১১ বছরের শিশুকে অপহরণ করে ধর্ষণ ও খুন, অভিযুক্তকে এনকাউন্টার করল দিল্লি পুলিশ

Published:

Delhi Rape Case

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: অ্যাকশন মুডে রাজধানীর পুলিশ। দক্ষিণ দিল্লিতে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে অপহরণ, ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত (Delhi Rape Case) এক ক্যাব চালককে মঙ্গলবার এনকাউন্টার করে পুলিশ। অভিযোগ, সে এক পুলিশ কর্মকর্তার পিস্তল ছিনিয়ে নিয়ে নাকি পালানোর চেষ্টা করছিল। সেই সময়ই তাঁর উপর গুলি চালায় পুলিশ। ঘটনার একটি ভিডিও ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে এনকাউন্টার

সূত্রের খবর, ২৯ বছর বয়সী বাবলু সিং তাঁর নিজের গাড়ির ভেতরেই ওই শিশুটিকে যৌন নির্যাতন করার পর ফরিদাবাদ-গুড়গাঁও সরকের কাছে একটি জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করে। পুলিশ সূত্রে খবর, এই অপকর্ম ঘটানোর পর অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করে। এমনকি একজন পুলিশ সদস্যের সার্ভিস পিস্তল ছিনিয়ে নেয় সে। তারপরই পুলিশ আত্মরক্ষার্থে তাঁর পায়ে গুলি চালায়।

গুলি পায়ে লাগায় যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকে ওই অভিযুক্ত। তৎক্ষণাৎ তাঁকে চিকিৎসার জন্য নিকটবর্তী একটি হাসপাতালে নিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পালানোর চেষ্টার জন্য ইতিমধ্যে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এমনকি ধর্ষণ এবং হত্যার ছয় ঘণ্টার মধ্যেই সোমবার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে, আর প্রযুক্তিগত নজরদারির মাধ্যমেই পুলিশ ওই অভিযুক্তকে শনাক্ত করে গ্রেফতার করেছে।

যে ভিডিও ফুটেজ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে সেখানে দেখা যাচ্ছে, লোকটির বাম পায়ে ব্যান্ডেজ বাঁধা, আর দু’জন ব্যক্তি তাঁকে ধরে রেখেছে। পার্কিং এলাকা থেকে নিয়ে যাওয়ার সময় অভিযুক্ত যন্ত্রণায় চিৎকার করছে। এমনকি “মর গয়া, মর গয়া” বলে চেঁচাতে শোনা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন: বাড়িতে মিলেছে সাড়ে ৩ কেজি সোনা, কে এই সব্যসাচী ঘনিষ্ঠ টিনা?

এমনকি সবথেকে বড় ব্যাপার, পরবর্তী সময় জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে ওই অপরাধী তাঁর দোষ স্বীকার করে। সে জানায়, শিশুটিকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে একটি নির্জন জঙ্গলে নিয়ে যায় এবং সেখানে গাড়ির ভেতরে আটকে রেখে যৌন নির্যাতন করে এবং একটি গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। তারপরেই সন্দেহ এড়াতে সে তাঁর নিয়মিত কাজে ফিরে আসে। এমনকিসে গুড়গাঁও থেকে একজন নিয়মিত যাত্রীকে তুলে পশ্চিম দিল্লিতে নামিয়ে দেয়, এবং ফ্রেফতার হওয়ার আগে পর্যন্তই নিয়মিত কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। পরবর্তী সময়ে তাঁর খোঁজখবর নিয়ে জানা যায় যে, সে একজন অপরাধী এবং তাঁর বিরুদ্ধে আরও পাঁচটি ফৌজদারি মামলা নথিভুক্ত রয়েছে।