বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: লক্ষ্মীরতন শুক্লা, মনোজ তিওয়ারির মতো ভারতীয় ক্রিকেটারদের পর এবার তৃণমূলের (Trinamool Congress) পতাকা হাতে তুলে নিলেন বঙ্গ ক্রিকেটের জনপ্রিয় মুখ তথা দীর্ঘদিন বাংলার হয়ে খেলা পেসার শিবশঙ্কর পাল (Shib Paul)। মঙ্গলবারই চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যদের হাত ধরে তৃণমূলে যোগ দেন তিনি। সদ্য রঞ্জি ট্রফিতে বাংলা দলের বোলারদের কোচিং করানো এই জনপ্রিয় মুখ এবার তুফানগঞ্জে তৃণমূলের হয়ে লড়বেন। 22 গজের পর রাজনৈতিক ময়দানে পা রেখেই বাংলার জন্য নিজেকে উজাড় করে দিতে চান তিনি। সেই সাথে তৃণমূলে যোগ দেওয়া মাত্রই বঙ্গ পেসারের গলায় শোনা গেল ‘খেলা হবে’ স্লোগান।
তৃণমূলে যোগ দিয়ে কী বললেন শিবশঙ্কর?
মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং পার্থ ভৌমিকরা। সেখানেই পাকাপাকিভাবে তৃণমূলে যোগ দেন বাংলা দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা শিব। এছাড়াও এদিন তৃণমূলে যোগ দেন শিক্ষাবিদ তনুশ্রী হাঁসদা। এদিন তুফানগঞ্জের ছেলে শিবশঙ্কর তৃণমূলে যোগ দেওয়া মাত্রই একেবারে স্পষ্ট জানান, “আমি শুধুমাত্র দুটো কথা বলতে চাই। আমি বাংলার হয়ে বহুবার মাঠে নেমেছি। খেলেছি। এই সময়টা বাংলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলা এবং বাঙালিকে আক্রমণ করা হচ্ছে। এই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে লড়াই করতে চাই। আমি মাঠের মানুষ, খেলা হবে।”
এক নজরে শিবের কেরিয়ার
1981 সালে তুফানগঞ্জে জন্ম হয় বাংলার প্রাক্তন ক্রিকেটার শিবশংকরের। যদিও 2001-2002 মরসুমে বাংলা দলের হয়ে ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। সেই থেকে বল হাতে বাংলা দলের হয়ে সাত বছর মাঠ কাঁপিয়েছেন প্রাক্তন খেলোয়াড়। এই দীর্ঘ কেরিয়ারে বাংলার হয়ে 61টি প্রথম শ্রেণি এবং লিস্ট এ ম্যাচ খেলেছেন শিব। সেই আসরে 171টি উইকেট রয়েছে তাঁর। বলাই বাহুল্য, 2004-2005 মরসুমে অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়েছিল সৌরভ গাঙ্গুলির নেতৃত্বাধীন টিম ইন্ডিয়া। সেই সিরিজেই চতুর্থ টেস্টের জন্য স্কোয়াডে ছিলেন শিব। তবে জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক হয়নি এই খেলোয়াড়ের।
অবশ্যই পড়ুন: হিরণ ছাড়া বিজেপির প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ আরও ৮ বিধায়ক, দেখুন লিস্ট
ক্রিকেটে ম্যাকো বলে পরিচিত শিবশঙ্কর বাংলা ক্রিকেটে অতি পরিচিত এবং ভরসাযোগ্য একটি নাম। কমবেশি সকলেই জানেন, সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া শিব ভারতীয় এ দলের হয়ে খেলেছেন। পরবর্তীতে 2016 সালের জুন মাসে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়ে কোচিং কেরিয়ার শুরু করেন তিনি। শেষবারের মতো রঞ্জিতে বাংলা দলের মহম্মদ শামি, আকাশদীপদের কোচিং করিয়েছিলেন তিনিই।












