প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের হত্যা মামলায় (Chandranath Rath Murder Case) প্রকাশ্যে এল বড় আপডেট! ভিন রাজ্য থেকে গ্রেফতার করা হল তিন অভিযুক্তকে। যার মধ্যে একজন বক্সারের বাসিন্দা, বাকি দুই উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh)। এই অভিযুক্তরাই চন্দ্রনাথ হত্যা মামলার শার্প শুটার বলে সন্দেহ। গতকালই কলকাতায় নিয়ে আসা হয়েছে ধৃতদের। আজ, সোমবার বারাসত আদালতে ওই তিনজনকে তোলার কথা।
গ্রেফতার ৩ অভিযুক্ত
রিপোর্ট অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় সিআইডি উত্তর প্রদেশ এবং বিহার থেকে মোট তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের মধ্যে এক জন শার্প শুটার রয়েছে বলে খবর। গতকাল অর্থাৎ রবিবার রাতে তাঁদেরকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে সরকারি ভাবে এখনও পুলিশ কর্তারা কিছু না জানালেও গতকাল রাতভর ভবানী ভবনে ধৃতদের জেরা করা হয়েছিল এবং আজ নাকি বারাসত আদালতে তোলা হবে ধৃতদের। যদিও প্রাথমিকভাবে আগেই মনে করা হয়েছিল যে, চন্দ্রনাথের খুনের ঘটনায় বাইরের রাজ্যের যোগ রয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বাইরের রাজ্যের যোগ?
উল্লেখ্য, শুভেন্দু অধিকারীর শপথ নেওয়ার আগেই, গত ৬ মে রাতে মধ্যমগ্রামের দোহারিয়ায় মাঝরাস্তায় গুলি করে খুন করা হয় তাঁর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে। খুব কাছ থেকে পরপর চারটি গুলি করা হয়। বুকে, হাতে গুলি লাগে চন্দ্রনাথের। কিন্তু ওই সময় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে দিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। কান্নায় ভেঙে পরে সকলে, আর এই মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে জোরালো প্রতিবাদ করে বিজেপি কর্মীরা। এরপরই ওইদিন রাত থেকেই শুরু হয়ে তদন্ত। হত্যাকাণ্ডের এই ঘটনা দেখে আগেই অনুমান করা হয়েছিল যে, বাইরের রাজ্য থেকে বেশ ঠাণ্ডা মাথায় খুনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। আর এবার সেই অনুমানই ধীরে ধীরে বাস্তবের রূপ নিল।
আরও পড়ুন: ড্রাইভিং লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হচ্ছে? অবিলম্বে করুন এই কাজ, নাহলেই বিপদ
চন্দ্রনাথ হত্যার তদন্তে নেমে গতকালই তদন্তকারীদের হাতে বড় ক্লু এসেছিল। যেখানে জানানো হয়েছিল যে, ঘটনার দিন আততায়ীরা UPI পেমেন্টের মাধ্যমে বালির টোল প্লাজায় টাকা দিয়েছিল। আর ওই ডিজিটাল লেনদেনের সূত্র ধরেই তল্লাশি শুরু করে তদন্তকারীরা। আর সেখান থেকেই গ্রেফতার করা হয়েছে তিন জনকে। শেষ আপডেট অনুযায়ী জানা গিয়েছে তদন্তকারীরা জানার চেষ্টা করছেন যে এই শার্প শুটারদের কে বা কারা ভাড়া করেছিল? কেনই বা টার্গেট করা হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ককে। এছাড়াও খুনের ১ ঘণ্টা আগে পরে এলাকা থেকে কোথায় কোথায় ফোন করা হয়েছে বা কোথা থেকে ফোন এসেছে তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।










