নতুন খবর
বাংলা ক্যালেন্ডার আপনার রাশিফল সোনার দাম রুপোর দাম পেট্রোলের দাম ডিজেলের দাম রান্নার গ্যাস আবহাওয়া খবর মন্ত্র ও ভক্তি
হনুমান

শ্রী সংকট মোচন হনুমান অষ্টক - Sankat Mochan Hanuman Ashtak in Bengali Lyrics, Meaning, PDF

শ্রী সংকট মোচন হনুমান অষ্টক (Sankat Mochan Hanuman Ashtak in Bengali) হল পরম সাধক গোস্বামী তুলসীদাস রচিত ৮টি অতি তেজস্বী অলৌকিক শ্লোক ও সমাপনী দোহার এক মহাসিদ্ধ সংকটনাশী স্তোত্র। এই অষ্টকে শ্রী হনুমানের শৈশবকালে সূর্যদেবকে গ্রাস করা থেকে শুরু করে লঙ্কা দহন, দ্রোণগিরি পর্বত উপড়ে নিয়ে আসা এবং পাতালপুরীতে অহিরাবণকে বিনাশ করার শৌর্যগাঁথা পরম ভক্তিভরে বর্ণিত হয়েছে। জীবনের চরম ও জটিলতম বিপদে, আকস্মিক সংকট কাটাতে, মারাত্মক অশুভ নজর ও শনির কোপ থেকে মুক্তি পেতে হনুমান অষ্টক পাঠ পরম সিদ্ধ ও ফলপ্রসূ আরাধনা।

সংকট মোচন হনুমান অষ্টক পাঠ (Sankat Mochan Hanuman Ashtak Lyrics in Bengali)

শ্রী সংকট মোচন হনুমান অষ্টক পাঠের প্রধান ২টি অংশ- ১) ৮টি প্রধান পদ শ্লোক এবং ২) সমাপনী দোহা। নিচে সম্পূর্ণ পাঠ তুলে ধরা হলো:

অষ্টক শ্লোক (৮টি অমোঘ পদ)
বাল সময় রবি ভক্ষ লিয়ো তব, তীনহুঁ লোক ভয়ো অঁধিয়ারো ।
তাহি সোং ত্রাস ভয়ো জগ কো, যহ সংকট কাহু সোং জাত ন টারো ।
দেবন আনি করী বিনতী তব, ছাড়ি দিয়ো রবি কষ্ট নিবারো ।
কো নহীং জানত হৈ জগ মেং কপি, সংকটমোচন নাম তিহারো ॥ ১ ॥
বালি কী ত্রাস কপীস বসৈ গিরি, জাত মহাপ্রভু পন্থ নিহারো ।
চৌড়ে সুগ্রীব বুলায় লিযে প্রভু, আয় মিলায় দিয়ে রঘুনন্দন সো ।
রাজ দিলায় কিযো উপকার তুম, তা পর তোহিং ন নাম উচারো ।
কো নহীং জানত হৈ জগ মেং কপি, সংকটমোচন নাম তিহারো ॥ ২ ॥
অঙ্গদ কে সঁগ লেন গয়ে সিয়, খোজ কপীস যহ বৈন উচারো ।
জীবত না বচিহৌ হম সো জু, বিনা সুধি লায়ে ইঁহা পগু ধারো ।
হেরি থকে তট সিন্ধু সবৈ তব, লায় সিয়া-সুধি প্রাণ উবারো ।
কো নহীং জানত হৈ জগ মেং কপি, সংকটমোচন নাম তিহারো ॥ ৩ ॥
রাবন ত্রাস দঈ সিয় কো সব, রাক্ষসি সোং কহি সোক নিবারো ।
তাহি সময় হনুমান মহাপ্রভু, জায় মহা রজনীচর মারো ।
চাহত সীয় অশোক সোং আগি সু, দৈ প্রভু মুদ্রিকা শোক নিবারো ।
কো নহীং জানত হৈ জগ মেং কপি, সংকটমোচন নাম তিহারো ॥ ৪ ॥
বান লগ্যো উর লছিমন কে তব, প্রান তজে সুত রাবন মারো ।
লৈ গৃহ বৈদ্য সুষেণ সমেত, তবৈ গিরি দ্রোণ সু বীর উপারো ।
আনি সজীবন হাথ দঈ তব, লছিমন কে তুম প্রান উবারো ।
কো নহীং জানত হৈ জগ মেং কপি, সংকটমোচন নাম তিহারো ॥ ৫ ॥
রাবন জুদ্ধ অজান কিযো তব, নাগ কি ফাঁস সবৈ সির ডারো ।
শ্রীরঘুনাথ সমেত সবৈ দল, মোহ ভয়ো যহ সংকট ভারো ।
আনি খগেস তবৈ হনুমান জী, বন্ধন কাটি সু ত্রাস নিবারো ।
কো নহীং জানত হৈ জগ মেং কপি, সংকটমোচন নাম তিহারো ॥ ৬ ॥
বন্ধূ সমেত জবৈ অহিরাবন, লৈ রঘুনাথ পতাল সিধারো ।
দেবিন্হীং পূজি ভলি বিধি সোং বলি, দেউ সবৈ মিলি মন্ত্র বিচারো ।
জায়ে সহায়ে ভয়ো তব হী, অহিরাবন সৈন্য সমেত সংহারো ।
কো নহীং জানত হৈ জগ মেং কপি, সংকটমোচন নাম তিহারো ॥ ৭ ॥
কাজ কিএ বড় দেবন কে তুম, বীর মহাপ্রভু দেখি বিচারো ।
কৌন সো সংকট মোর গরীব কো, জো তুমসে নহিং জাত হৈ টারো ।
বেগি হরো হনুমান মহাপ্রভু, জো কছু সংকট হোএ হমারো ।
কো নহীং জানত হৈ জগ মেং কপি, সংকটমোচন নাম তিহারো ॥ ৮ ॥
সমাপনী দোহা - Closing Doha
লাল দেহ লালী লসে, অরু ধরি লাল লঙ্গূর ।
বজ্র দেহ দানব দলন, জয় জয় জয় কপি সূর ॥

