বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাজ্য সরকারের বিশেষ প্রকল্প যুবসাথীর (Banglar Yuva Sathi) মাসিক ভাতা পেতে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে স্বনির্ভর বাংলা ক্যাম্পের সামনে পড়েছে শিক্ষিত অথচ বেকারদের লম্বা লাইন। গত রবিবার যুবসাথীর আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হতেই আবেদনের নিরিখে একেবারে রেকর্ড করেছে বাংলার এই নয়া প্রকল্প। ইতিমধ্যেই লক্ষাধিক আবেদনকারী নিজেদের আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন নিকটবর্তী ক্যাম্পগুলিতে। তবে এমন অনেকেই রয়েছেন যাঁরা এখনও যুবসাথী নিয়ে নানান প্রশ্নে আটকে। সেক্ষেত্রে পরিষ্কার করে জানিয়ে দেওয়া ভাল, শুধুমাত্র লক্ষীর ভান্ডার, কৃষক বন্ধু নয়, রাজ্য সরকারের এক বিশেষ প্রকল্পের তালিকায় নাম থাকলেও পাওয়া যাবে না যুবসাথী।
কতদিন চলবে আবেদন প্রক্রিয়া?
রাজ্য সরকারের গাইডলাইন অনুযায়ী, গত 15 ফেব্রুয়ারি, রবিবার থেকে শুরু হওয়া বেকার ভাতা প্রকল্পের আবেদন চলবে আগামী 26 ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। যদিও ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ মনে করছেন, বাংলার প্রত্যেক বেকার যুবক-যুবতী যাতে এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারেন সেজন্য আগামী দিনে এই বিশেষ প্রকল্পে আবেদনের সময়সীমা আরও বাড়াতে পারে সরকার। তবে সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী এই মুহূর্তে যুবসাথীতে আবেদনের শেষ তারিখ 26 ফেব্রুয়ারি।
আরও পড়ুনঃ ‘রাস্তা বন্ধ, বিরাট আইনি জালে ফেঁসেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার!’ DA মামলায় বড় আপডেট
কারা পাবেন না এই প্রকল্পের টাকা?
সরকারের তরফে খুব পরিস্কার ভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাঁরা আদতেই বেকার অর্থাৎ কোনও সু প্রতিষ্ঠিত সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন না। অর্থাৎ যাঁদের আয়ের কোনও উৎস সে অর্থে নেই 21 থেকে 41 বছর বয়সী সেই সমস্ত যুবক-যুবতী এই প্রকল্পের জন্য যোগ্য। এই প্রকল্পে আবেদন করার জন্য ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা মাধ্যমিক পাস। যদিও সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, মাধ্যমিক বা সমতুল্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই মিলবে যুবসাথীর টাকা। এমনকি শিক্ষার্থী, কন্যাশ্রী, স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট কাম স্কলারশিপ, বিকাশ ভবনের মতো প্রকল্প থেকে টাকা পেলেও এই প্রকল্পের অর্থ মিলবে। তবে, লক্ষ্মীর ভান্ডারের মতো ভাতা প্রকল্প থেকে অর্থ পেলে এই প্রকল্পে আবেদন করা যাবে না।
অবশ্যই পড়ুন: IPL এর ঠিক আগেই বড় বিপদে KKR!
এই প্রকল্পে নাম থাকলেও মিলবে না যুবসাথীর 1500
2024 সালের রাজ্য বাজেটে বাংলার জব কার্ডধারী পরিবারগুলিকে ন্যূনতম 50 দিনের নিশ্চিত মজুরি কর্মসংস্থান প্রদান করা এবং আর্থিক সাহায্য দেওয়ার লক্ষ্যেই চালু করা হয়েছিল কর্মশ্রী প্রকল্প। এই প্রকল্প মূলত কেন্দ্রীয় সরকারের 100 দিনের কাজের বিকল্প হিসেবে চালু করা রাজ্য সরকারের এক বড় কর্মযজ্ঞ। সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী, এই কর্মশ্রী প্রকল্পের খাতায় নাম থাকলে আবেদন করা যাবে না যুবসাথীতে।












