বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বিশ্বকাপ জিতেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের তরফে শাস্তি পেয়েছেন টিম ইন্ডিয়ার (India) তারকা পেসার অর্শদীপ সিং। কিউই ব্যাটসম্যানকে বল ছুঁড়ে মারার অভিযোগে জরিমানা করা হয়েছে ভারতীয় তারকাকে। এবার টিম ইন্ডিয়ার বিশ্বকাপ জয়ের আরেক নায়ক হার্দিক পান্ডিয়ার (Hardik Pandya) বিরুদ্ধে থানায় দায়ের হল অভিযোগ। অভিযোগ দায়ের করেছেন পুনের এক আইনজীবী। ভারতীয় তারকার বিরুদ্ধে জাতীয় পতাকার অবমাননা এবং অসম্মান করার অভিযোগ উঠেছে।
গ্রেফতার হবেন হার্দিক পান্ডিয়া?
গত রবিবার রাতে ভারত বিশ্বকাপ জিততেই মাঠে প্লেয়ারদের উদযাপনের ছবি ধরা পড়ে। প্রত্যেকেই দলীয় সেলিব্রেশানের পর নিজ নিজ পরিবার, প্রিয়জনদের সাথে সময় কাটাচ্ছিলেন। সেই সময় তারকা অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়াকেও জাতীয় পতাকা গায়ে জড়িয়ে প্রেমিকার সাথে রঙিন মুহূর্তে দেখা গিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, কাঁধে জাতীয় পতাকা জড়িয়ে কোথাও বান্ধবীকে আলিঙ্গন করছেন হার্দিক, কোথাও আবার বান্ধবীর সঙ্গে শুয়ে পড়েছেন তিনি। গায়ে জড়ানো সেই জাতীয় পতাকা।
অভিযোগকারী আইনজীবী ওয়াজেদ খান বিদকরের দাবি, জাতীয় পতাকা নিয়ে বান্ধবীর সাথে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে ছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া। এতে ভারতের জাতীয় পতাকার অপমান করা হয়েছে। মূলত এমন দাবিতেই বেঙ্গালুরুর শিবাজি নগর থানায় অভিযোগ (FIR) দায়ের করেছেন ওই আইনজীবী। প্রশাসনের কাছে তাঁর অনুরোধ, হার্দিক পান্ডিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হোক।
সংবাদ সংস্থা ANI এর সাথে কথা বলার সময় ওই অভিযোগকারী জানান, “আমরা প্রত্যেকেই দেখেছি হার্দিক পান্ডিয়া টিম ইন্ডিয়ার জয় উদযাপন করতে গিয়ে বান্ধবীর সঙ্গে নেচেছেন। নানান মুহূর্তে দেখা গিয়েছে তাঁকে। তাঁর পিঠে জড়ানো ছিল জাতীয় পতাকা। 1971 এর জাতীয় পতাকা আইনের দ্বিতীয় ধারা অনুযায়ী, আমাদের প্রত্যেকের জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষা করা উচিত। হার্দিক পান্ডিয়া আনন্দে এতটাই মগ্ন হয়ে গিয়েছিলেন যে তিনি জাতীয় পতাকা গায়ে জড়িয়েই বান্ধবীর সাথে শুয়ে পড়েছিলেন। আমি মনে করি এটা জাতীয় পতাকার অপমান।”
অবশ্যই পড়ুন: ১৩১ কোটি টাকা দিয়েছে BCCI, ভাগে কত করে পাবেন সূর্যরা?
প্রসঙ্গত, গত রবিবার ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড এর বিশ্বকাপ ফাইনাল গড়িয়েছিল গুজরাতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে। হার্দিক পান্ডিয়া সেলিব্রেশনও করেছিলেন সেখানেই। ঘটনাটি গুজরাতের হওয়ায় প্রথমদিকে আইনজীবীর অভিযোগ নিতে অস্বীকার করেছিল বেঙ্গালুরুর শিবাজি নগর থানা। যদিও পরবর্তীতে আইনজীবী জোর দিয়ে বললে অভিযোগ গ্রহণ করে পুলিশ।