সিয়াবর রামচংদ্রকী জয় । পবনসুত হনুমানকী জয় । বোলো ভায়ী সব সনাতন কী জয় । 🙏

অক্ষর সাইজ:

হনুমান স্তোত্র, চালিশা ও পাঠসমূহ

সংকট মোচন হনুমান অষ্টক বাংলা অনুবাদ (Hanuman Ashtak Bengali Meaning)

শ্রী সংকট মোচন হনুমান অষ্টকের ৮টি পদ ও দোহার প্রাঞ্জল বাংলা অর্থ নিচে দেওয়া হলো:

অষ্টক ৮টি পদের বাংলা অনুবাদ

১. বাল সময় রবি ভক্ষ লিয়ো তব, তীনহুঁ লোক ভয়ো অঁধিয়ারো...হে হনুমানজী! বাল্যকালে আপনি সূর্যকে ফল মনে করে গিলে ফেলেছিলেন, যার ফলে ত্রিভুবনে অন্ধকার নেমে এসেছিল। সারা বিশ্বে হাহাকার শুরু হয়েছিল এবং এই সঙ্কট কেউ এড়াতে পারছিল না। তখন দেবতারা এসে আপনার কাছে প্রার্থনা করেন এবং আপনি সূর্যকে মুক্ত করে সকলের কষ্ট দূর করেন। হে কপিরাজ! এই পৃথিবীতে এমন কে আছে যে আপনার 'সঙ্কটমোচন' নাম জানে না?
২. বালি কী ত্রাস কপীস বসৈ গিরি, জাত মহাপ্রভু পন্থ নিহারো...বালির ভয়ে সুগ্রীব ঋষ্যমূক পর্বতে থাকতেন এবং পথ চেয়ে বসে থাকতেন। হে প্রভু! আপনিই সুগ্রীবকে ডেকে ভগবান রামের সাথে মিলিয়েছিলেন। আপনি তাকে রাজত্ব ফিরিয়ে দিয়ে মহান উপকার করেছিলেন। হে কপিরাজ! এই পৃথিবীতে এমন কে আছে যে আপনার 'সঙ্কটমোচন' নাম জানে না?
৩. অঙ্গদ কে সঁগ লেন গয়ে সিয়, খোজ কপীস যহ বৈন উচারো...যখন আপনি অঙ্গদের সাথে মাতা সীতার সন্ধানে গিয়েছিলেন, তখন সুগ্রীব বলেছিলেন যে সীতার খবর না নিয়ে ফিরলে কাউকে তিনি জীবিত ছাড়বেন না। সমুদ্রের তীরে সমস্ত বানর যখন ক্লান্ত ও হতাশ হয়ে পড়েছিল, তখন আপনিই সীতা মাতার খোঁজ এনে সবার প্রাণ রক্ষা করেছিলেন। হে কপিরাজ! এই পৃথিবীতে এমন কে আছে যে আপনার 'সঙ্কটমোচন' নাম জানে না?
৪. রাবন ত্রাস দঈ সিয় কো সব, রাক্ষসি সোং কহি সোক নিবারো...রাবণ মাতা সীতাকে অশোক বাটিকায় রাক্ষসীদের মাঝে রেখে ভয়ংকর কষ্ট দিয়েছিল। সেই সময়ে হে মহাপ্রভু! আপনি সেখানে গিয়ে বিশাল রাক্ষসদের বধ করেছিলেন। সীতা মাতা দুঃখে যখন অশোক গাছের কাছে আগুন চাইছিলেন, তখন আপনি রামজীর আংটি দিয়ে তাঁর শোক দূর করেছিলেন। হে কপিরাজ! এই পৃথিবীতে এমন কে আছে যে আপনার 'সঙ্কটমোচন' নাম জানে না?
