বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভোটের আগে সরগরম রাজ্য রাজনীতি (West Bengal Assembly Election)। বঙ্গের দুই প্রতিদ্বন্ধী তৃণমূল এবং বিজেপি ইতিমধ্যেই নিজেদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দিয়েছে। ঠিক সেই আবহে এবার সরাসরি রাজনীতির ময়দানে নামতে চাইলেন কামদুনি (Kamduni) আন্দোলনের অন্যতম মুখ টুম্পা কয়াল। জানা যাচ্ছে, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে লড়াই করতে চেয়ে রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সাথে যোগাযোগ করেছেন তিনি! কামদুনির মেয়ে টুম্পা বলছেন, আন্দোলন করেই বেঁচে থাকতে চান তিনি। তবে রাজনীতি ছাড়া এই আন্দোলন মূল্যহীন!
বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন টুম্পা কয়াল?
বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির টিকিটে দাড়াতে চাইছেন কামদুনি আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ টুম্পা। সে কথা ইতিমধ্যেই নাকি বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীককে জানিয়েছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমের সাথে কথা বলার সময় টুম্পা স্পষ্ট জানালেন, “12টা বছর কেটে গেছে। আমি ঠিক করলাম এবার কোনও একটা রাজনৈতিক দলের অধীনে থেকে আন্দোলন করবো। এর কারণ আমরা দীর্ঘদিন আন্দোলন করে এসেছি। অনেক কিছু দেখেছি। তবে রাজনীতি ছাড়া আন্দোলন করা অত্যন্ত কঠিন। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিলাম বিজেপি জয়েন করব।”
টুম্পা বলেন, “রাজনীতির ময়দানে লড়াই করতে চাই। সেজন্যেই দাদার ( শমীক ভট্টাচার্য) সাথে কথা বললাম। দু-তিন দিনের মধ্যেই আমি বিজেপিতে জয়েন করে যাব। তারিখটা পরে জানিয়ে দেবো। আমি চাই মানুষের পাশে দাঁড়াতে। রাজনীতির ময়দানে লড়াই করতে।” বিজেপির টিকিটে দাঁড়াবেন টুম্পা? এমন প্রশ্নের উত্তরে কামদুনির মেয়ে জানিয়েছেন, “ব্যক্তিগতভাবে আমি অনেকটাই দেরি করে ফেলেছি। বলতে গেলে একেবারে শেষের মুখে। আমি জানিনা দল কী করবে এখন। তবে দলের তরফে যা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আমি সেটাই মেনে নেব। এটা মানতেই হবে আমি তো অনেক শেষে এসেছি।”
অবশ্যই পড়ুন: সত্যিই কপাল খারাপ KKR-র! এবার IPL থেকে ছিটকে গেলেন আকাশদীপও
প্রসঙ্গত, এদিন নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন কামদুনি আন্দোলনের মুখ টুম্পা! তাঁকে বলতে শোনা যায়, “রাজ্য সরকারের পুলিশ রাজ্যের কথায় চলে। তাঁদের পুলিশ মন্ত্রী যেমন নির্দেশ দেবেন তেমনভাবেই চলবেন। রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রী যা বলেছেন… রাজ্যের পুলিশ সেভাবে আমাদের কাজ করেননি। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলাম 2013 সাল থেকে। আজও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যারা দোষী, ধর্ষণকারী তাদেরকেই সাপোর্ট করে রাজ্যের পুলিশ। উল্টে তাদের সুরক্ষা দেয়।”












