ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি প্রত্যাহার সোনাম ওয়াংচুকের, পড়ুয়াদের শর্ত মানবে না কেন্দ্র?

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: নিটের প্রশ্নফাঁস এবং গোটা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কারের দাবিতে পথে নেমেছিল ককরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janta Party)। পরবর্তীতে সেই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে নিজে অনশনে বসেন বিশিষ্ট সমাজ সচেতক তথা বিজ্ঞানী সোনাম ওয়াংচুক (Sonam Wangchuk)। আর তারপরেই নিট সহ নানান গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা চেয়ে আন্দোলন জোরদার করে CJP। শুরুর দিকে কেন্দ্রের তরফে প্রতিক্রিয়া না এলেও পরবর্তীতে আন্দোলনকারীদের সাথে আলোচনায় বসতে রাজি হয়ে যায় সরকার। তারপরই ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে অনশন প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন সোনাম ওয়াংচুক! কিন্তু সেখানেই শেষ হল না সব।

ছাত্র-ছাত্রীদের শর্ত মানতে রাজি নয় কেন্দ্রীয় সরকার?

পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ায় বিগত দিনগুলিতে একের পর এক পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা থেকে শুরু করে গোটা শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কার ও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন ছাত্র ছাত্রীরা। এরই মাঝে কেন্দ্রীয় সরকার পড়ুয়াদের সাথে আলোচনায় বসতে রাজি হয়ে গেলে ধর্মেন্দ্র প্রধানের বিরুদ্ধে অনশন প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছিলেন সোনাম ওয়াংচুক। তাতে আলোচনার রাস্তা অনেকটাই সহজ হতে পারতো বলেই মনে করেছিলেন অনেকে!

বলাই বাহুল্য, কিছুদিন আগেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জেপি নাড্ডার সাথে বৈঠক হয় ককরোচ জনতা পার্টির দুই সদস্যের। সেখানেই তাঁরা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কাছে তিনটি দাবি রেখেছিলেন। প্রথমত, শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, মৃত পড়ুয়াদের পরিবার কিছু 1 কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং বিজ্ঞানী তথা সমাজসেবক সোনাম ওয়াংচুকের দ্রুত মুক্তি। সূত্রের খবর, সরকারের তরফে এই তিন দাবি বিবেচনা করে দেখা হবে বলেও জানানো হয়েছিল।

অবশ্যই পড়ুন: ফুটবল বিশ্বকাপে ভক্তদের স্বপ্ন ভেঙে চূড়ান্ত ব্যর্থ এই ৬ প্লেয়ার, তালিকায় সবার প্রিয় রোনাল্ডোও

তবে পরবর্তীতে, কেন্দ্রের সাথে পুনরায় আলোচনায় বসতে দুটি শর্ত দিয়েছিল CJP। এর মধ্যে প্রথমটিই ছিল ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং দ্বিতীয়টি কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে যা আলোচনা হবে তা যন্তর মন্তরেই প্রকাশ করতে হবে। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এই দুই শর্ত মানা নাকি সম্ভব নয়। ফলে এগোয়নি দুপক্ষের আলোচনা। কেন্দ্রীয় সরকার অবশ্য চাইছে, পূর্ব শর্ত মেনে নয় বরং দুপক্ষের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান সূত্র বের করতে। এদিকে সরকারি শর্তে রাজি না হওয়ায় জারি রয়েছে আন্দোলন।