প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: গত শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি বাংলায় SIR- এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। আর কয়েকদিনের মধ্যেই বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে। তাই সময় নষ্ট না করেই সমস্ত রাজনৈতিক দল এক এক করে নেমে পড়েছে জনসংযোগ বৃদ্ধিতে। এমতাবস্থায় পরিবর্তন যাত্রা শুরু করেছে বিজেপি। আর সেই কর্মসূচির প্রথম দিনেই এবার ব্রিগেডে নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) সভার দিন ঠিক হল।
কবে হবে মোদির ব্রিগেডের জনসভা?
গতকাল অর্থাৎ রবিবার, থেকে বিজেপির তরফে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে ‘পরিবর্তন যাত্রা’। বিজেপি সূত্রে খবর, রবিবার ও সোমবার রাজ্যের ন’টি আলাদা জায়গা থেকে ন’টি পৃথক র্যালি হবে। তবে ৩ ও ৪ মার্চ ‘দোল যাত্রা’ এবং হোলির কারণে কোনও কর্মসূচি রাখা হয়নি। ৫ মার্চ থেকে আবার যাত্রা শুরু হবে এবং ধাপে ধাপে রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রকে কভার করা হবে। অন্যদিকে এই পরিবর্তন যাত্রার পরই এবার বিজেপির ব্রিগেডে সভা করার নির্দিষ্ট দিন ঘোষণা করা হল। জানা গিয়েছে আগামী ১৫ মার্চ হতে চলেছে সেই সভা। আর সেখানেই উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর এই বিশাল র্যালির মাধ্যমেই পরিসমাপ্তি হবে ‘পরিবর্তন যাত্রা’র আনুষ্ঠানিক সূচি।
সভায় থাকবেন অমিত, মিঠুন?
জানা গিয়েছে, আজ অর্থাৎ সোমবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘিতে আয়োজিত ন’টি র্যালির একটির সূচনায় উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-র। গতকালই এই র্যালিটি প্রথমে হওয়ার কথা থাকলেও পরে তা সোমবারে সরানো হয়। তবে ১৫ মার্চ ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডের সমাবেশে অমিত শাহ উপস্থিত থাকবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এমনকি ব্রিগেডের ওই সভায় মিঠুন চক্রবর্তী থাকবেন কি না, তা নিয়েও জল্পনা চলছে। যদিও বিজেপি নেতৃত্ব এই নিয়ে এখনও কিছু বলেনি, তবে এই সভা সফল করতে তাঁরা যে বদ্ধপরিকর, তা বুঝিয়ে দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: এদের বাদ দেওয়া হবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুবসাথী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে! ঘোষণায় বিতর্ক
প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে গেরুয়া শিবিরের পরিবর্তন যাত্রা’য় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একাধিক কেন্দ্রের শীর্ষ নেতা অংশ নেবেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা, কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নিতিন গডকরি, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডণবিশ প্রমুখ। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে বাংলাকে দখল করতে রীতিমত মরিয়া হয়ে উঠেছে মোদি গোষ্ঠী।












