সহেলি মিত্র, কলকাতা: আবারও ধাক্কা খেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) কালীঘাট তৃণমূল। এবার ঘাসফুল শিবিরের আরও ৯টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হল। ইডির পর এখন এই পদক্ষেপ নিয়েছে বিধাননগর সাইবার থানা। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। সূত্রের খবর, জয়নগরের তৃণমূল বিধায়ক বিশ্বনাথ দাসের করা অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হওয়া তদন্তে আরও এক ধাপ এগোল বিধাননগর সাইবার পুলিশ।
মমতার তৃণমূলের আরও ৯টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করল পুলিশ
তদন্তের স্বার্থে একাধিক নতুন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর। পুলিশ ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কগুলির কাছ থেকে লেনদেন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেছে। পাশাপাশি, এই মামলায় অভিযুক্ত আখরুজ্জামান-সহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বয়ানও রেকর্ড করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরেই মামলার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনা কালীঘাট তৃণমূলের (Trinamool Congress) কাছে যে বিরাট ধাক্কার তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।
এর আগে তৃণমূলের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে ইডি।
ইডি সূত্রে খবর, কলকাতা আঞ্চলিক কার্যালয় কলকাতা ও তার আশেপাশে বিমান চলাচল খাতের সঙ্গে জড়িত কেয়ারওয়েল গ্রুপ অফ কোম্পানিজের পাঁচটি স্থানে অভিযান চালায়। বিধাননগর সাইবার থানায় দায়ের করা একটি এফআইআর-এর ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এফআইআর-এ তৃণমূল দলের নির্দিষ্ট কিছু ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে সন্দেহজনক লেনদেন, প্রতারণামূলক জমা এবং অর্থ স্থানান্তরের অভিযোগ আনা হয়েছিল। তদন্ত চলাকালীন ইডি দলটির তিনটি অ্যাকাউন্টে থাকা ৪৪০.৪২ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে।
কটাক্ষ তৃণমূল নেতার
আর এই নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের মোট ১২টি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হলো। এদিকে এই ঘটনা নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেছেন রাজ্যসভার নেটা ডেরেক ও ব্রায়েন। শুক্রবার তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভা নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন দলের আগের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তরফে বাজেয়াপ্ত করার বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন। জিজ্ঞাসা করেন, ইডি কখন “মন্দিরের তহবিল” বাজেয়াপ্ত করবে। অযোধ্যার রাম মন্দিরে অনুদান আত্মসাতের অভিযোগের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি এ কথা বলেন তা স্পষ্ট। ডেরেক প্রশ্ন তোলেন, ‘ইডি এইচডিএফসিতে থাকা তৃণমূলের -র ৩টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত করেছে। ইডি কবে মন্দিরের তহবিল বাজেয়াপ্ত করবে।’










