ভোটের আগে ফের বাংলায় মোদী, টানা ৪ দিন জনসভা ও রোড শো! কোথায় কোথায়?

Published:

Narendra Modi

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নির্বাচন (West Bengal Election 2026) যে দোরগোড়ায় তা বেশ বোঝা যাচ্ছে বঙ্গের রাজনীতির হাওয়ায়। হাতে আর মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি। তাই ভোটমুখী বাংলায় তুঙ্গে চলছে প্রচার। তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি কেউই খামতি রাখছে না প্রচারে। রোদ বৃষ্টির উপেক্ষা করে সাধারণের দরজায় দরজায় উন্নয়নের বার্তা দিয়ে চলেছেন সকলে। অন্যদিকে বিজেপিকে জেতানোর জন্য কার্পেট বম্বিং করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi), স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মতো তাবড় তাবড় শীর্ষ নেতৃত্বের মুখ। এমতাবস্থায় জানা যাচ্ছে ফের রাজ্যে আসছেন নরেন্দ্র মোদী।

রাজ্যে আসছেন মোদী

বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ৯ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার, পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া, বীরভূমের সিউড়ি, পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এরপর ১১ এপ্রিল, শনিবার দক্ষিণ দিনাজপুরের কুশমুন্ডি, নদিয়ার কৃষ্ণনগর ও মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে জনসভা রয়েছে তাঁর। পরের দিন ১২ এপ্রিল, রবিবার উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে রোড শো করার কথা রয়েছে মোদির। এছাড়াও কলকাতায় দুটি রোড শো করতে পারেন তিনি। অর্থাৎ বঙ্গের সিংহাসন দখল করতে মোদীকে আরও বেশি করে সামনে রেখে দলের প্রচার-ভাষ্য জোরদার করার চেষ্টা চলছে বিজেপির।

মোদীর প্রচারে জোর বঙ্গ বিজেপির

ভোট যত এগিয়ে আসছে, পশ্চিমবঙ্গে প্রচারে ঝড় তুলতে চাইছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, উত্তরবঙ্গকে বরাবরই বিজেপির শক্ত ঘাঁটি বলা হয়। তাই সেখানে বেশি করে প্রচার করতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গ বিজেপিও চাইছে মোদিকে দিয়ে উত্তরবঙ্গে টানা প্রচার করাতে। সেই কারণেই শিলিগুড়িতে বিজেপি প্রার্থীদের হয়ে রোড শো করবেন মোদি। কিছুদিন আগেই কোচবিহারের সভায় এসেছিলেন মোদি। বিজেপি নেতৃত্বের মতে, কলকাতায় ব্রিগেড ময়দানের পরে কোচবিহারে মোদীর সভায় ‘ইতিবাচক সাড়া’ পাওয়া গিয়েছে। তাই এবার সেই সুরকে কাজে লাগিয়েই দল ভোটে জিততে চাইছে।

আরও পড়ুন: দেবের সভায় জন্য ডালখোলার স্কুলে বাতিল পরীক্ষা! শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন

কটাক্ষ তৃণমূলের

প্রসঙ্গত, ভবানীপুরের দলীয় প্রার্থী তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় পাশে পেয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। এমনকি দলের প্রচারের জন্য রাজনাথ সিংহ, নিতিন নবীন, জগৎপ্রকাশ নড্ডা, ধর্মেন্দ্র প্রধান, সুনীল বনসল, নিতিন গডকঢ়ী-সহ ৪০ জন ‘তারকা প্রচারকে’র তালিকায় রয়েছে। তবে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রচারে আসা নিয়ে কটাক্ষ করছে তৃণমূল। মন্ত্রী শশী পাঁজা বলেছেন, “ভোট এলে বিজেপি নেতারা পরিযায়ী পাখির মতো বাংলায় আসেন। এরপর মানুষের রায় দিয়ে দিলে তাঁরা ফিরে যান!”

google button