বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাজনৈতিক অস্থিরতা এবার সহিংসতার রূপ নিয়েছে। নির্বাচনী ব্যবস্থায় পরিবর্তনের দাবিতে পথে নামেন পাক অধিকৃত কাশ্মীরের (Pakistan Occupied Kashmir) বাসিন্দারা। আর তারপরই পুলিশের সাথে বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় সংঘর্ষ বাঁধে বিক্ষোভকারীদের। তাতে এখনও পর্যন্ত মোট সাতজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। এছাড়াও দ্বিপাক্ষিক সংঘর্ষে আহত হয়েছেন 63 জনেরও বেশি মানুষ। জানা গিয়েছে, আন্দোলনকারীদের সংগঠন জয়েন্ট আর্মি অ্যাকশন কমিটির সমর্থকদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষে মৃতদের মধ্যে তিনজন সাধারণ নাগরিক এবং চারজন পুলিশ সদস্য ছিলেন।
দুপক্ষের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে POK!
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যমের একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, জয়েন্ট আর্মি অ্যাকশন কমিটির সমর্থকরা পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলন তীব্রতর করলে স্থানীয় প্রশাসন ওই সংগঠনটিকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। কিন্তু তা সত্ত্বেও নিজেদের বিক্ষোভের পথ থেকে সরে যাননি JAAC সমর্থকরা। জানা গিয়েছে, প্রশাসনের এমন পদক্ষেপের পরিপ্রেক্ষিতে আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার ধর্মঘট ডেকেছেন তাঁরা।
এদিকে এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাওয়ালকোট কমিশনার সর্দার ওয়াহিদ জানিয়েছেন, বিক্ষোভকারীদের সাথে নিরাপত্তারক্ষীদের তুমুল সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন তিনজন সাধারণ নাগরিক এবং আহত হয়েছেন 40 জন পুলিশ কর্মী। অন্যদিকে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর উপর আগ্নেয়াস্ত্র এবং শর্টগান দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। সে কারণেই এমন বিক্ষোভকে সন্ত্রাস বিরোধী আইনের অধীনে আনা হয়েছে। পাকিস্তান সরকার সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তার সাথে একটু আপোষ করবে না।
অবশ্যই পড়ুন: গ্রেফতার হতেই জাহাঙ্গীরের বাড়িতে ভাঙচুর, পুষ্পার কার্যালয় থেকে উদ্ধার বিপুল ত্রাণ
প্রসঙ্গত, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে নিরাপত্তারক্ষীদের সাথে বিক্ষোভকারীদের সংঘাতের ঘটনায় ইতিমধ্যেই নাকি 70 জনেরও বেশি জেএএসি সদস্যকে গ্রেফতার করেছে প্রশাসন। সেই সাথে, সংঘাত পরবর্তী পরিস্থিতিতে যাতে এলাকায় পুনরায় বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয় সেজন্য পাক অধিকৃত কাশ্মীরের সন্দেহজনক জায়গাগুলিতে মোতায়ন করা হয়েছে বিরাট পুলিশ বাহিনী।










