সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ অব্যাহত রয়েছে। এদিকে ইজরায়েলের বিমান হামলায় প্রাণ গিয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির। এই ঘটনা রীতিমতো গোটা বিশ্বকে নাড়িয়ে রেখে দিয়েছে। যুদ্ধের আগুন আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এদিকে ইরান-মার্কিন-ইজরায়েলের চলমান সংঘাতের মাঝেই সাধারণ মানুষের হয়রানি শুরু হল। আকাশথ বন্ধ করে দেওয়ায় ভারত থেকে সমস্ত ফ্লাইট বাতিল (Flight Cancelled) করা হয়েছে এবং যাত্রীরা দিল্লি বিমানবন্দরে ভিড় করছেন। এদিকে কলকাতা বিমানবন্দরের (Kolkata Airport) তরফেও মধ্যপ্রাচ্যগামী বহু বিমান বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এহেন ঘটনার জেরে বেজায় সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
কলকাতা থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী বহু বিমান বাতিল
এয়ার ইন্ডিয়া এবং ইন্ডিগোর বিমান বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। কলকাতা বিমানবন্দর (Kolkata Airport) থেকে কাতার এবং সৌদি আরবগামী একাধিক বিমান বাতিল করা হয়েছে। সূত্রের খবর, ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের (Iran Israel War) কিছু অংশের উপর দিয়ে বড় ধরনের আকাশসীমা বন্ধের পর, ১ মার্চ ৪৪৪টি ফ্লাইট বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে, সিভিল এভিয়েশন ডিরেক্টরেট জেনারেল (DGCA) জানিয়েছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি, একই আকাশসীমা বিধিনিষেধের কারণে ভারতীয় অভ্যন্তরীণ বিমান সংস্থাগুলি ইতিমধ্যে ৪১০টি ফ্লাইট বাতিল করেছে। এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ ইজরায়েল-আমেরিকার হামলায় মৃত্যু খামেনির! কী হবে এবার ইরানের?
কলকাতা থেকে দুবাইগামী ফ্লাই Emirates, কলকাতা থেকে দোহাগামী Qatar এয়ারলাইন্সের বিমান, কলকাতা থেকে আরবিয়ার বিমান, এবং কলকাতা থেকে আবু ধাবীগামী ইথিয়াদ এয়ার ওয়েসের বিমান বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে যাত্রীদের আগাম কোনও তথ্য দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ যাত্রীদের। যার ফলে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছে ব্যাপক ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয় বলেও অভিযোগ। যদিও সমগ্র পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে দেশগুলি।
কী বলছে DGCA?
ডিজিসিএ জানিয়েছে যে মন্ত্রকের যাত্রী সহায়তা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ (পিএসিআর) যাত্রীদের সমস্যাগুলি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করছে। এক্স-এর একটি পোস্টে, DGCA জানিয়েছে যে সম্ভাব্য ফ্লাইট ডাইভারশন পরিচালনা করতে এবং যাত্রীদের সুষ্ঠুভাবে সহায়তা করার জন্য প্রধান বিমানবন্দরগুলি সতর্ক রয়েছে। যাত্রী সহায়তা, বিমান সংস্থার সমন্বয় এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণ পরিচালনার জন্য বিমানবন্দরগুলিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মোতায়েন করা হয়েছে।












