বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: জলের নিচ থেকেই অতর্কিতে হামলা চালানো যাবে শত্রুর উপর। আর যা দিয়ে হামলা চালানো হবে সামরিক পরিভাষায় তাকে বলা হয় সাবমেরিন লঞ্চড ক্রুজ মিসাইল (DRDO New Missile)। এবার সেটাই তৈরি করে ফেলল দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা বা DRDO র বিজ্ঞানীরা। জানা যাচ্ছে, জলের নিচে ডুবোজাহাজ থেকে নিক্ষেপ করা যায় এমন ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণে সফল হতেই খুব শীঘ্রই ভারতীয় নৌসেনার হাতে এই ক্ষেপণাস্ত্র তুলে দেওয়ার লক্ষ্যে বৃহৎ আকারে শুরু হবে উৎপাদন।
পরমাণু হামলার মুহূর্তে পাল্টা প্রত্যাঘাত হানবে এই ক্ষেপণাস্ত্র
ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কয়েকটি সূত্র দাবি করছে, দেশের প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থার হাত ধরে তৈরি বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্র পরমাণু প্রতিরোধ ব্যবস্থা মিউচুয়াল অস্যুরড ডিসট্রাকশন নীতির বড় অংশ। অর্থাৎ পরমাণু হামলার সামনে পড়লে নিজের জাত চেনাতে পারবে এই ক্ষেপণাস্ত্র। সেই সাথে পরমাণু হামলা প্রতিহত করতে পাল্টা প্রত্যাঘাত করতে পারবে এটি। এই ক্ষেপণাস্ত্রের ওয়ারহেড পরমাণু অস্ত্র কিংবা সাধারণ ক্ষমতার বিস্ফোরক বহন করতে পারে।
না বললেই নয়, এই বিশেষ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা জলের তলা থেকে উঠে অতর্কিত শত্রুর ওপর অর্থাৎ লক্ষ্যবস্তুতে জোরালো আঘাত হানতে সক্ষম। এই প্রযুক্তিতে সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজের মধ্যে বিশেষ এক ধরনের ক্যাপসুল থাকে। তাতে রাখা যায় ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। ভারতীয় প্রতিরক্ষা মহলের অনেকই মনে করছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্র নৌসেনার হাতে পৌঁছলে জলে শত্রুর ভিত নাড়িয়ে দেবে তারা।
অবশ্যই পড়ুন: IPL-র এই দলের মালিকানা পেতে পারেন গম্ভীর, টিম ইন্ডিয়ার কোচিং ছাড়বেন গৌতম?
বিশেষ করে ভারতীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থার হাত ধরে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মেক ইন ইন্ডিয়ার ক্ষেত্রেও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। যদিও এমন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা অনেক আগেই আয়ত্ত করেছে আমেরিকা, রাশিয়া চিনের মতো পরাশক্তিরা।












