সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ গরম পড়ে গিয়েছে। গরমের ছুটি (Summer Vacation) পড়তে না পড়তেই আপনারও কি মনটা একটু পাহাড় পাহাড় করছে? কিন্তু সেই একঘেঁয়ে দার্জিলিং কিংবা সিকিম যেতে চাইছেন না? তাহলে আপনি একদম সঠিক জায়গায় এসেছেন। আজ আপনাদের এমন এক জায়গার সন্ধান দেব যে জায়গাটি সম্পর্কে হয়তো আপনি কখনও শোনেননি। সবথেকে বড় বিষয়, কলকাতার কাছেই রয়েছে মিনি তিব্বত (Mini Tibet) যা আপনাকে একদম বিদেশের অনুভূতি দেবে তাও কম খরচে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। নিশ্চয়ই ভাবছেন কোন জায়গার কথা হচ্ছে? তাহলে বিশদে জানতে চোখ রাখুনা আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।
ঘুরে আসুন ভারতের এই ‘মিনি তিব্বত’ থেকে
আজ কথা হচ্ছে ওড়িশা রাজ্যের অন্যতম স্বর্গীয় এক জায়গা যে জায়গাটি মিনি তিব্বত নামে পরিচিত। সেই জায়গাটির নাম হল ‘জিরাং’ (Jiranga)। এই জিরাং-এ এলে আপনার সত্যি সত্যি মনে হবে, তিব্বতে এসে পৌঁছেছেন। মনেই হবে না এটা ভারত বলে। ওড়িশার (Odisha) গোপালপুর থেকে বেশ খানিকটা দূরে,ওড়িশার মধ্যে একটুকরো তিব্বত এর আমেজ এনে দেয়, জিরাং মোনাস্ট্রি। এটি পূর্ব ভারতের বৃহত্তম মোনাস্ট্রি যেটি গুরু পদ্মসম্ভব এর নামাঙ্কিত। অনেকটা ভুটান এর ফুটশলিং এর মোনাস্ট্রির মতো।
আরও পড়ুনঃ শীঘ্রই ফ্রিতে শেয়ার দেবে এই তিন সংস্থা, সুযোগ থাকতে জেনে রাখুন
কিছু কিছু জায়গা থাকে না যা সারাজীবনের মতো দাগ কেটে যায় মনে, এই জিরাংও হল তেমনই একটি জায়গা। জিরাং-এ ঢুকলেই মনে হবে এক আলাদাই জগতে এসে হাজির হয়েছেন। একদম কোনও তিব্বতি মন্দিরের মতো এখানে প্রার্থনার পতাকা হাওয়ায় নড়ছে, স্তূপগুলো যেন সময়কে আটকে রেখেছে। এখানে ধর্ম নেই, আছে শান্তি। এই জিরাং থেকে আশেপাশে আপনি মহেন্দ্রগিরি থেকে শুরু করে খাসাদা, মানকাদাদিয়ান জলপ্রপাত দেখতে পাবেন। এই জায়গাটাও পাহাড়ি। কিন্তু এখানে আপনি তথাকথিত সেই ভিউ পয়েন্ট পাবেন না ঠিকই, কিন্তু জিরাং-এর মতো জায়গায় এসে আপনার আর সেই রোজনামচা জীবনেও ফিরে যেতে মন চাইবে না।
কীভাবে পৌঁছাবেন?
এখন নিশ্চয়ই ভাবছেন এই জিরাং-এ কীভাবে পৌঁছাবেন? সেক্ষেত্রে যাবার জন্য রাতের ট্রেনগুলি সবচেয়ে ভালো। শালিমার থেকে বেঙ্গালুরু সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস, তারপর হাওড়া-চেন্নাই সেন্ট্রাল মেইল এক্সপ্রেস ধরে আপনি ব্রহ্মপুর স্টেশনে নামতে পারেন। এরপর সেখান থেকে একটি প্রাইভেট গাড়ি ভাড়া করে ঘুরে আসতে পারেন জিরাং।










