নতুন খবর
বাংলা ক্যালেন্ডার আপনার রাশিফল সোনার দাম রুপোর দাম পেট্রোলের দাম ডিজেলের দাম রান্নার গ্যাস আবহাওয়া খবর মন্ত্র ও ভক্তি
হনুমান
হনুমান • চালিশা

শ্রী হনুমান চালিশা - Shri Hanuman Chalisa in Bengali Lyrics, Meaning, PDF

হনুমান চালিশা হল ভগবান হনুমানের জন্য নিবেদিত ৪০টি শ্লোকের একটি পবিত্র স্তোত্র। এটি ষোড়শ শতাব্দীতে কবি সাধক গোস্বামী তুলসীদাস রচনা করেছিলেন। হিন্দু সনাতন ধর্মে এটি অত্যন্ত জনপ্রিয়, কারণ বিশ্বাস করা হয় যে প্রতিদিন হনুমান চালিশা পাঠ করলে মানুষের জীবনের সমস্ত বাধা দূর হয়, পাপ মোচন হয় এবং মানসিক ও আধ্যাত্মিক পরম শান্তি লাভ হয়।

হনুমান চালিশা পাঠ (Hanuman Chalisa Lyrics in Bengali)

হনুমান চালিশার প্রধান ৪টি অংশ- ১) দোহা, ২) ধ্যানম্, ৩) চৌপাঈ এবং ৪) দোহা। নিচে সম্পূর্ণ পাঠ তুলে ধরা হলো:

