দীর্ঘদিন ধরেই ভারতে আত্মগোপন, শিলিগুড়ি স্টেশন থেকে গ্রেফতার ৮ বাংলাদেশী

Published:

Bangladeshi Arrested

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের কোনও জায়গা নেই বাংলায়। রাজ্যে সরকার গঠন করার পরই স্পষ্ট বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। তারপর থেকেই একে একে গ্রেফতার হচ্ছে অনুপ্রবেশকারীরা। এমনকি বর্ডারে দেখা যাচ্ছে লম্বা লাইন। এরই মধ্যে শিলিগুড়ি থেকে গ্রেফতার হল একসাথে ৮ জন অবৈধ বাংলাদেশী (Bangladeshi Arrested)। সূত্রের খবর, এবার শিলিগুড়ি জংশন স্টেশন (Siliguri Junction Railway Station) থেকেই হাতেনাতে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় আরপিএফ এবং শিলিগুড়ি জিআরপির যৌথ টিম মিলেই এই অভিযান চালায়।

শিলিগুড়ি থেকে গ্রেফতার বাংলাদেশীদের দল

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এই অভিযান চালানো হয়। স্টেশনের এক জায়গা থেকেই সন্দেহভাজন ৮ জনকে তোলা হয়। রেল পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ৮ যাত্রী রাধিকাপুর এক্সপ্রেসে চেপে শিলিগুড়ি স্টেশনে নেমেছিল। আর সেখানে নামার পর হলদিবাড়ি যাওয়ার জন্য ট্রেনের অপেক্ষা করছিল তারা। সেই সময়ই আচমকা অভিযান চালিয়ে তাদেরকে হাতেনাতে আটক করা হয়, এবং স্থানীয় জিআরপি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

থানায় নিয়ে গিয়ে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে। এমনকি তারা নিজেরাই স্বীকার করেছে যে, তারা বাংলাদেশী নাগরিক। অবৈধভাবেই এপার বাংলায় এসে দীর্ঘদিন ধরেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আত্মগোপন করে থাকত। আর এখানেই তাদের রুটি রোজগার। তবে রাজ্য সরকার কড়া হওয়ার পর তারা শিলিগুড়ি এবং হলদিবাড়ি সীমান্ত রুট ব্যবহার করে বাংলাদেশে পালানোর ছক কষছিল। কিন্তু তার আগেই পুলিশের জালে অনুপ্রবেশকারীর দল।

আরও পড়ুন: অভিষেক ম্যাচে ৬ উইকেট মানব সুথারের, পঁচিশ বছর পর গড়লেন আরেক ইতিহাস

সূত্রের খবর, ধৃত আটজনের মধ্যে চারজন বাংলাদেশের দিনাজপুরের বাসিন্দা। যাদের নাম সৌরভ রায়, মমিন, কামাল চন্দ্র রায় এবং অভিষেক রায়। আর বাকি চারজন বাংলাদেশের নীলফামারী এলাকার বাসিন্দা। তারা হল সনজিত রায়, জয়ন্ত রায়, গোবিন্দ রায় এবং টিটন চন্দ্র রায়। দীর্ঘদিন ধরেই এপার বাংলায় যারা জীবিকার জন্য রয়েছে, এমনকি তাদের কাছে ভুয়ো ডকুমেন্টও ছিল বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তবে একসাথে ৮ জন ধরা পরার পর নিরাপত্তা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠছে। তাদেরকে আপাতত পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে। অনুমান করা হচ্ছে, রাজ্য সরকারের তরফ থেকে চালু করা হোল্ডিং সেন্টারে তাদেরকে প্রথমে পাঠানো হবে। তারপরই তাদেরকে বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়া হবে।