক হাজার এপিক নম্বরের সঙ্গে হরিয়ানা, গুজরাট ও অসমের ভোটার তালিকার এপিক নম্বরের মিল পাওয়া গিয়েছে। যার ফলে সংশোধনের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। আর এই আবহে রাজ্যের নতুন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এর নাম ঘোষণা হল। উঠে এল মনোজকুমার আগরওয়াল (Manoj Kumar Agarwal) এর নাম।
সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের CEO পদের জন্য রাজ্য সরকারকে এক বা একাধিক নামের তালিকা পাঠাতে হয়। আর সেই তালিকা থেকেই এক জনকে CEO হিসাবে বেছে নেয় নির্বাচন কমিশন। সেইরকম ভাবেই ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাজ্যের সিইও হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল আরিজ আফতাবকে। ওই পদে তিনি প্রায় আট বছর ছিলেন। পদে থাকাকালীন তিনি ২০১৯, ২০২৪ সালের লোকসভা ভোট এবং ২০২১ সালে রাজ্যের বিধানসভা ভোট পরিচালনা করেছেন আরিজ। কিন্তু তাঁর অবসরের পরে ভারপ্রাপ্ত CEO হিসাবে ওই দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন দিব্যেন্দু দাস। আর এই আবহে গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার মনোজকুমার আগরওয়ালকে পশ্চিমবঙ্গে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন।
আরও পড়ুনঃ ১৫ বছরের অপেক্ষার অবসান, দু’সপ্তাহের মধ্যে কৃষ্ণনগর-আমঘাটা রুটে ছুটবে বহু ট্রেন
একাধিক পদ থেকে সরে যেতে হবে!
প্রসঙ্গত, ১৯৯০ ব্যাচের আইএএস অফিসার ছিলেন মনোজ কুমার। এর আগে মনোজকুমার রাজ্যের অগ্নি ও জরুরি পরিষেবা বিভাগের বিভাগের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব হিসাবে দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। এ ছাড়া বন বিভাগ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের অতিরিক্ত সচিব ছিলেন। শুধু তাই নয়, তিনি এক সময়ে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন বিভাগের সচিব হিসাবেও কাজ করেছেন। তবে এবার সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে হবে। কারণ নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক পদে দায়িত্ব নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে অন্য সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে হবে। শুধুমাত্র রাজ্য নির্বাচন দফতরের দায়িত্ব সামলাবেন।
রাজ্য রাজনীতি, বিনোদন থেকে শুরু করে খেলা সংক্রান্ত নানা ধরনের খবরের লেটেস্ট আপডেট পেতে এখনই ফলো করুন আমাদের India Hood Bangla কে।
গুরুত্বপূর্ণ খবরের জন্য | Join Group |
চাকরির খবরের জন্য | Join Hood Jobs |
রাশিফলের জন্য | Join Hood Rashifal |
খেলার খবরের জন্য | Join Whatsapp |