দোহা - Doha
শ্রী গুরু চরণ সরোজ রজ নিজমন মুকুর সুধারি ॥
বরণৌ রঘুবর বিমলযশ জো দায়ক ফলচারি ॥
বুদ্ধিহীন তনুজানিকৈ সুমিরৌ পবন কুমার ॥
বল বুদ্ধি বিদ্যা দেহু মোহি হরহু কলেশ বিকার ॥
ধ্যানম্ - Dhyanam
গোষ্পদীকৃত বারাশিং মশকীকৃত রাক্ষসম্ ॥
রামায়ণ মহামালা রত্নং বংদে-(অ)নিলাত্মজম্ ॥
যত্র যত্র রঘুনাথ কীর্তনং তত্র তত্র কৃতমস্তকাংজলিম্ ।
ভাষ্পবারি পরিপূর্ণ লোচনং মারুতিং নমত রাক্ষসাংতকম্ ॥
চৌপাঈ - Choupai (৪০টি শ্লোক)
জয় হনুমান জ্ঞান গুন সাগর।
জয় কপিস তিহু লোক উজাগর॥১॥
রাম দূত অতুলিত বল ধামা।
অঞ্জনী-পুত্র পবন সুত নামা॥২॥
মহাবীর বিক্রম বজরঙ্গী।
কুমতি নিবার সুমতি কে সঙ্গি॥৩॥
কাঞ্চন বরন বিরাজ সুবেষা।
কানন কুণ্ডল কুঞ্চিত কেশা॥৪॥
হাথবজ্র ঔ ধ্বজা বিরাজৈ।
কান্ধে মুঞ্জ জানিউ সাজে॥৫॥
শঙ্কর সুবন কেশরী নন্দন।
তেজ প্রতাপ মহা জগ বন্দন॥৬॥
বিদ্যাবান গুণী অতি চাতুর।
রাম কাজ করিবে কো আতুর॥৭॥
প্রভু চরিত্র সুনিবে কো রসিয়া।
রামলখন সীতা মন বসিয়া॥৮॥
সূক্ষ্ম রূপধরি সিয়াহি দিখাবা।
বিকট রূপধরি লংক জরাবা॥৯॥
ভীম রূপধরি অসুর সংহারে।
রামচন্দ্র কে কাজ সংবারে॥১০॥
লায়ে সঞ্জীবন লখন জিয়ায়ে।
শ্রী রঘুবীর হরষি উর লায়ে॥১১॥
রঘুপতি কীন্হী বহুত বদায়ী।
তুম মম প্রিয ভরত সম ভায়ি॥১২॥
সহস্র বদন তুম্হরো য়শগাবৈ।
অস কহি শ্রীপতি কণ্ঠ লগাবৈ॥১৩॥
সনকাদিক ব্রহ্মাদি মুনীশা।
নারদ শারদ সহিত অহীশা॥১৪॥
য়ম কুবের দিগপাল জহাং তে।
কবি কোবিদ কহি সকে কহাং তে॥১৫॥
তুম উপকার সুগ্রীবহি কীন্হা।
রাম মিলায় রাজপদ দীন্হা॥১৬॥
তুম্হরো মন্ত্র বিভীষণ মানা।
লংকেশ্বর ভয়ে সব জগ জানা॥১৭॥
য়ুগ সহস্র য়োজন পর ভানূ।
লীল্যো তাহি মধুর ফল জানূ॥১৮॥
প্রভু মুদ্রিকা মেলি মুখ মাহী।
জলধি লংঘি গয়ে আচার্য নাহী॥১৯॥
দুর্গম কাজ জগত কে জেতে ।
সুগম অনুগ্রহ তুমহ্রে তেতে॥২০॥
রাম দুয়ারে তুম রখবারে।
হোত ন আজ্ঞা বিনু পৈসারে॥২১॥
সব সুখ লহৈ তুম্হারী শরণা ।
তুম রক্ষক কাহূ কো ডরনা॥২২॥
আপন তেজ সম্হারো আপৈ।
তিনোং লোক হাংক তে কাংপৈ॥২৩॥
ভূত পিশাচ নিকট নহি আবৈ।
মহাবীর জব নাম সুনাবৈ॥২৪॥
নাসৈ রোগ হরৈ সব পীরা।
জপত নিরন্তর হনুমত বীরা॥২৫॥
সংকট সে হনুমান ছুড়াবৈ।
মন ক্রম বচন ধ্যান জো লাবৈ॥২৬॥
সব পর রাম তপস্বী রাজা।
তিনকে কাজ সকল তুম সাজা॥২৭॥
ঔর মনোরধ জো কোয়ি লাবৈ।
সহি অমিত জীবন ফল পাবৈ॥২৮॥
চারো যুগ প্রতাপ তুম্হারা।
হৈ প্রসিদ্ধ জগত উজিয়ারা॥২৯॥
সাধু সন্ত কে তুম রখবারে।
অসুর নিকংদন রাম দুলারে॥৩০॥
অষ্ঠসিদ্ধি নব নিধি কে দাতা।
অস বর দীন্ জানকী মাতা॥৩১॥
রাম রসায়ন তুম্হারে পাসা।
সদা রহো রঘুপতি কে দাসা॥৩২॥
তুম্হরে ভজন রামকো পাবৈ।
জনম জনম কে দুখ বিসরাবৈ॥৩৩॥
অন্ত কাল রঘুপতি পুরযায়ী।
জহান জনম হরিভক্ত কহায়ী॥৩৪॥
ঔর দেবতা চিত্ত ন ধরায়ে।
হনুমত সেযি সর্ব সুখ করায়ে॥৩৫॥
সংকট কটৈ মিটৈ সব পীরা।
জো সুমিরৈ হনুমত বল বীরা॥৩৬॥
জয় জয় জয় হনুমান গোসায়ী।
কৃপা করহু গুরুদেব কী নায়ী॥৩৭॥
যো শত বার পাঠ কর কোয়ী।
ছূটহি বন্দি মহা সুখ হোয়ী॥৩৮॥
জো য়াহ পড়ে হনুমান চালীসা।
হোয়ে সিদ্ধি সাখী গৌরীশা॥৩৯॥
তুলসীদাস সদা হরি চেরা ।
কীজৈ নাথ হৃদয় মহ ডেরা ॥৪০॥
দোহা - Doha
পবন তনয় সংকট হরণ – মংগল মূরতি রূপ্ ।
রাম লখন সীতা সহিত – হৃদয় বসহু সুরভূপ্ ॥

