সৌভিক মুখার্জী, দাদপুর: দলটার সাথে চোর অপবাদ যেন কোনও ভাবেই মুছছে না। রেশন শুরু থেকে শুরু করে কয়লা চুরি, বালি চুরি, ফাইল চুরির ঘটনা তো রয়েছেই, আর এবার ছাগল চুরিতেও জড়িয়ে গেল তৃণমূল কংগ্রেসের নাম। সূত্রের খবর, হুগলির (Hooghly) ধনিয়াখালির বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক অসীমা পাত্রের দেওয়া এক অ্যাম্বুলেন্সে করেই দেদার ছাগল চুরি হচ্ছিল। আর সেই ঘটনায় শনিবার অ্যাম্বুলেন্স সহ তিন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, যা নিয়ে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
ছাগল চুরি তৃণমূল কর্মীদের
অভিযোগ ওঠে, বেশ কয়েকদিন ধরে এলাকার পোষা ছাগল চুরি হচ্ছিল। গ্রামবাসীরা বুঝে উঠতে পারছিল না যে দিনের পর দিন কীভাবে এত ছাগল চুরি হচ্ছে, এর পিছনে ঠিক কাদের হাত আছে! বিশেষ করে হুগলির দাদপুর থানার দাদপুর গ্রামে মাঝেমধ্যেই এরকম ঘটনা ঘটছিল। বেকায়দায় পড়ে গ্রামবাসীরা থানায় অভিযোগ দায়ের করে। তবে তাতেও কোনও রকম সুরহা মেলেনি। আসল ছাগল চোরকেই ধরতে পারেনি পুলিশ। তবে দীর্ঘ তল্লাশির পর শনিবার ভোরে ছাগল চোরদের আটক করল পুলিশ।
আসলে গত শুক্রবার দাদপুর গ্রামের সুশান্ত গড়াই নামে এক ব্যক্তির ছাগল চুরি যায়। এমতাবস্থায় ওদিন রাতেই তিনি থানায় অভিযোগ জানান। সেই মতো তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। তবে শনিবার ভোরের দিকে দাদপুর থানার সারখোলা গ্রামে একটি অ্যাম্বুলেন্সে ওই চুরি যাওয়া ছাগল দু’টিকে উদ্ধার করা হয়, যা নিয়ে গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি এই চুরির ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন: ডুয়ার্স ভ্রমণ হবে সহজ, হাসিমারা বিমানবন্দরে বেসামরিক ফ্লাইটের জন্য সবুজ সঙ্কেত নবান্নর
স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী খবর, ওই অভিযুক্তরা তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জড়িত, এবং তারা হলেন অ্যাম্বুলেন্সের চালক আহমেদ আলী সরকার, দীপঙ্কর রায় এবং রজত ক্ষেত্রফল। তাদেরকে হেফাজতে নিয়েছে থানার ওসি সন্তোষ তালুকদার নেতৃত্বে গঠিত পুলিশের একটি দল। এমনকি ছাগল চুরির কথা স্বীকারও করে নিয়েছে অভিযুক্তরা। ধৃতদেরকে আজ আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। এখন দেখার আদালত কী রায় দেয়।










