বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: প্রায়শই বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচনার রেশ নিজের দিকে ঘুরিয়ে নেন পাকিস্তানের তারকা উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান মহম্মদ রিজওয়ান (Muhammad Rizwan)। এই পাক ক্রিকেটার যে নিজের ধর্মের প্রতি কতটা শ্রদ্ধাশীল তা বোঝা যায় তাঁর বক্তব্য থেকেই। তবে নিজের ধর্মকে এগিয়ে রাখতে গিয়ে বিভিন্ন সময় বিতর্কে গা ভাসান এই পাক তারকা। এবারেও সেই নিয়মের অন্যথা হল না। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পাকিস্তানের তারকা ক্রিকেটার বলেন, “মুসলিমরা এ বিশ্বে রাজত্ব করতে এসেছে, নেতৃত্ব দিতে এসেছে। কারও দাসত্ব করতে নয়।” পাকিস্তানি ক্রিকেটারের এমন বক্তব্য বেশ শোরগোল ফেলেছে নেট দুনিয়ায়।
ঠিক কী বলেছিলেন রিজওয়ান?
সম্প্রতি পাকিস্তানের এক অনুষ্ঠানে ভাষণ রাখার সময় পাকিস্তান ওয়ানডে দলের নিয়মিত ক্রিকেটার তথা বাবার আজমের সতীর্থ রিজওয়ান খুব পরিষ্কারভাবে জানান, “আমরা এখানে একটি মিশন নিয়ে এসেছি। প্রথমে ধর্ম তারপরে ব্যবসা, সহ অন্যান্য পেশা। আল্লাহ মুসলমানদের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য পাঠিয়েছে, দাস হয়ে থাকার জন্য নয়।” পাকিস্তানি ক্রিকেটার মনে করেন, ইসলামই সবার আগে। ক্রিকেট হোক কিংবা অন্যান্য পেশা, সবকিছুর আগে ইসলামকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।
এটাই প্রথম নয়। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে নিজের ধর্মকে এগিয়ে রাখতে গিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন পাকিস্তানের তারকা ক্রিকেটার মহম্মদ রিজওয়ান। তবে এবার তাঁর, “প্রথমে ধর্ম, তারপর পেশা।” মন্তব্যটি ক্রীড়া ক্ষেত্রে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তাছাড়াও রিজওয়ান মুসলিমদের নিয়ে যে বক্তব্য রেখেছিলেন সে প্রসঙ্গে ঘোর আপত্তি রয়েছে নেট নাগরিকদের একটা বড় অংশের! কেউ কেউ আবার, পাকিস্তানি ক্রিকেটারের এমন বক্তব্যের মধ্যে ধর্মীয় উস্কানি খুঁজে পাচ্ছেন।
View this post on Instagram
অবশ্যই পড়ুন: হার্দিক পান্ডিয়াকে পেছনে ফেললেন টিম ইন্ডিয়ার এই অলরাউন্ডার
মহম্মদ রিজওয়ানের বক্তব্য শোনার পরই নেট নাগরিকদের একাংশ তাঁর সমালোচনায় সরব হয়েছেন। পাক তারকাকে নিয়ে এক নেট নাগরিক লিখেছেন, “পাকিস্তানের ক্রিকেটার মহম্মদ রিজওয়ান বড় স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। “ক্রিকেট হলো ইসলামের খিলাফত আন্দোলনেরই একটি সম্প্রসারণ।” পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল থেকে শুরু করে সমস্ত ক্রিকেটারেরই ভালই মগজ ধোলাই করা হয়েছে। তাঁদের বক্তব্য শুনে বোঝা যাচ্ছে তাঁরা ইসলামিক উগ্রপন্থী।” কেউ আবার লিখেছেন, “নিজের ধর্মকে শ্রদ্ধা করা ভালো। তবে সবার থেকে এগিয়ে রাখা বোকামোর কাজ।” যদিও পাকিস্তানের কেউ কেউ আবার রিজওয়ানের ইসলাম সম্পর্কিত মন্তব্যকে সাদরে গ্রহণ করেছেন।