সিয়াবর রামচংদ্রকী জয় । পবনসুত হনুমানকী জয় । বোলো ভায়ী সব সনাতন কী জয় । 🙏

হনুমান স্তোত্র, চালিশা ও পাঠসমূহ

হনুমান চালিশা বাংলা অনুবাদ (Hanuman Chalisa Bengali Meaning)

হনুমান চালিশার শ্লোকগুলির সহজ বাংলা অর্থ নিচে ছক আকারে বর্ণনা করা হলো:

দোহার বাংলা অনুবাদ

পবন তনয় সংকট হরণ - মংগল মূরতি রূপ্।
রাম লখন সীতা সহিত - হৃদয় বসহু সুরভূপ্॥
হে আশীর্বাদের মূর্ত প্রতীক, পবন পুত্র, সমস্ত দুঃখ হরণকারী! তোমার রূপ সবথেকে মঙ্গলময় ও ঐশ্বরিক। তুমি আমার হৃদয়ে শ্রীরাম, লক্ষণ ও সীতার সঙ্গে সর্বদা বসবাস করো।

ধ্যানম্ এর বাংলা অনুবাদ

গোষ্পদীকৃত বারাশিং মশকীকৃত রাক্ষসম্।আমি স্বয়ং বায়ু দেবতার পুত্র অঞ্জনেয়াকে প্রণাম করি। তিনি গরুর পায়ের ছাপের আকারে বিশাল সমুদ্রকে লঙ্ঘন করেছিলেন এবং রাক্ষসদের বিনাশ করেছিলেন।
রামায়ণ মহামালা রত্নং বংদে-(অ)নিলাত্মজম্॥আমি বায়ু দেবতার পুত্রকে প্রণাম করি। তিনি মহাকাব্য রামায়ণের এক অমূল্য উজ্জ্বল রত্ন।
যত্র যত্র রঘুনাথ কীর্তনং তত্র তত্র কৃতমস্তকাংজলিম্।যেখানেই শ্রীরামের মহিমা গাওয়া হয়, সেখানেই আমি হাতজোড় করে প্রণাম করি।
ভাষ্পবারি পরিপূর্ণ লোচনং মারুতিং নমত রাক্ষসাংতকম্॥আমি ভগবান হনুমানকে প্রণাম করি, যাঁর চোখ ভক্তিাশ্রুতে পরিপূর্ণ এবং যিনি রাক্ষস বিনাশকারী।

৪০টি চৌপাঈ এর বাংলা অনুবাদ (Choupai Meaning in Bengali)

