নতুন খবর
⚡
ক্যালেন্ডার রাশিফল আবহাওয়া রেল সোনার দাম রুপোর দাম পেট্রোলের দাম ডিজেলের দাম গ্যাসের দাম জোয়ার ভাটা ভক্তি ও মন্ত্র
হনুমান

শ্রী হনুমান বন্দনা - Shri Hanuman Vandana in Bengali Lyrics, Meaning, PDF

শ্রী হনুমান বন্দনা (Shree Hanuman Vandana in Bengali - 'চরণ শরণ মেং আই কে, ধরূং তিহারা ধ্যান') হলো সংকটমোচন শ্রী হনুমানের শ্রীচরণে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের এক পরম জনপ্রিয়, হৃদয়স্পর্শী ও পবিত্র ভক্তিগীতি বন্দনা। এখানে আপনি সম্পূর্ণ Hanuman Vandana in Bengali lyrics, বাংলা অর্থ (meaning), পাঠের নিয়ম ও বিশেষ উপকারিতা জানতে পারবেন এবং চাইলে Hanuman Vandana PDF Download করতে পারবেন। প্রতিদিন প্রাতঃকালে বা সন্ধ্যা আরতির সময় ভক্তিভরে এই বন্দনা স্মরণ করলে জীবনের যাবতীয় সংকট ও কঠিন বাধা দূর হয়ে প্রভু শ্রীরাম ও পবনপুত্র হনুমানের অক্ষয় আশীর্বাদ লাভ হয়।

শ্রী হনুমান বন্দনা পাঠ (Hanuman Vandana Lyrics in Bengali)

প্রসিদ্ধ শ্রী হনুমান বন্দনা- "চরণ শরণ মেং আই কে" এর সম্পূর্ণ বাংলা উচ্চারণ ও পাঠ নিচে তুলে ধরা হলো:

॥ শ্রী হনুমান বন্দনা (চরণ শরণ মেং আই কে) ॥
চরণ শরণ মেং আই কে, ধরূং তিহারা ধ্যান।
সংকট সে রক্ষা করো, সংকট সে রক্ষা করো,
পবন পুত্র হনুমান॥
দুর্গম কাজ বানায় কে, কীন্হে ভক্ত নিহাল।
অব মোরী বিনতী শুনো, অব মোরী বিনতী শুনো,
হে অঞ্জনী কে লাল॥
হাথ জোড় বিনতী করূং, শুনো বীর হনুমান।
কষ্টোং সে রক্ষা করো, কষ্টোং সে রক্ষা করো,
রাম ভক্তি দেহূং দান, পবনপুত্র হনুমান॥

সিয়াবর রামচংদ্রকী জয় । পবনসুত হনুমানকী জয় । বোলো ভায়ী সব সনাতন কী জয় । 🙏

অক্ষর সাইজ:

হনুমান স্তোত্র, চালিশা ও পাঠসমূহ

শ্রী হনুমান বন্দনা বাংলা অনুবাদ (Hanuman Vandana Bengali Meaning)

শ্রী হনুমান বন্দনার প্রতিটি পংক্তির সহজ ও প্রাঞ্জল বাংলা অর্থ নিচে ছক আকারে দেওয়া হলো:

পংক্তি ও বাংলা অনুবাদ

১. চরণ শরণ মেং আই কে, ধরূং তিহারা ধ্যান... হে পবনপুত্র হনুমান! আমি আপনার শ্রীচরণে শরণাপন্ন হয়ে একাগ্রচিত্তে আপনার ধ্যান করছি। আপনি আমাকে জীবনের সমস্ত সংকট ও বিপদ থেকে রক্ষা করুন।
২. দুর্গম কাজ বানায় কে, কীন্হে ভক্ত নিহাল... হে অঞ্জনীনন্দন! আপনি ভক্তদের অসম্ভব ও দুর্গম কাজসমূহ সুসম্পন্ন করে তাঁদের কৃপাধন্য ও আনন্দিত করেছেন। এবার আমার কাতর প্রার্থনা শ্রবণ করুন।
৩. হাথ জোড় বিনতী করূং, শুনো বীর হনুমান... হে মহাবীর হনুমান! আমি দু'হাত জোর করে বিনতি জানাচ্ছি, আমার সকল কষ্ট থেকে রক্ষা করুন এবং আমাকে নিষ্কাম শ্রীরাম ভক্তির অমূল্য দান প্রদান করুন।

হনুমান বন্দনার ইতিহাস ও আধ্যাত্মিক মহিমা | Hanuman Vandana History

সনাতন হিন্দু ভক্তি ভাবধারায় শ্রী হনুমান বন্দনা (চরণ শরণ মেং আই কে, ধরূং তিহারা ধ্যান) হলো শ্রী হনুমানজির শ্রীচরণে ভক্তের পরম আত্মনিবেদন, বিনম্র শরণাগতি ও আকুল প্রার্থনার এক অতীব হৃদয়স্পর্শী স্তুতি। কিংবদন্তি সঙ্গীতসাধক ও গায়ক হরিহরণ (Hariharan)-এর পরম ভক্তিপূর্ণ কণ্ঠমাধুর্যে নিবেদিত এই ঐতিহ্যবাহী ভক্তিগীতি বন্দনাটি আধুনিক সনাতন ভক্তসমাজে কোটি কোটি মানুষের প্রাত্যহিক প্রার্থনার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।