৫. বান লগ্যো উর লছিমন কে তব, প্রান তজে সুত রাবন মারো...যখন মেঘনাদের বাণে লক্ষ্মণজী মূর্ছিত হয়েছিলেন এবং তাঁর প্রাণ সঙ্কটে পড়েছিল, তখন আপনি সুষেণ বৈদ্যকে তাঁর বাড়ি সমেত তুলে এনেছিলেন। এরপর সঞ্জীবনি বুটি আনার জন্য আপনি পুরো দ্রোণগিরি পর্বত উপড়ে এনে লক্ষ্মণজীর প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন। হে কপিরাজ! এই পৃথিবীতে এমন কে আছে যে আপনার 'সঙ্কটমোচন' নাম জানে না?
৬. রাবন জুদ্ধ অজান কিযো তব, নাগ কি ফাঁস সবৈ সির ডারো...যুদ্ধের সময় রাবণ ও মেঘনাদ ভগবান রামের সেনার ওপর নাগপাশ নিক্ষেপ করেছিল। এর ফলে পুরো সেনা মোহপাশে বাঁধা পড়ে এবং এক বড় সঙ্কট দেখা দেয়। তখন আপনি গরুড়জীকে ডেকে নাগপাশের বাঁধন কাটিয়ে সকলের কষ্ট দূর করেছিলেন। হে কপিরাজ! এই পৃথিবীতে এমন কে আছে যে আপনার 'সঙ্কটমোচন' নাম জানে না?
৭. বন্ধূ সমেত জবৈ অহিরাবন, লৈ রঘুনাথ পতাল সিধারো...অহিরাবণ যখন রাম ও লক্ষ্মণকে হরণ করে পাতাল লোকে নিয়ে গিয়েছিল এবং দেবীর পূজা করে তাঁদের বলি দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছিল। তখন আপনি সেখানে পৌঁছে অহিরাবণ এবং তার পুরো সেনাকে সংহার করে প্রভুর রক্ষা করেছিলেন। হে কপিরাজ! এই পৃথিবীতে এমন কে আছে যে আপনার 'সঙ্কটমোচন' নাম জানে না?
৮. কাজ কিএ বড় দেবন কে তুম, বীর মহাপ্রভু দেখি বিচারো...হে বীর মহাপ্রভু! আপনি দেবতাদের এত বড় বড় কাজ সাধন করেছেন, ভেবে দেখুন তো, আমার মতো গরিবের এমন কী সঙ্কট আছে যা আপনি দূর করতে পারেন না? হে হনুমান মহাপ্রভু! আমার যে কোনো কষ্ট বা সঙ্কট থাকুক না কেন, তা শীঘ্র দূর করুন। হে কপিরাজ! এই পৃথিবীতে এমন কে আছে যে আপনার 'সঙ্কটমোচন' নাম জানে না?

