সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বিধানসভা ভোটের মুখে ফের চাপ বাড়তে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার (Government of West Bengal)। কীসের চাপ? ডিএ নিয়ে নতুন চাপ (Bengal DA Case) তৈরি হতে পারে সরকারের বলে খবর। একদিকে যখন বাংলায় নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে, তখন অন্যদিকে সরকারি কর্মীদের ডিএ সংক্রান্ত লড়াইও কিন্তু জারি রয়েছে। একদিকে যখন শাসক দলে ভোটের কাজে ব্যস্ত, গতখন অন্যদিকে সুদ সহ ডিএ ফেরানোর মামলা করতে চলেছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। কানাঘুষো এমনটাই শোনা যাচ্ছে।
DA মামলায় নয়া পদক্ষেপ নিতে পারে সরকারি কর্মীরা
সরকারের অর্থ দফতরের তরফে ইতিমধ্যে বকেয়া ডিএ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল অবধি বকেয়া ডিএ দুই কিস্তিতে মেটানো হবে। একটা চলতি মার্চ মাসে অন্যটি সেপ্টেম্বর মাসে। বাকি টাকা কবে কীভাবে মেটানো হবে তা পরবর্তীকালে জানানো হবে। অর্থাৎ মাত্র ৪৮ মাসের টাকা মেটানোর ঘোষণা করেছে সরকার। তাও আবার সকলে নিজেদের ব্যাঙ্কে পাবেন না কিন্তু। সরকার জানিয়েছে, গ্রুপ ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’-এর বকেয়া তাদের জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে, আর গ্রুপ ‘ডি’-এর কর্মচারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা সরাসরি ট্রান্সফার করা হবে। এখন মনে হচ্ছে, এই বিষয়টিই সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশনভোগীরা হজম করতে পারছেন না। ফলে আরও এক পদক্ষেপ নিতে চলেছেন সকলে। যৌথ সংগ্রামী মঞ্চের তরফে নাকি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হচ্ছে, ২০০৮ থেকে ২০১৬ সাল অবধি সরকার যাতে বকেয়া ডিএ সুদ সহ দেয় সেই ব্যবস্থা করতে। এই নিয়ে এবার মুখ খুললেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ।
আরও পড়ুনঃ ভাড়া কমল উত্তরবঙ্গগামী এই ট্রেনের
তিনি জানালেন, ‘মামলার শুনানির দিন আমাদের আইনজীবীকে দিয়ে আদালতকে সুদের বিষয়টি বলা করানো হয়েছিল। কম্পাউন্ড সুদ যাতে দেওয়া হয়, সেই আবেদন আমরা জানিয়েছিলাম শীর্ষ আদালতে। পরবর্তীকালে আমরা দেখি এই বিষয়টি খারিজ হয়নি। ফলে এখন ২০০৮ থেকে ২০১৬ সালের বকেয়া ডিএর সঙ্গে সুদটাও আদায় করা যায় কিনা তা নিয়ে আমরা আমাদের সিনিয়র আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করছি। তিনি যা মতামত দেবেন আমরা সেই অনুযায়ীই এগিয়ে যাবো।’