জয় হনুমান জ্ঞান গুন সাগর। জয় কপিস তিহু লোক উজাগর॥১॥জ্ঞান এবং গুণের সাগর হনুমানের মূল জয়। তিন জগতের জাগরণকারী বানর বীরের জয়।।
রাম দূত অতুলিত বল ধামা। অঞ্জনী-পুত্র পবন সুত নামা॥২॥রামের দূত, অতুলনীয় শক্তি আর গতি। অঞ্জনীর পুত্র, বাতাসের বংশ বলেই সবার কাছে পরিচিত।।
মহাবীর বিক্রম বজরঙ্গী। কুমতি নিবার সুমতি কে সঙ্গি॥৩॥শক্তিশালী এবং বলিষ্ঠ দেহের সাথে বীর পরাক্রমশালী। বুদ্ধিমত্তা এবং প্রজ্ঞায় কে তোমাকে মেলাবে।।
কাঞ্চন বরন বিরাজ সুবেষা। কানন কুণ্ডল কুঞ্চিত কেশা॥৪॥সোনালী রং এবং সুন্দর পোশাকে সুসজ্জিত। সঙ্গে এক কানের দুল আর কোঁকড়ানো চুল।।
হাথবজ্র ঔ ধ্বজা বিরাজৈ। কান্ধে মুঞ্জ জানিউ সাজে॥৫॥হাতে বজ্র এবং পতাকা নিয়ে শোভিত রূপ। কাঁধ এবং কোমড় জুড়ে পরা পবিত্র সুতো।।
শঙ্কর সুবন কেশরী নন্দন। তেজ প্রতাপ মহা জগ বন্দন॥৬॥ভগবান শঙ্করের পুত্র এবং কেশরীর আনন্দ। সেই পরাক্রমশালী, যার মহিমা গোটা বিশ্বেই প্রশংসিত হয়।।
বিদ্যাবান গুণী অতি চাতুর। রাম কাজ করিবে কো আতুর॥৭॥কে জ্ঞানী, কে গুণী, কে অতি চতুর। কে রামের কাজ করতে হবে না ব্যাকুল।।
প্রভু চরিত্র সুনিবে কো রসিয়া। রামলখন সীতা মন বসিয়া॥৮॥যে ভক্তির সাথে ভগবান রামের দিব্য কাহিনী শ্রবণ করে। তাদের মন রাম, লক্ষণ এবং সীতার প্রেমময়ে হয় পরিপূর্ণ।।
সূক্ষ্ম রূপধরি সিয়াহি দিখাবা। বিকট রূপধরি লংক জরাবা॥৯॥তুমি ক্ষুদ্র রূপ ধারণ করে উপস্থিত হয়েছ সীতার সামনে। আবার ভয়ংকর রূপ ধারণ করে পুড়িয়ে দিয়েছ লঙ্কা নগরীকে।।
ভীম রূপধরি অসুর সংহারে। রামচন্দ্র কে কাজ সংবারে॥১০॥ভীমের ন্যায় বিশাল রূপে অসুরকে নাশ করো তুমি। ভগবান রামের সব কাজ তুমিই পারো একমাত্র করতে।।
লায়ে সঞ্জীবন লখন জিয়ায়ে। শ্রী রঘুবীর হরষি উর লায়ে॥১১॥সঞ্জীবনী এনে তুমি জীবন দিয়েছে লক্ষণকে। ভগবান রামের হৃদয় পূর্ণ করেছ সুখে।।
রঘুপতি কীন্হী বহুত বদায়ী। তুম মম প্রিয ভরত সম ভায়ি॥১২॥রঘুপতি (ভগবান রাম) ভরতকে খুব প্রশংসা করেছিলেন। তুমি ভরতেরই মতো তেনার পরম প্রিয় ভ্রাতা।।
সহস্র বদন তুম্হরো য়শগাবৈ। অস কহি শ্রীপতি কণ্ঠ লগাবৈ॥১৩॥হাজার মুখ তোমার মহিমা গাইবার জন্য যথেষ্ট নয়। এই বলে প্রভু রাম তোমাকে আলিঙ্গন করেন।।