সমাপনী দোহার বাংলা অনুবাদ

লাল দেহ লালী লসে, অরু ধরি লাল লঙ্গূর।
বজ্র দেহ দানব দলন, জয় জয় জয় কপি সূর॥
যাঁর শরীর লাল, যিনি লাল রঙে শোভাময় এবং লাল লেজ ধারণ করেছেন। যাঁর শরীর বজ্রের মতো কঠোর ও দানবদের সংহারকারী, এমন বীর হনুমানজীর জয় হোক, জয় হোক, জয় হোক!

সংকটমোচন হনুমান অষ্টকের অলৌকিক ইতিহাস ও মাহাত্ম্য | Hanuman Ashtak History

সনাতন হিন্দু আরাধনায় সংকট মোচন হনুমান অষ্টক (Sankat Mochan Hanuman Ashtak) হল সর্বপ্রকার বিপদ-আপদ নাশকারী এক অলৌকিক স্তোত্রাবলী। ১৬ শতকের মহান সাধক রামভক্ত কবি গোস্বামী তুলসীদাসজি শ্রী হনুমানজির অপার মহিমা ও সংকটমোচন রূপকে স্মরণ করে এই ৮টি ঐতিহাসিক ছন্দোবদ্ধ শ্লোক এবং সমাপনী দোহা রচনা করেছিলেন। এই স্তোত্রে প্রতি শ্লোকের শেষে অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে উচ্চারিত হয়- "কো নহি জানত হ্যায় জগমেং কপি সংকটমোচন নাম তিহারো" (অর্থাৎ, এই জগতে কে না জানে যে আপনার নাম সংকটমোচন!)।

হনুমান অষ্টকের শ্লোকগুলিতে শ্রী হনুমানের শৈশব থেকে শুরু করে রামায়ণের সংকটময় মুহূর্তগুলির শৌর্যগাঁথা অপূর্ব কাব্যের ছন্দে বর্ণিত হয়েছে। বালক বয়সে হাজার যোজন দূরের সূর্যকে ফল মনে করে গ্রাস করা এবং পরবর্তীতে দেবরাজ ইন্দ্রের বজ্রাঘাতে হনুমানজির মূর্ছা যাওয়া ও দেবতাদের বরদান লাভ; শ্রীরামের সুগ্রীবের সাথে মৈত্রী স্থাপন; লঙ্কা দহন করে সীতা মাতার খবর আনা; যুদ্ধক্ষেত্রে বিষম মুহূর্তে লক্ষ্মণ মূর্ছিত হলে দ্রোণগিরি পর্বত উপড়ে এনে সঞ্জীবনি বুটি দ্বারা প্রাণরক্ষা করা; এবং পাতালে মহাবল অহিরাবণকে বধ করে রাম-লক্ষ্মণকে মুক্ত করার অলৌকিক ঘটনাগুলো ভক্তিভরে বর্ণিত হয়েছে। ভক্তদের মধ্যে বিশ্বাস, যখন কোনো পথ খোলা থাকে না এবং জীবন চরম বিপদের সম্মুখীন হয়, তখন নিষ্ঠার সাথে হনুমান অষ্টক পাঠ করলে শ্রী হনুমান নিজে এসে ভক্তকে সংকটমুক্ত করেন।

হনুমান অষ্টক পাঠের সঠিক নিয়ম ও শুভ সময় | Hanuman Ashtak Rules and Time

সংকট মোচন হনুমান অষ্টক পাঠ করার শুভ সময় ও সঠিক নিয়মাবলী নিচে সবিস্তারে উল্লেখ করা হলো:

