বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ফের রাষ্ট্রপুঞ্জের তরফে স্বীকৃতি পেল বাংলা। হ্যাঁ, এবার গোবিন্দভোগ (Gobindobhog Rice) সহ রাজ্যের তিন ধরনের চালকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনাইটেড নেশনস (UN Recognition To West Bengal)। বিশেষ স্বীকৃতি পেয়েছে বাংলার পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিশেষ প্রকল্প মাটির সৃষ্টি। এমন গর্বের খবর নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল ইতিমধ্যেই ফলাও করে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাষ্ট্রপুঞ্জের তরফে এমন প্রাপ্তি রাজ্যের সকল মানুষ বিশেষ করে কৃষক ভাই-বোনদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
কোন কোন চালকে স্বীকৃতি দিল রাষ্ট্রপুঞ্জ?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সোশ্যাল পোস্ট অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় সুগন্ধি চাল গোবিন্দভোগ, তুলাইপঞ্জি এবং কনকচুড়কে রাষ্ট্রপুঞ্জের খাদ্য ও কৃষি সংগঠন ইতিমধ্যেই খাদ্য সংস্কৃতির হেরিটেজ তকমা দিয়েছে। একই সাথে রাষ্ট্রপুঞ্জের তরফে স্বীকৃতি পেয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পশ্চিমাঞ্চলের মাটির সৃষ্টি। অনেকেই হয়তো জানেন না, বাংলার এই বিশেষ প্রকল্পের অধীনে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলির অনাবাদি জমিতে কীভাবে ফসল ফলানো যায় সেই কৌশল আয়ত্ত করা হয়ে থাকে। এই বিশেষ প্রকল্প বাস্তবায়নে রাজ্য সরকারের ভূমি, সেচ এবং পঞ্চায়েত দপ্তরের অবদান অনস্বীকার্য।
অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, UN আবারও আমাদের একটি পথিকৃৎ উদ্যোগকে স্বীকৃতি দিয়েছে। ইউনাইটেড নেশনসের Food and Agriculture Organization (FAO) আমাদের ‘মাটির সৃষ্টি’ কর্মসূচীকে দিয়েছে এই আন্তর্জাতিকভাবে মূল্যবান স্বীকৃতির শংসাপত্র।
আমাদের রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে… pic.twitter.com/5Ew9O58jJC
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) February 18, 2026
বাংলার তিন ধরনের চাল এবং রাজ্য সরকারের প্রকল্প নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জের যে বিশেষ স্বীকৃতি তারই শংসাপত্র নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন পোষ্টের পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী শুরুতেই লেখেন, “অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, UN আবারও আমাদের একটি পথিকৃৎ উদ্যোগকে স্বীকৃতি দিয়েছে। ইউনাইটেড নেশনসের Food and Agriculture Organization (FAO) আমাদের ‘মাটির সৃষ্টি’ কর্মসূচীকে দিয়েছে এই আন্তর্জাতিকভাবে মূল্যবান স্বীকৃতির শংসাপত্র।”
অবশ্যই পড়ুন: Google Gemini, OpenAI কেও পেছনে ফেলে দিচ্ছে ভারতের Sarvam AI!
এদিন রাষ্ট্রপুঞ্জের স্বীকৃতি নিয়ে দীর্ঘ ক্যাপশন লেখার পর একেবারে শেষে মুখ্যমন্ত্রী এই বিশেষ সাফল্যকে উৎসর্গ করেছেন রাজ্যের সকল কৃষক ভাই বোনকে। তিনি লেখেন, “প্রাকৃতিক সম্পদ, জীববৈচিত্র্য এবং আমাদের খাদ্য সংস্কৃতি রক্ষার ক্ষেত্রে এইসব আন্তর্জাতিক সম্মান বাংলার কাজের এক বিশাল স্বীকৃতি। এই গৌরব আমি গ্রামবাংলার সকল মানুষ, বিশেষ করে বাংলার কৃষক ভাই-বোনদের উৎসর্গ করছি।”