সনকাদিক ব্রহ্মাদি মুনীশা। নারদ শারদ সহিত অহীশা॥১৪॥স্রষ্টা ব্রহ্মা সনকা, মুনি নারদ সকলে। তোমার যথাযথ মহিমা বর্ননা করতে ব্যর্থ।।
য়ম কুবের দিগপাল জহাং তে। কবি কোবিদ কহি সকে কহাং তে॥১৫॥কবি এবং পণ্ডিতরা ইত্যাদি এমনকি যমরাজ, কুবের।  এবংদিগপালের মতো দেবতারাও হনুমানের মাহাত্ম্য বর্ণনা করতে ব্যর্থ।।
তুম উপকার সুগ্রীবহি কীন্হা। রাম মিলায় রাজপদ দীন্হা॥১৬॥তুমি সুগ্রীবের একটি মহান উপকার করেছো, তাকে শ্রী রামের।। সাথে একত্রিত করে রাজকীয় সিংহাসনে স্থাপন করেছ।।
তুম্হরো মন্ত্র বিভীষণ মানা। লংকেশ্বর ভয়ে সব জগ জানা॥১৭॥তোমার ভগবান রামের উপদেশ বিভীষণ মানে। লঙ্কার অধীশ্বরের (রাবণ) ভয় সম্পর্কে সমস্ত বিশ্ব জানে।।
য়ুগ সহস্র য়োজন পর ভানূ। লীল্যো তাহি মধুর ফল জানূ॥১৮॥সহস্র যোজন উর্দ্ধে সূর্য্যদেবকে দেখে। ভুল করে তারে মিষ্টি ফল ভেবে গ্রাস করেছিলে।।
প্রভু মুদ্রিকা মেলি মুখ মাহী। জলধি লংঘি গয়ে আচার্য নাহী॥১৯॥প্রভু রামের আংটি মুখে নিয়ে তুমি নির্দ্বিধায়। সমস্ত বাঁধাকে তুচ্ছ করে সাগর পারি দিয়ে ছিলে।।
দুর্গম কাজ জগত কে জেতে । সুগম অনুগ্রহ তুমহ্রে তেতে॥২০॥দুর্গম কাজ যা পৃথিবীতে কেউ সম্পন্ন করতে পারেনা। তা তোমার অনুগ্রহে সহজ সরল হয়ে যায়।।
রাম দুয়ারে তুম রখবারে। হোত ন আজ্ঞা বিনু পৈসারে॥২১॥প্রভু রামের দুয়ারে তুমি চিরকালের রক্ষী। তোমার আজ্ঞা ছাড়া কেহ না প্রবেশ করতে পারে।।
সব সুখ লহৈ তুম্হারী শরণা । তুম রক্ষক কাহূ কো ডরনা॥২২॥তোমার কৃপায় আমি সর্বসুখ লাভ করি। তুমি যেথা রক্ষী, সেথা আর কারে ডরি।।
আপন তেজ সম্হারো আপৈ। তীনোং লোক হাংক তে কাংপৈ॥২৩॥নিজের তেজ, তুমি নিজেই করো সম্বরণ। তোমার হুঙ্কারে দেখো কাঁপে ত্রিভুবন।।
ভূত পিশাচ নিকট নহি আবৈ। মহাবীর জব নাম সুনাবৈ॥২৪॥ভুত, প্রেত, পিশাচ কভু কাছে না আসে। মহাবীর নাম তবে যে স্মরণ করে।।
নাসৈ রোগ হরৈ সব পীরা। জপত নিরন্তর হনুমত বীরা॥২৫॥রোগ, কষ্ট ও দুর্দশা সব দূর হয়। যে জন তোমার নাম জপ করে।।
সংকট সে হনুমান ছুড়াবৈ। মন ক্রম বচন ধ্যান জো লাবৈ॥২৬॥বিপদ ও সংকটে একমাত্র মহাবীর হনূমান উদ্ধার করে। যে তার নাম (হনুমান ) চিরকাল ধ্যান করে।।
সব পর রাম তপস্বী রাজা। তিনকে কাজ সকল তুম সাজা॥২৭॥যে মহাপ্রভু রামের ধ্যান তপস্যা করে।। তুমি তাদের সমস্ত কঠিন কাজকে সহজ করো।
