সহেলি মিত্র, কলজাতাঃ একদিকে যখন তৃণমূল দুইভাগে বিভক্ত হয়ে যাচ্ছে, তখন আরও বড় চমক অপেক্ষা করছে সকলের জন্য। এবার মেয়রের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)। কলকাতা পুরসভার মেয়র পদে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ হাকিম।
মেয়রের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন ফিরহাদ হাকিম
২৬-এর বিধানসভার ফল ঘোষণার পর থেকেই মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার জন্য বারবার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন ফিরহাদ হাকিম। তবে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এতে সায় ছিল না বলে ফিরাদ হাকিম ইস্তফা দেননি। তবে এখন দলের যা অবস্থা সেখানে দাঁড়িয়ে এবার ফিরহাদ হাকিমের সেই ইচ্ছাকে মান্যতা দিয়েছেন। এরপরেই ইস্তফা দিয়ে সকলকে চমকে দিলেন ফিরহাদ হাকিম।
কী বললেন কুণাল ঘোষ?
এদিকে ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগ প্রসঙ্গে বড় মন্তব্য করলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তিনি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছেন, ‘ফিরহাদ হাকিম আমাদের দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বারবার ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন। সর্বশেষ দিনে আমিও ছিলাম। তিনি জানান কাজকরা যাচ্ছে না।’
VIDEO | Kolkata: TMC leader Kunal Ghosh says, “Kolkata Mayor Firhad Hakim had requested Mamata Banerjee, the party supremo, for permission to resign. He wanted a dignified exit, as the State Government is rendering the Municipal Corporation defunct. Until now, Mamata Banerjee had… pic.twitter.com/JY7rJAnnZr
— Press Trust of India (@PTI_News) June 3, 2026
এদিকে আজ নবান্নে যে প্রশাসনিক সভায় যে আলোচনা হয়েছে তাতে বলা হচ্ছে কলকাতা পুরসভায় কাজ করা যাচ্ছে না। ফলে কমিশনার বিধায়কদের পরামর্শ নিয়ে কাজ করবে। অন্যদিকে ফিরহাদ হাকিম চাইছেন সসম্মানে ইস্তফা দেওয়ার। সবদিক বিবেচনা করে যখন তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলেছেন আমি সসম্মানে বেরিয়ে যেতে চাই। কিন্তু স্বাভাবিভাবেই দলনেত্রী মানা করেন। কিন্তু ফিরহাদ হাকিম জানান তিনি কাজ করতে পারছেন না। ফলে থেকে লাভ কী। ফলে দলনেত্রী ফিরহাদ হাকিমের কোনও অমর্যাদা না হয়, অসম্মান না হয় সেজন্য ফিরহাদ হাকিমকে অব্যাহতি দিয়েছেন।’
ফিরহাদ হাকিম তৃণমূলের অন্যতম প্রভাবশালী নেতা এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠতম রাজনৈতিক সহযোগীদের একজন হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত। কলকাতার মেয়রের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছেন। তবে তৃণমূল যখন আদি ও নব্য-র মধ্যে পিষছে, তখন ফিরহাদ হাকিমের মেয়রের পদ ছেড়ে দেওয়ার যেকোনো পদক্ষেপ শাসক দলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে জল্পনাকে আরও উস্কে দিতে পারে।










