ভোটের আগেই রণক্ষেত্র বর্ধমান! বিজেপির প্রচারে বাধা দিতে গিয়ে ধোলাই খেল তৃণমূল

Published:

East Bardhaman
Follow

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে রাজ্য জুড়ে। যদিও এখনও বিধানসভা ভোট কবে তার দিনক্ষণ জানানো হয়নি। কিন্তু তার আগেই শুরু হয়ে গিয়েছে ভোট প্রচার রাজনৈতিক দলগুলির। এমতাবস্থায় তুমুল উত্তেজনার সৃষ্টি হল পূর্ব বর্ধমানে (East Bardhaman)। জানা গিয়েছে, বিজেপির প্রচারে তৃণমূল কর্মীরা বাধা দেওয়ায় তুমুল তর্ক বিতর্ক এবং ধস্তাধস্তি শুরু হয়। আহত একাধিক কর্মী।

তৃণমূল বিজেপির সংঘর্ষ

স্থানীয় রিপোর্ট মোতাবেক, গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার, বর্ধমানের জিটি রোডে বিজেপির কর্মীরা একসঙ্গে জনসংযোগ বৃদ্ধি করতে প্রচার শুরু করে। আর সেই সময় প্রচার কাজে বাধা দিতে এগিয়ে আসে তৃণমূল নেতা শ্যামল রায় এবং তাঁর কর্মীরা। আর তাতেই শুরু হয় দ্বন্দ্ব। লাঠিপেটা এবং মারধর করা হয় দলীয় কর্মীদের। এমনকি ‘জয় বাংলা’ এবং ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান নিয়েও চলে পাল্টা তর্ক বিতর্ক। ভাইরাল হয় যায় সেই ভিডিও। পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক হয়ে পড়ে যে বিজেপি কর্মীরা লাঠি নিয়ে তাড়া করে তৃণমূল কর্মীদের। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে কোনরকমে সেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

অভিযোগ অস্বীকার তৃণমূলের

পূর্ব বর্ধমানের প্রচার বিতর্কের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপির মুখপাত্র শান্তরুপ দে বলেন, “ তৃণমূল প্রথমে আক্রমণ করেছে, আর ইট মারলে পাটকেল তো খেতেই হবে। চিরকাল কোনো একপক্ষ মার খেয়ে যাবে সেটাতো হবে না। তাই নিজেদের আত্মরক্ষা করতে হয়েছে। বহিরাগত গুন্ডাদের দিয়ে আমাদের উপর হামলা করা হয়েছে। যদি ভবিষ্যতে এইধরনের ঘটনা তৃণমূল আবার করে তাহলে আমরা এর বিরুদ্ধে তুমুল বিরোধিতা করব।” এদিকে বিজেপির করা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন স্থানীয় জনমূল নেতা শ্যামল রায়। তিনি জানান, “বহিরাগত গুন্ডা আমরা নই ওঁরা নিয়ে এসেছে, আমাদের দেওয়ালে লিফলেট লাগিয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে বিশৃঙ্খলামূলক পরিস্থিতি তৈরি করেছে।”

আরও পড়ুন: ভয়ংকর বিস্ফোরণ ভাঙড়ে, কেমিক্যাল ড্রাম ফেটে অগ্নিদগ্ধ ৪ শিশু

প্রসঙ্গত, ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যে শুরু হয়েছে তুমুল উত্তেজনা। চারিদিকে বিজেপি তৃণমূলের সংঘর্ষ শুরু হয়েছে, এই অবস্থায় প্রশ্নের মুখে পড়েছে পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা। এদিকে SIR- চলাকালীন বিক্ষিপ্ত অশান্তি ও ভাঙচুরের অভিযোগও উঠেছে। তারজেরে এবার বাহিনী মোতায়নের পরিকল্পনা করছে কমিশন। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলাকে সামনে রেখেই বিষয়টি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে মোতায়েন করা হতে পারে বাহিনী।

গুরুত্বপূর্ণ খবর পড়তে জয়েন করুন Join Now