ঔর মনোরধ জো কোয়ি লাবৈ। সহি অমিত জীবন ফল পাবৈ॥২৮॥তোমার চরণে যে অন্তরের আকাঙ্ক্ষাগুলোকে সমর্পণ করে। তবে সে জীবনের সীমাহীন ফল লাভ করে।।
চারো যুগ প্রতাপ তুম্হারা। হৈ প্রসিদ্ধ জগত উজিয়ারা॥২৯॥তোমার নামের খ্যাতি ছড়াবে চার যুগে। তোমার মহিমাতে আলোকিত হবে জগৎ জুড়ে।।
সাধু সন্ত কে তুম রখবারে। অসুর নিকংদন রাম দুলারে॥৩০॥হে হনুমান, তুমি রক্ষা করো সাধু সন্ত। অসুর সংহার করে তুমি শ্রী রামের প্রিয় ভক্ত।।
অষ্ঠসিদ্ধি নব নিধি কে দাতা। অস বর দীন্ জানকী মাতা॥৩১॥তুমি অষ্ট সিদ্ধি ও নব নিধির শক্তি দান করতে পারো। যা তুমি বরদান রূপে পেয়েছো, জানকি মাতার থেকে।।
রাম রসায়ন তুম্হারে পাসা। সদা রহো রঘুপতি কে দাসা॥৩২॥হে হনুমান, তুমি রাম নামের অমৃতের অধিকারী। সর্বদা ভগবান রঘুপতির সেবক হয়ে থাকো।।
তুম্হরে ভজন রামকো পাবৈ। জনম জনম কে দুখ বিসরাবৈ॥৩৩॥তোমার আরাধনা করে, কেউ ভগবান রামের ভক্তি লাভ করতে পারে। এবং তা করে জন্ম জন্মের সমস্ত কষ্ট থেকে মুক্ত হতে পারে।।
অন্ত কাল রঘুপতি পুরযায়ী। জহান জনম হরিভক্ত কহায়ী॥৩৪॥রঘুপতি রামের সেবায়, যে জীবন নিবেদন করে। তিনি প্রতি জন্মে হরি (ভগবান বিষ্ণুর) ভক্ত হবে।।
ঔর দেবতা চিত্ত ন ধরায়ে। হনুমত সেযি সর্ব সুখ করায়ে॥৩৫॥অপর কোন দেবতার প্রতি চিত্ত নিবিষ্ট না করেও কেবল।। হনুমানের সেবা করেই সর্বফল লাভ করা যেতে পারে।।
সংকট কটৈ মিটৈ সব পীরা। জো সুমিরৈ হনুমত বল বীরা॥৩৬॥রোগের সমস্ত বিপদ থেকে মুক্তি পায় সে। যে মহাবলী বীর্যবীর হনুমান কে স্মরণ করে।।
জয় জয় জয় হনুমান গোসায়ী। কৃপা করহু গুরুদেব কী নায়ী॥৩৭॥হে প্রভু হনুমানজি, তোমার জয় হোক, জয় হোক, জয় হোক। তোমার গুরুদেবের মতোই তুমি আমাকে কৃপা করো।।
যো শত বার পাঠ কর কোয়ী। ছূটহি বন্দি মহা সুখ হোয়ী॥৩৮॥এই হনুমান চালিশা যে শত বার পাঠ করবে, সে পার্থিব বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে প্রভুত্ব সুখ ও সৌভাগ্য লাভ করবে
জো য়াহ পড়ে হনুমান চালীসা। হোয়ে সিদ্ধি সাখী গৌরীশা॥৩৯॥যিনি এই হনুমান চালিশা ভক্তি সহকারে পাঠ করেন। স্বয়ং ভগবান শিব সাক্ষী, তিনি অবশ্যই সিদ্ধি লাভ করেন।।
তুলসীদাস সদা হরি চেরা। কীজৈ নাথ হৃদয় মহ ডেরা॥৪০॥তুলসীদাস (নিজ নাম) সদা প্রভু হরির ভক্ত। এই বিশ্বাস করে হৃদয়ে স্থান দাও।।