হনুমান অষ্টক পাঠের বিশেষ অলৌকিক সুফল | Hanuman Ashtak Benefits

নিয়মিত ও অটল বিশ্বাস নিয়ে শ্রী সংকট মোচন হনুমান অষ্টক পাঠ বা শ্রবণ করার প্রধান সুফলগুলি নিম্নরূপ:

  1. আকস্মিক বিপদ ও জীবনসংকট মোচন: পারিবারিক, ব্যবসায়িক বা ব্যক্তিগত জীবনের যেকোনো চরম সঙ্কট থেকে অতি দ্রুত অলৌকিক নিস্তার লাভ হয়।
  2. দুশ্চিন্তা, ভয় ও প্যানিক দূর: মানসিক অস্থিরতা, অজানা আতঙ্ক, বিষাদ ও গভীর উদ্বেগ দূর হয়ে হৃদয়ে অপার শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।
  3. শত্রুবাধা ও তান্ত্রিক কুপ্রভাব নাশ: অশুভ দৃষ্টি, ঈর্ষাপরায়ণ শত্রুর ষড়যন্ত্র এবং নেতিবাচক তান্ত্রিক শক্তির প্রভাব নিমেষে ধ্বংস হয়।
  4. শনির সাড়ে সাতি ও গ্রহদোষ নিবারণ: কোষ্ঠীতে শনিদেবের মহাদশা, সাড়ে সাতি বা রাহুর অশুভ প্রভাব থাকলে হনুমান অষ্টক পাঠে তা প্রশমিত হয়।
  5. কর্মক্ষেত্রে সফলতা ও পদোন্নতি: দৈনন্দিন কাজের জটিল বাধা কাটিয়ে মনোবল বৃদ্ধি পায় এবং কর্মক্ষেত্রে আশাতীত সাফল্য অর্জিত হয়।

সংকট মোচন হনুমান অষ্টক সংক্রান্ত জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)

প্র. হনুমান অষ্টক কে রচনা করেছিলেন?
উ. মহাকবি সাধক গোস্বামী তুলসীদাসজি সংকট মোচন হনুমান অষ্টকের ৮টি অমোঘ শ্লোক ও সমাপনী দোহা রচনা করেছিলেন।
প্র. কোন পরিস্থিতিতে হনুমান অষ্টক পাঠ পরম ফলদায়ক?
উ. জীবনের চরম আইনি জটিলতা, আকস্মিক সংকট, ভয়াবহ রোগব্যাধি বা মানসিক আতঙ্কের সময়ে প্রতিদিন প্রাতঃকালে ও সায়াহ্নে হনুমান অষ্টক পাঠ পরম ফলদায়ক।
প্র. হনুমান চালিশা ও হনুমান অষ্টকের মূল তফাত কী?
উ. হনুমান চালিশা হলো হনুমানজির সার্বিক গুণগান ও ৪০টি চৌপাঈ। আর হনুমান অষ্টক হলো হনুমানজির ঐতিহাসিক সংকট মোচনকারী ঘটনাগুলির (যেমন গহনে রাবণ বধ, সঞ্জীবনী আনা) স্মরণে ৮টি বিশেষ প্রার্থনামূলক শ্লোক।

অন্যান্য দেব-দেবী দর্শন

শিব

শিব

9 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
মা দুর্গা

মা দুর্গা

28 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
মা লক্ষ্মী

মা লক্ষ্মী

20 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
গণেশ

গণেশ

25 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
শ্রী কৃষ্ণ

শ্রী কৃষ্ণ

30 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
শ্রী রাম

শ্রী রাম

18 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
মা কালী

মা কালী

22 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
শ্রী বিষ্ণু

শ্রী বিষ্ণু

19 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
মা সরস্বতী

মা সরস্বতী

15 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
শনি দেব

শনি দেব

21 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
সূর্য দেব

সূর্য দেব

14 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
সাই বাবা

সাই বাবা

16 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
জগন্নাথ

জগন্নাথ

17 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
নবগ্রহ

নবগ্রহ

26 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন