পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সিন্ধু জলচুক্তি নিয়ে এবার ভারতকে চমকাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট!

Published:

Pak President On India regarding Indus water treaty

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: সিন্ধু জলচুক্তি (Indus Waters Treaty) নিয়ে ফের ভারতকে হুঁশিয়ারি দিল পাকিস্তান। এবার পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি একেবারে খোলাখুলি জানালেন, IWT বা সিন্ধু জলচুক্তির অধীনে জলের অধিকার রক্ষায় পাকিস্তানের সরকার এবং সেনাবাহিনী সব রকম পদক্ষেপ নেবে। গত বৃহস্পতিবার অর্থাৎ 7 মে এক বছর পূর্ণ হয়েছে অপারেশন সিঁদুরের। আর তার পর পরই আজ অর্থাৎ রবিবার ভারতকে চমকাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট!

ভারতকে চরম হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের!

রবিবার, ভারতের সাথে সিন্ধু জলচুক্তি প্রসঙ্গে মুখ খুলে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট অভিযোগ করেন, সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত করে বেইমানি করেছে ভারত! ভারত এই চুক্তি থেকে জলকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। জারদারির দাবি, ভারত এভাবে একতরফা জলচুক্তি স্থগিত করে দিতে পারে না। ও দেশের তরফে আজ পর্যন্ত এ বিষয়ে নিয়ে শিথিলতার ইঙ্গিতও মেলেনি।

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট একেবারে স্পষ্ট করে বলেন, “জল নিয়ে দর কষাকষি হয় না! ভারতের বোঝা উচিত, পাকিস্তান পূর্ণ দৃঢ়তার সঙ্গে তাদের জলের অধিকার রক্ষা করবেই। এটা আমাদের লাখ লাখ মানুষের জীবনের প্রশ্ন।” এদিন ইরান এবং আমেরিকার সংঘাত মনে করিয়ে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এও বললেন, “আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক মধ্যস্থতা করতে গিয়ে পাকিস্তান নিজেকে এমন একটি দেশ হিসেবে গড়ে তুলেছে যারা শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রচার করে। কিন্তু পাকিস্তান দুটি দেশে শান্তি বজায় রাখতে পারেনি!” এদিন পশ্চিমের দেশের রাষ্ট্রপতি একেবারে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নিজেদের জলের অধিকার ফিরে পেতে পাকিস্তানের সরকার এবং সেনাবাহিনী সব রকম পদক্ষেপ নেবে!

অবশ্যই পড়ুন: বিস্কুট থেকে শুরু করে চা-সাবান, ভারতে বাড়তে চলেছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম!

উল্লেখ্য, 1960 সালে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সিন্ধু নদের জল নিয়ে স্বাক্ষরিত হয়েছিল বিশেষ চুক্তি। মূলত বিশ্বব্যাঙ্কের মধ্যস্থতায় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে। সেই মতোই, ভারতের তরফ থেকে সিন্ধুর জল পাচ্ছিল পাকিস্তান। বলাই বাহুল্য, এই জল পাকিস্তানের কৃষিকাজের প্রধান রসদ। তবে গত বছর পহেলগাঁওয়ে পাকিস্তানি জঙ্গিদের হামলায় 26 জন নিরীহের মৃত্যুর পরই সংঘাতে জড়ায় দুই দেশ। ঠিক সেই সময় পাকিস্তানের সাথে এই চুক্তি স্থগিত করে দিয়েছিল নয়া দিল্লি।