সনাতন ভক্তি ব্যাকরণে বলা হয়, শ্রী হনুমান হলেন অহংকারহীন দাস্যভক্তি ও নিঃস্বার্থ সেবার মূর্ত প্রতীক। যখন সাধক নিজের সমস্ত পার্থিব অহংকার ও অভিমান বিসর্জন দিয়ে কেবল "চরণ শরণ মেং আই কে" (হে প্রভু, আপনার চরণকমলে আশ্রয় নিয়েছি) বলে সানুনয়ে প্রার্থনা করেন, তখন সংকটমোচন হনুমানজির অলৌকিক কৃপাধারা অবিলম্বে নেমে আসে। রামায়ণের যুগে সুগ্রীব ও বিভীষণ যেভাবে হনুমানজির মধ্যস্থতায় প্রভু শ্রী রামচন্দ্রের শরণ পেয়েছিলেন, এই বন্দনার মাধ্যমেও ভক্তগণ শ্রী রামচন্দ্র ও হনুমানজির অভয় চরণে স্থান লাভ করেন।

হনুমান বন্দনা পাঠ ও গায়নের শুভ নিয়মাবলী | Hanuman Vandana Rules and Time

শ্রী হনুমান বন্দনা নিবেদন করার শুভ সময় ও বৈদিক প্রার্থনাবিধি নিচে সবিস্তারে দেওয়া হলো:

হনুমান বন্দনা পাঠের অসামান্য আধ্যাত্মিক সুফল | Hanuman Vandana Benefits

নিয়মিত ও পবিত্র মনে শ্রী হনুমান বন্দনা গায়ন বা শ্রবণ করার প্রধান অসামান্য সুফলগুলি নিম্নরূপ:

  1. দুর্গম ও অসাধ্য কাজ সুসম্পন্ন: জীবনে বহু চেষ্টা সত্ত্বেও আটকে থাকা জটিল ও কঠিন কাজগুলি হনুমানজির অলৌকিক কৃপায় পরম সহজে সুসম্পন্ন হয়ে যায়।
  2. মানসিক শান্তিলাভ ও বিষাদ দূরীকরণ: মনের যাবতীয় দুশ্চিন্তা, পারিবারিক অশান্তি, বিষাদ ও অস্থিরতা দূর হয়ে এক পরম ঐশ্বরিক অনুভূতি বিরাজ করে।
  3. নিষ্কাম শ্রীরামভক্তি ও নম্রতা লাভ: সাধকের মনে অহংকার দূর হয়ে অকৃত্রিম সেবাভাব, নম্রতা, শ্রদ্ধা ও অকৃত্রিম ভক্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।
  4. সর্বপ্রকার ভয় ও বৈরী প্রভাব থেকে অভয়: প্রতিকূল পরিস্থিতি, প্রতিবেশীর ঈর্ষা ও অনাকাঙ্ক্ষিত ভয় কাটিয়ে হনুমানজির কৃপা এক অদৃশ্য সুরক্ষাবলয় হিসেবে কাজ করে।
  5. পরিবারে মাঙ্গলিক সমৃদ্ধি ও কল্যাণ: গৃহে ইতিবাচক শক্তি ও শান্তির আবহ বজায় থাকে এবং পরিবারের সকল সদস্যের মঙ্গল সাধিত হয়।

হনুমান বন্দনা সংক্রান্ত জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)

প্র. হনুমান বন্দনা (অতুলিতবলধামং) এর প্রধান তাৎপর্য কী?
উ. এই বন্দনা শ্লোকে হনুমানজিকে অতুলনীয় বলের ধাম, স্বর্ণপর্বত সুমেরুর ন্যায় উজ্জ্বল, রঘুপতির প্রিয় ভক্ত ও সকল বানরকুলের অধিপতি হিসেবে নম্রভাবে আরাধনা করা হয়।
প্র. হনুমান চালিশা বা রামচরিতমানস পাঠের আগে কেন বন্দনা বলতে হয়?
উ. যে কোনো রামায়ণ কথা বা পাঠের পূর্বে হনুমানজির আবাহন ও বন্দনা শ্লোক পাঠ করা শুভ সূচনা ও নিশিদ্ধ বাধা বিনাশের পরম প্রাচীন বিধান।

অন্যান্য দেব-দেবী দর্শন

শিব

শিব

9 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
মা দুর্গা

মা দুর্গা

11 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
মা লক্ষ্মী

মা লক্ষ্মী

20 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
গণেশ

গণেশ

25 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
শ্রী কৃষ্ণ

শ্রী কৃষ্ণ

30 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
শ্রী রাম

শ্রী রাম

18 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
মা কালী

মা কালী

22 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
শ্রী বিষ্ণু

শ্রী বিষ্ণু

19 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
মা সরস্বতী

মা সরস্বতী

15 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
শনি দেব

শনি দেব

21 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
সূর্য দেব

সূর্য দেব

14 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
সাই বাবা

সাই বাবা

16 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
জগন্নাথ

জগন্নাথ

17 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন
নবগ্রহ

নবগ্রহ

26 টি ভক্তি নিবন্ধ
পড়ুন