হনুমান চালিশার ইতিহাস (Hanuman Chalisa History)

কথিত রয়েছে, গোস্বামী তুলসীদাসজি মুঘল সম্রাট আকবরের কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় ৪০ দিন ধরে পরম নিষ্ঠার সাথে হনুমানজির স্তুতিতে এই ৪০টি শ্লোক রচনা করেছিলেন। এর ফলে হনুমানজির কৃপায় বানর বাহিনী উপস্থিত হয়ে প্রতিকূল পরিস্থিতি তৈরি করে এবং তুলসীদাসজি মুক্তি লাভ করেন। এই অমোঘ চালিশা পাঠে ভক্তের অন্তরে অপার সাহস ও ভক্তি জাগরিত হয়।

হনুমান চালিশা পাঠের নিয়ম ও সময়

অন্যান্য দেব-দেবী দর্শন

শিব

শিব

32 টি ভক্তি নিবন্ধ

দেবাধিদেব মহাদেব শিবের মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র, স্তোত্র, ব্রত ও আরাধনার নিয়ম।

পড়ুন ও জানুন
মা দুর্গা

মা দুর্গা

28 টি ভক্তি নিবন্ধ

দুর্গতিনাশিনী মা দুর্গার মন্ত্র, মহিষাসুরমর্দিনী স্তোত্র ও চণ্ডী পাঠের মাহাত্ম্য।

পড়ুন ও জানুন
মা লক্ষ্মী

মা লক্ষ্মী

20 টি ভক্তি নিবন্ধ

ধন, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের দেবী মা লক্ষ্মীর ব্রতকথা, মন্ত্র ও আরতি।

পড়ুন ও জানুন
গণেশ

গণেশ

25 টি ভক্তি নিবন্ধ

সিদ্ধিদাতা ও বিঘ্নহর্তা গণপতির আরাধনা, গণেশ স্তোত্র ও সিদ্ধিমন্ত্র।

পড়ুন ও জানুন
শ্রী কৃষ্ণ

শ্রী কৃষ্ণ

30 টি ভক্তি নিবন্ধ

ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার বাণী, কৃষ্ণাষ্টকম ও মধুর স্মারকাবলী।

পড়ুন ও জানুন
শ্রী রাম

শ্রী রাম

18 টি ভক্তি নিবন্ধ

মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রী রামের রামরক্ষা স্তোত্র, রামচন্দ্র আরতি ও জীবনকথা।

পড়ুন ও জানুন
মা কালী

মা কালী

22 টি ভক্তি নিবন্ধ

কালীপুজো, আদ্যাস্তোত্র, শ্যামাসঙ্গীত ও মা কালীর সিদ্ধ বীজমন্ত্রাবলী।

পড়ুন ও জানুন
শ্রী বিষ্ণু

শ্রী বিষ্ণু

19 টি ভক্তি নিবন্ধ

বিষ্ণু সহস্রনাম, সত্যনারায়ণ ব্রতকথা ও শ্রী হরির সহস্র অবতার কথা।

পড়ুন ও জানুন
মা সরস্বতী

মা সরস্বতী

15 টি ভক্তি নিবন্ধ

বিদ্যা, জ্ঞান ও চারুকলার দেবী মা সরস্বতীর পুষ্পাঞ্জলি ও স্তোত্র।

পড়ুন ও জানুন
শনি দেব

শনি দেব

21 টি ভক্তি নিবন্ধ

শনিদেবের সাড়ে সাতি প্রতিকার, শনি চালিশা ও শনি স্তোত্রাবলী।

পড়ুন ও জানুন
সূর্য দেব

সূর্য দেব

14 টি ভক্তি নিবন্ধ

আদিত্য হৃদয় স্তোত্র, সূর্য অর্ঘ্য দান বিধি ও গায়ত্রী মন্ত্র পাঠ।

পড়ুন ও জানুন
সাই বাবা

সাই বাবা

16 টি ভক্তি নিবন্ধ

শিরডির সাই বাবার কাকড় আরতি, মন্ত্র ও শ্রদ্ধা-সবুরি বাণী।

পড়ুন ও জানুন
জগন্নাথ

জগন্নাথ

17 টি ভক্তি নিবন্ধ

রথযাত্রা, পুরীর জগন্নাথ ধাম, জগন্নাথাষ্টকম ও মহাপ্রসাদ মাহাত্ম্য।

পড়ুন ও জানুন
নবগ্রহ

নবগ্রহ

26 টি ভক্তি নিবন্ধ

রবি থেকে কেতু-৯টি গ্রহের বীজমন্ত্র, নবগ্রহ পীড়াহর স্তোত্র ও প্রতিকার।

পড়ুন ও জানুন

আজকের জনপ্রিয় ভক্তি পাঠ (Popular Today)

