সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: জ্যোতিষশাস্ত্র এবং ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সূর্যগ্রহণকে (Solar Eclipse) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হয়। সেই সূত্রে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে একটি বলয় আকার সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে, যা সাধারণত আগুনের বলয় নামেই পরিচিত। কিন্তু এই সূর্যগ্রহণের দিনক্ষণ, তিথি নক্ষত্র আর মাহাত্ম্য কী রয়েছে? বিশদে জানুন এই প্রতিবেদনে।
প্রথমেই জানিয়ে রাখি, বলয় আকার সূর্যগ্রহণের সময় চাঁদ সূর্যের সামনে উপস্থিত হয়। তবে সূর্যকে সম্পূর্ণরূপে ঢাকতে পারে না। এর ফলে সূর্যের চারপাশে একটি উজ্জ্বল বৃত্তাকার আলোর বলয় তৈরি হয়। সেই কারণেই একে বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ বলা হয়ে থাকে।
আগুনের বলয় কেন তৈরি হয়?
নাসা বলছে, যখন চার তার কক্ষপথে পৃথিবী থেকে তুলনামূলকভাবে অনেকটাই দূরে থাকে এবং একই সঙ্গে সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে, তখন এটি সূর্যকে সম্পূর্ণরূপে ঢেকে দিতে পারে না। এর ফলে সূর্যের আলো চাঁদের চারপাশে একটি উজ্জ্বল বলয়ের মতো তৈরি করে। আর এই ঘটনাটিকে আগুনের বলয় বলা হয়ে থাকে।
সূর্যগ্রহণের দিনক্ষণ এবং সময়সূচি
বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা অনুযায়ী, এই সূর্যগ্রহণটি পড়ছে আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬। সময়সূচি বলতে গ্রহণ শুরু হবে বিকাল ৩:২৬ মিনিটে, বলয় পর্ব শুরু হবে বিকেল ৫:১২ মিনিটে আর গ্রহণের সর্বোচ্চ সময় হবে বিকাল ৫:৪২ মিনিট। তবে গ্রহণ শেষ হবে সন্ধ্যা ৭:৫৭ মিনিটে। আর গোটা সূর্যগ্রহণটি দুই ঘন্টার বেশি সময় ধরে চলবে।
আরও পড়ুন: SIR শুনানিতে ডাক পেলেন দেবাংশু, ডাকা হল মন্ত্রী শশী পাঁজাকেও… নোটিস পেয়ে কী জানালেন তাঁরা?
কোথায় দেখা যাবে এই সূর্যগ্রহণ?
জানা যাচ্ছে, এই সূর্য গ্রহণটি দক্ষিণ আমেরিকা, আফ্রিকার কিছু অংশ, আটলান্টিক মহাসাগর এবং আশেপাশের অঞ্চল থেকে দেখা যাবে। এই স্থানগুলির মানুষ সরাসরি সূর্যগ্রহণ প্রত্যক্ষ করতে পারবে। তবে যেহেতু ভারত থেকে এই সূর্যগ্রহণ দৃশ্যমান হবে না, তাই দেশে সূতক কাল বৈধ হবে না। আর ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, সূতক কাল তখনই প্রযোজ্য হয়, যখন কোনও স্থান থেকে ওই গ্রহণ দৃশ্যমান হয়।











