প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন শুরু হতে আর খুব বেশি দিন বাকি নেই। তাই ভোট প্রচারের জন্য বেশ জোরকদমে নেমেছে সকল রাজনীতিবিদ। এদিকে গত শনিবার SIR এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পরে শুরু হয়েছে নয়া উত্তেজনা। জানা গিয়েছে এবার বাংলায় ভোট প্রস্তুতি চূড়ান্ত ভাবে খতিয়ে দেখতে ফের আসছে দেশের নির্বাচন কমিশনের (Election Commission Of India) ফুলবেঞ্চ। আগামী ৯ মার্চ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে ফুলবেঞ্চের আসার কথা। এই অবস্থায় বুথের ভিতরে আর বাইরে সিসিটিভি বসানোর নির্দেশ দিল ECI।
সিসিটিভি বসানোর নির্দেশ দিল ECI এর
সোমবার সব জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, পুলিশ কমিশনার–সহ উচ্চপদস্থ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী। আর সেখানেই রাজ্যে ভোটের প্রাক প্রস্তুতি নিয়ে একাধিক আলোচনা করা হয়। এদিন বুথে নজরদারি জোরদার করার জন্য সিসিটিভি ফুটেজের কথা বলা হয়। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনের সময় বুথে-বুথে নজর আরও বাড়ানোর জন্য বুথের ভিতরে ও বাইরে সিসিটিভি বসাতে হবে। এর ফলে বুথের ভিতরে ও বাইরে যেখানেই গন্ডগোল হোক না কেন তা ধরা পড়বে ক্যামেরায়। আর সেই নিয়ে ব্যবস্থাও নেবে কমিশন।
বুথের বাইরে পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন কারা?
প্রতিবার নির্বাচনের সময় বুথের ভিতর বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি দেখা যায়। ভোটারদের উপর জোর করে নির্দিষ্ট দলে ভোট দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। তাই সেই ঘটনা যাতে পুনরায় না ঘটে তার জন্য বুথের ভিতর সিসিটিভি বসানোর কথা বলা হয়েছে। এর ফলে, কেউ যদি বুথের ভিতর জোরপূর্বক ঢোকার চেষ্টা করে তাঁর বিরুদ্ধে ফুটেজ দেখে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখানেই শেষ নয়, কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, বুথের বাইরে পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন মাইক্রো অবজার্ভাররা। এদিন বৈঠকে শুধু বুথে নজরদারি নিয়ে আলোচনা হয়নি, পাশাপাশি কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ কেন্দ্রীয় বাহিনী যেন কারও কোনও আতিথেয়তা গ্রহণ না করে তা লক্ষ্য রাখা।
আরও পড়ুন: বনগাঁ শো কাণ্ডে চরম নাটকীয়তা! এবার মিমির বিরুদ্ধে দায়ের হল জোড়া মামলা
প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশের আগেই প্রথম দফায় ২৪০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পৌঁছেছে রাজ্যে। আগামী ১০ মার্চ আরও ২৪০ কোম্পানি বাহিনী আসার কথা। ইতিমধ্যেই গত রবিবার, চার কোম্পানির কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছিল দক্ষিণ দিনাজপুরে। বিকেল থেকেই সেখানকার কুমারগঞ্জ, গঙ্গারামপুর, কুশমণ্ডি ও হরিরামপুরের আটটি ব্লকেই রুট মার্চ শুরু করেছে জওয়ানরা। আরও ছয় কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্রুত জেলায় আসবে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও ধূপগুড়ি এবং শ্রীরামপুরেও পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।