ক্যাটাগরি অনুযায়ী ব্রাউজ করুন (Browse by Category)

📿
মন্ত্র
মহামৃত্যুঞ্জয়, গায়ত্রী ও বিভিন্ন দেব-দেবীর অমোঘ বীজমন্ত্র।
📜
চালিশা
হনুমান চালিশা, শিব চালিশা, দুর্গাচালিশা সহ ৪০ পদের স্তুতি।
🪔
আরতি
সন্ধ্যা ও প্রাতঃকালীন নিত্য পূজার ভক্তিপূর্ণ আরতি গান।
📖
স্তোত্র
আদিত্য হৃদয়, রামরক্ষা, শিব তাণ্ডব ও দুর্গা স্তোত্রাবলী।
🛡️
কবচ
সুরক্ষা ও সবরকম বিপদ নাশের জন্য মহা শক্তিশালী কবচপাঠ।
সহস্রনাম
বিষ্ণু সহস্রনাম, শিব সহস্রনাম ও ললিতা সহস্রনাম স্তোত্র।
🎉
উৎসব ও ব্রত
দুর্গাপূজা, মহাশivরাত্রি, জন্মাষ্টমী ও একাদশী ব্রতের দিনক্ষণ।
🛕
মন্দির দর্শন
ভারতের ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গ, ৫১টি শক্তিপীঠ ও বিখ্যাত ধাম গাইড।

সাধারণ জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলি (FAQ)

ইন্ডিয়াহুড ধর্ম বিভাগে কী কী ভক্তিমালা ও তথ্য পাওয়া যায়?
ইন্ডিয়াহুডের ধর্ম বিভাগে আপনি সনাতন ধর্মের বিভিন্ন দেব-দেবী (যেমন শ্রী হনুমান, শিব, মা দুর্গা, শ্রীকৃষ্ণ, মা লক্ষ্মী ইত্যাদি)-র অমোঘ মন্ত্র, চালিশা, আরতি, স্তোত্র, সহস্রনাম, মন্দির গাইড এবং শুভ উৎসব-ব্রতের পূর্ণ বিবরণ বাংলায় পাবেন।
হনুমান চালিশা ও অন্যান্য চালিশা পাঠ করার সঠিক সময় কখন?
যে কোনো চালিশা বা স্তোত্র সকালে স্নান সেরে শুভ্রবস্ত্রে প্রদীপ জ্বালিয়ে অথবা সন্ধ্যায় আরতির সময়ে পাঠ করা অত্যন্ত ফলপ্রসূ। তবে হনুমান চালিশা রাতে ঘুমানোর পূর্বে পাঠ করলেও মানসিক শান্তি মিলবে।
প্রতিদিনের জপের জন্য কোন কোন দেব-দেবীর মন্ত্র সবচেয়ে শুভ?
নিত্য জপের জন্য গায়ত্রী মন্ত্র, শিবের ওঁ নমঃ শিবায়, হনুমানজির বীজমন্ত্র এবং শ্রীকৃষ্ণের মহামন্ত্র সর্বোত্তম। আপনার ইস্ট দেবতার মন্ত্র নিষ্ঠার সাথে নিয়মিত জপ করা উচিত।
বিশেষ দেব-দেবীর নতুন কোনো চালিশা বা মন্ত্র কীভাবে খুঁজবেন?
আমাদের সার্চবারে আপনার পছন্দের দেব-দেবী অথবা মন্ত্রের নাম (যেমন: "হনুমান", "শিব", "দুর্গা") লিখে সার্চ করলে সরাসরি সংশ্লিষ্ট পৃষ্ঠায় পৌঁছে যেতে পারবেন।

সম্পর্কিত বিষয়াবলি (Related Articles)