ইরানে হামলার পিছনে ইজরায়েলের সাথে হাত আছে মোদীর? জানালেন দেশটির রাষ্ট্রদূত

Published:

Narendra Modi
Follow

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্যে এখন চলছে যুদ্ধ। তবে তারই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) ইজরায়েল সফর নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হল। ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি তিনি ইজরায়েল সফরে গিয়েছিলেন। আর ঠিক তা দু’দিন পর অর্থাৎ ২৮ ফেব্রুয়ারি ইজরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের উপর সামরিক হামলা চালায়। এমনকি ১ মার্চ ইরানের সর্বোচ্চ নেতার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে নিকেশ করে দেয়। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, সফর চলাকালীন কি তাহলে হামলার বিষয়ে কিছু জানানো হয়েছিল? প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদীর এর পিছনে হাত রয়েছে?

সফরের সময় নেওয়া হয়নি কোনও সিদ্ধান্ত

এদিন ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রুভেন আজার স্পষ্ট ভাষায় এই সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী ইজরায়েল থাকাকালীন হামলার কোনও রকম সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তাঁর কথায়, অপারেশন অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালবেলা। ততক্ষণে প্রধানমন্ত্রী সফর শেষ করে দেশে ফিরে গিয়েছেন। এমনকি তিনি আরও জানিয়েছেন, হামলার পর ইজরায়েলের বিধানমন্ত্রী ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়সঙ্করের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন আর পরিস্থিতির ব্যাখ্যাও করেন।

বলে রাখি, গত এক বছরের মধ্যে দ্বিতীয়বার ইরানের উপর ইজরায়েল হামলা চালিয়েছে। ইজরায়েলের দাবি, এটি ছিল প্রি-এম্পটিভ স্ট্রাইক। অর্থাৎ সম্ভাব্য কোনও বড় হুমকি ঠেকাতে আগাম পদক্ষেপ। আর রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য অনুযায়ী, ইজরায়েলের প্রধান উদ্বেগ ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ব্যালিস্টিক মিসাইলের সক্ষমতা। তাঁর অভিযোগ, ইরান দীর্ঘদিন ধরেই সামরিক উদ্দেশ্যে পারমাণবিক প্রযুক্তি উন্নয়নের চেষ্টা করে আসছে। আর আঞ্চলিক বিভিন্ন গোষ্ঠীকে অর্থ এবং অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করছে। ভাই ইজরায়েল নিরাপত্তাজনিত কারণেই সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে।

আরও পড়ুন: রাত হতেই বদলে যায় রেলের এই নিয়মগুলো! ট্রেনে ওঠার আগে জানুন, নাহলেই বিপদ

এদিকে ইরানে সরকার পরিবর্তন হবে কিনা সে বিষয়ে সরাসরি মন্তব্য না করলেও রাষ্ট্রদূত স্পষ্ট বলেছেন যে, আমরা জানি না শাসন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আদৌ হবে কিনা। কিন্তু ইরানের জনগণ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরাই ঠিক করবে। তিনি দাবি করেছেন, ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব নিজের দেশেই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। এর ফলে অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ বাড়ছে।