বাংলায় ফের ED-র হানা! রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে ১২ জায়গায় একসঙ্গে চলছে তল্লাশি

Published:

ED Raids

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ভোটের আবহে (West Bengal Election 2026) যেখানে বঙ্গের রাজনৈতিক পারদ বাড়ছে, সেখানে খবরের শিরোনামে ফের উঠে এল রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলা (Ration Scam Case)। আর তাই আজ সকাল থেকেই জোর কদমে তল্লাশি অভিযানে (ED Raids) নেমেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ED। জানা গিয়েছে কলকাতা, মুর্শিদাবাদ, বনগাঁ, হাওড়া-সহ একযোগে ১২টি জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। উঠে এসেছে এক প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর নাম। চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি এলাকা জুড়ে।

সাতসকালে ED অভিযান

রিপোর্ট মোতাবেক, আজ অর্থাৎ শুক্রবার ভোরেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ED আধিকারিকদের একাধিক দল CGO কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে পড়েছিল। কলকাতার একাধিক ঠিকানায় তল্লাশি চলছে। যার মধ্যে বনগাঁ, মুর্শিদাবাদ, হাওড়া রয়েছে। নজরে রয়েছে একাধিক ব্যবসায়ীর বাড়ি, সেখানেও চলছে চিরুনি তল্লাশি। জানা গিয়েছে, এই রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় তদন্তে উঠে এসেছে বসন্ত কুমার শরাফ নামে এক ব্যবসায়ীর নাম। আর সেই সূত্র ধরেই এদিন তাঁর বাড়িতে গিয়েছে তদন্তকারীদের একটি দল। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে জোর কদমে।

এই মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন বালু দা

ED সূত্রে খবর, রেশন দুর্নীতি মামলার তদন্তে বসন্ত কুমার শরাফ নামের ওই ব্যবসায়ী কীভাবে রেশনের জিনিস পাচার করত? কোনো প্রভাবশালী নেতার যোগ রয়েছে কিনা? সবটাই তল্লাশি করা হচ্ছে। তবে শেষ আপডেট অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত কোনও চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। এদিকে এই মামলাতেই ২০২৩ সালে গ্রেফতার হয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালু দা। কয়েক কোটি টাকার দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়েছিল। শেষে ২০২৫ সালের ১৫ জানুয়ারি জামিনে ছাড়া পান জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।

আরও পড়ুন: বাংলায় ফের ED-র হানা! রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে ১২ জায়গায় একসঙ্গে চলছে তল্লাশি

প্রসঙ্গত, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে হাবড়া কেন্দ্র থেকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ওরফে বালু দা-কেই প্রার্থী করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাই কিছুদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাবড়ায় নির্বাচনী সভায় গিয়েছিলেন তাঁকে সমর্থন জানাতে। সেই সময় জনগণের সামনে তিনি বলেন, “বালুকে ফাঁসানো হচ্ছে। ওকে হিংসে করে গ্রেফতার করানো হয়েছিল। সিপিএম পার্টির দেড় লক্ষ নাম রেশন কার্ডে ঢুকিয়ে দিয়েছিল। সেগুলো ভুয়ো নামে রেশন দিত। এই চুরি ধরেছিল বালু। তাই ভুয়ো কেসে ফাঁসিয়েছে।”