প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: শেষ হল চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক। গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছিল পরীক্ষা। সেমেস্টার পদ্ধতিতে এই প্রথম আয়োজন করা হয়েছিল এই পরীক্ষার। চতুর্থ সেমেস্টারের পাশাপাশি নেওয়া হয়েছে তৃতীয় সেমেস্টারের সাপ্লিমেন্টারি এবং পুরনো পাঠ্যক্রমের পরীক্ষাও। তবে এখনও বাকি প্র্যাক্টিক্যাল। আর এই অবস্থায় পরিবর্তন হল উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের (WBCHSE) সভাপতি পদ। জানা গিয়েছে, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নয়া সভাপতি হলেন পার্থ কর্মকার। এমতাবস্থায় রাতারাতি পদ হারিয়ে সরকারকেই পাল্টা আক্রমণ করলেন প্রাক্তন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ সভাপতি।
উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি পরিবর্তন
রিপোর্ট মোতাবেক গতকাল অর্থাৎ শুক্রবার, উচ্চ মাধ্যমিকের চতুর্থ সেমিস্টার পরীক্ষা শেষ হতেই রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতরের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। যেখানে স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের নয়া সভাপতি হলেন পার্থ কর্মকার। তিনি বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের ডেপুটি সেক্রেটারি পদের দায়িত্বে রয়েছেন। তবে আগামী সোমবার অর্থাৎ ২ মার্চ থেকে নতুন সভাপতি পদে যোগ দেবেন তিনি। অন্যদিকে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের বর্তমান সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে বসানো হবে সোমবার থেকে। তবে এহেন সিদ্ধান্তে খানিক বিরক্ত চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। অভিযোগ তাঁকে নাকি না জানিয়েই নেওয়া হয়েছে এই পদক্ষেপ।
রাজ্যের সিদ্ধান্তে বিরক্ত চিরঞ্জীব!
শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে মুখোমুখি হয়ে প্রাক্তন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য জানিয়েছেন যে, “ চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষাটা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জ ছিল, পরীক্ষা শেষ হতেই এইরূপ অর্ডার, খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আশা করেছিলাম ভালভাবে পরীক্ষা শেষ হওয়ায় শুভেচ্ছা পাব। তবে ধন্যবাদ না জানিয়ে অন্য অর্ডার বেরনোটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক, আশা করিনি। আমাকে না জানিয়েই আমার বিকল্প আনা হল, আজই জানলাম। আমি মনে করি আমার কাজে আমি সফল। ২টি পদ একসঙ্গে সামলেছি। ”
আরও পড়ুন: রাজীব কুমার থেকে কোয়েল মল্লিক, বাবুল সুপ্রিয়! আর কাকে রাজ্যসভায় পাঠাল তৃণমূল?
উচ্চ মাধ্যমিক সংসদের সদ্য প্রাক্তন সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য সরকারের প্রতি রুষ্টভাবে জানিয়েছেন , “রেজাল্টের সময় থাকাটা দরকার ছিল, এই অবস্থায় বদল ভাল নয়। আমার মেয়াদ ছিল অগাস্ট পর্যন্ত কিন্তু তার আগেই এই অপ্রত্যাশিত অর্ডার সত্যিই ভাবাচ্ছে।” অন্যদিকে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদ নিয়ে তাঁর কী মনোভাব জানতে চাওয়ায় তিনি বলেন, “ রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতরের সিদ্ধান্ত নিয়ে মানসিকভাবে আমি অসুস্থ, উপাচার্যের কাজ সামলাব কিনা, পরে জানাব।”












