LPG সিলিন্ডার কেনায় নতুন নিষেধাজ্ঞা, আর মিলবে না এখান থেকে

Published:

LPG Cylinder Delivery Rules

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: এখনও কাটেনি জ্বালানি সংকট। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে এখনও বেশ কিছু জায়গায় LPG গ্যাস সিলিন্ডারের (LPG Gas Crisis) সংকট দেখা যাচ্ছে। তার উপর এই সংকটের মাঝেই কিছু অসৎ ব্যবসায়ী বাড়তি ইনকামের আশায় শুরু করেছে কালোবাজারি। অর্থাৎ বেশি দাম দিয়ে বিক্রি করছে সিলিন্ডার। এদিকে সমস্যায় পড়ছে আমজনতা। এমতাবস্থায় কালোবাজারি রুখতে বড় পদক্ষেপ নেওয়া হল। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল, এবার থেকে আর সরাসরি এলপিজি সিলিন্ডার কেনা যাবে না (LPG Cylinder Delivery Rules) এই জায়গা থেকে। অনিয়ম হলেই নেওয়া হবে কড়া ব্যবস্থা।

LPG সিলিন্ডার বিক্রি করা যাবে না!

রিপোর্ট মোতাবেক, সম্প্রতি LPG সিলিন্ডার সংকটের মাঝেই দিল্লির অয়েল মার্কেটিং কোম্পানিগুলি সমস্ত ডিস্ট্রিবিউটরদের নির্দেশ দিয়েছে যে এবার থেকে স্টোরেজ পয়েন্ট বা গোডাউন থেকে আর কোনও ধরনের LPG সিলিন্ডার বিক্রি করা যাবে না। যদি কেউ গোডাউন থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি করেন তাহলে তাঁর লাইসেন্স কাটা হবে। আসলে অবৈধভাবে LPG বিক্রি এবং কালোবাজারি রুখতেই এই সিদ্ধান্ত। এছাড়াও স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে গ্রাহকদের বুকিং সিস্টেমের মাধ্যমে গ্যাসের ডেলিভারি হবে। অর্থাৎ LPG বুক করলে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সরাসরি বাড়িতেই সিলিন্ডার ডেলিভারি করা হবে।

৫ কেজির LPG সিলিন্ডারের জন্য বড় পদক্ষেপ

জ্বালানি সংকটের মাঝে ছোট আকারের ৫ কেজি LPG সিলিন্ডার বিক্রি নিয়েও নতুন পদক্ষেপ করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। জানানো হয়েছে, গৃহস্থ ও বাণিজ্যিক সংস্থাগুলির সুবিধার জন্য ছোট ৫ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। আর এই সিলিন্ডার গুলো গ্যাস এজেন্সি থেকে সহজেই কেনা যাবে। এর জন্য কোনও অ্যাড্রেস প্রুফ বা ঠিকানার প্রমাণপত্র লাগবে না। বৈধ আইডি অর্থাৎ আধার, ভোটার কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স, প্যান কার্ড ইত্যাদি ব্যবহার করে কেনা যাবে সিলিন্ডার। কেন্দ্রের এই পদক্ষেপে পরিযায়ী শ্রমিকদের বিশেষ সুবিধা হবে বলেই আশা করা যাচ্ছে। এছাড়াও এই পরিষেবায় ভাড়া বাড়িতে বসবাসকারী পরিবার, হোস্টেলে থাকা ছাত্র ছাত্রীদের ব্যাপক সুবিধা পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুন: রাহুলের মৃত্যুতে এফআইআর স্ত্রী প্রিয়াঙ্কার, লীনা-শৈবালের সাথে তালিকায় আরও নাম

ভারত পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক জানিয়েছে এইমুহুর্তে LPG গ্যাস বিতরণ কেন্দ্রগুলিতে কোনও ঘাটতির খবর পাওয়া যায়নি। ৪ এপ্রিলের হিসেব অনুযায়ী এদিন ৫১ লক্ষেরও বেশি ডোমেস্টিক সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়েছে এবং কালোবাজারির বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে গত মার্চ মাস থেকে এখনও পর্যন্ত ৫০ হাজারেরও বেশি সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং LPG ডিস্ট্রিবিউটরদের বিরুদ্ধে ১৪০০ টিরও বেশি ‘শো কজ’ নোটিশ জারি করা হয়েছে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এইমুহুর্তে সেখানে এলপিজির সরবরাহ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। বুকিংয়ের সাড়ে চার দিনের মধ্যেই গ্যাস ডেলিভারি হয়ে যাচ্ছে।

google button