নয়া উদ্যোগ কলকাতা পুরসভার, ভাঙা হবে ছাদের উপর অকেজো মোবাইল টাওয়ার! ঘোষণা ফিরহাদের

Published on:

কলকাতাঃ বর্তমানে এমন কোনও মানুষ হয়তো বাকি নেই যার কাছে মোবাইল ফোন নেই। আর মোবাইল ফোন মানেই হল প্রতি মাসে রিচার্জ করা থেকে শুরু করে আরও নানা জিনিস। কিন্তু একটি জিনিস যেন মানুষের পিছু কিছুতেই ছাড়তে চায় না, আর সেটা হল খারাপ নেটওয়ার্ক। শহর থেকে শুরু করে জেলা নানা জায়গায় মোবাইল টাওয়ার বসানো হলেও সমস্যা যেন মিটতেই চাইছে না। কিন্তু এসবের মাঝেই বড় সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পুরসভা। আপনিও কি জানতে ইচ্ছুক যে কলকাতা পুরসভা কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে? তাহলে চোখ রাখুন আজকের এই লেখাটির ওপর।

গুরুত্বপূর্ণ খবর পড়তে জয়েন করুন Join Now

বড় সিদ্ধান্ত পুরসভার

আসলে এবার কলকাতা শহরের অকেজো মোবাইল টাওয়ার নিয়ে কড়া সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পুরসভা। বহুতলের ছাদে অচল, পরিত্যক্ত মোবাইল টাওয়ার ভেঙে ফেলার জন্য ব্যবস্থা নিতে চলেছে কলকাতা পুরসভা। শনিবার দক্ষিণ কলকাতার রানিকুঠি এলাকার এক বাসিন্দা ‘টক টু মেয়র’ অনুষ্ঠানে মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে ফোন করে অভিযোগ করেন, একটি বহুতলের ছাদে অবস্থিত একটি পরিত্যক্ত মোবাইল টাওয়ার থেকে টুকরো টুকরো জিনিস বহু আবাসনে এসে পড়ছে। এতে বড় বিপদ হতে পারে।

এদিকে এই ঘটনা শোনার পরেই মেয়র বলেন, “আমি শীঘ্রই টেলিকম পরিষেবা সরবরাহকারীদের সাথে একটি বৈঠক করব এবং ছাদে মোবাইল টাওয়ারগুলির ওয়ার্ড ভিত্তিক তালিকা চাইব। এরপর আমাদের বিল্ডিং বিভাগ তালিকা যাচাই-বাছাই করে শহরের পরিত্যক্ত টাওয়ারগুলো চিহ্নিত করে রাখবে। মহড়া শেষ হলে আমরা সংশ্লিষ্ট ভবন মালিককে এ ধরনের টাওয়ার ভাঙার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলব।”

বাছায় করা খবর নিজের মোবাইলে পেতে Join Now

ভেঙে ফেলা হবে মোবাইল টাওয়ার

অর্থাৎ সেই দিন হয়তো আর বেশি দূরে নেই যখন পুরনো মোবাইল টাওয়ারগুলিকে ভেঙে ফেলবে প্রশাসন। ফিরহাদ হাকিম বলেন যে কেএমসি যদি এই জাতীয় টাওয়ারগুলি ভেঙে দেয় তবে এটি স্ক্র্যাপ হিসাবে বিবেচিত হবে এবং যথাযথ পদ্ধতির মাধ্যমে নিলাম করা হবে। মেয়রের মতে, বেশ কয়েকটি টেলিকম পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থা ছিল যারা এই জাতীয় টাওয়ার স্থাপন করেছিল কিন্তু পরে এই জাতীয় টাওয়ারগুলির ব্যবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। দু’দশকেরও বেশি সময় আগে তৎকালীন মেয়রের আমলে এই ধরনের মোবাইল টাওয়ার বসানোর অনুমতি দেওয়ার জন্য পুরসভা এই ধরনের টেলিকম সংস্থাগুলির কাছ থেকে প্রসেসিং ফি নিত। পরিষেবা সরবরাহকারীদের এই জাতীয় টাওয়ারগুলির রক্ষণাবেক্ষণের আশ্বাস দিতে হয়েছিল। তবে তাদের মধ্যে কেউ কেউ শহরে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম গুটিয়ে নিয়েছে এবং তাদের টাওয়ারগুলি বছরের পর বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায়তেই ফেলে দিয়ে গিয়েছে। কিন্তু এবার এগুলি ভেঙে ফেলা হবে বলে ঘোষণা করেছেন মেয়র।

গুরুত্বপূর্ণ খবরের জন্যJoin Group
চাকরির খবরের জন্যJoin Hood Jobs
রাশিফলের জন্যJoin Hood Rashifal
খেলার খবরের জন্যJoin Whatsapp
সঙ্গে থাকুন ➥
X
Join Group